দেখতে থাকুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

কর্ণগড় পরের সপ্তাহেই পাচ্ছে হেরিটেজ ও প্রত্নতাত্ত্বিক মর্যাদা, আশায় আবেদনকারীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক: কর্ণগড়। ব্রিটিশ ভারতের সম্ভবত প্রথম রাজনৈতিক বন্দিনী রানি শিরোমণি (RANI SHIROMANI)। পারাং নদী ঘেরা প্রাসাদের ধ্বংসাবশেষ- গড়, তাঁর নামেই ‘রানি শিরোমণি গড়’। কর্ণগড়ের  (KARNAGARH) দু’টি মন্দির, মহামায়া ও দণ্ডকেশ্বর আগেই পেয়েছিল রাজ্য সংরক্ষিত সৌধের মর্যাদা। এবারে বর্তমান সংরক্ষিত ‘রানি শিরোমণি গড়’ – এর ভেতরে একটি জরাজীর্ণ মন্দির (জনশ্রুতি, শীতলা মন্দির) ও বাহিরমহল আসতে চলেছে স্টেট প্রটেক্টেড মনুমেন্ট- এর তালিকায়। বিশেষ জায়গা চিহ্নিত করে, ঘোষণা হতে পারে হেরিটেজ জোন। রানির অন্দরমহলের ছোট জলাশয়-টিও আসতে পারে রাজ্য প্রত্নতাত্ত্বিক দফতরের আওতায়। ঘোষণা হওয়া শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা। মনে করা হচ্ছে, আগামী পাঁচ দিনের মধ্যেই রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই ঘোষণা করা হবে। আশায় বুক বাঁধছে আবেদন- আন্দোলনকারীরা। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী (CM) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়  জেলা সফরে এসে এই ঘোষণা করেন কি না, সেই অপেক্ষায় সকলেই।

সূত্রের খবর, রাজ্য সংরক্ষিত সৌধ গুলির সামনে বসতে পারে তথ্যসমৃদ্ধ ফলক। গড়ে ঢোকার মুখে বসানো হতে পারে সংক্ষিপ্ত ইতিহাস সমৃদ্ধ ফলক। জীর্ণ এই দুই সৌধের সংস্কার করে তা সংরক্ষণ করা হবে। আলাদা আলাদা করে ঘিরে দেওয়া হতে পারে সৌধ গুলিকে। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি একাধিকবার রাজ্য সরকারের প্রতিনিধিদল ঘুরে গিয়েছে ঐতিহ্যমণ্ডিত এই গড়। জমি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে ২ বার। সেই সময়ও পেরিয়ে গিয়েছে। মেদিনীপুর- খড়গপুর উন্নয়ন পর্ষদ এখানে বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে রানি শিরোমণির কাল্পনিক মূর্তি।

রাজ্য সরকারের প্রাকৃতিক কেন্দ্রের তালিকায় সম্প্রতি স্থান পেয়েছিল কর্ণগড়ের রানি শিরোমণি গড়। ধর্মীয় ও সংস্কৃতি কেন্দ্রের তালিকায় স্থান পেয়েছিল কর্ণগড় (মূল মন্দির)। প্রসঙ্গত, এই মহামায়া মন্দির চত্বরে বসেই শিবায়ন রচনা করেছিলেন কবি রামেশ্বর ভট্টাচার্য। রাজ্যের পর্যটন তালিকায় রয়েছে রানি শিরোমণি গড়। 

হেরিটেজ জার্নি (HERITAGE JOURNEY) , ভালবাসি কর্ণগড় (VALOBASI KARNAGARH), রানি শিরোমণি ঐক্য মঞ্চের (RANI SHIROMANI OIKYO MANCHO) দীর্ঘদিনের দাবি ছিল, ঐতিহাসিক জীর্ণ ধ্বংসাবশেষ গুলি সংরক্ষণ করুক রাজ্য প্রত্নতাত্ত্বিক দপ্তর। করা হোক সংস্কার। খাতায়-কলমে দেওয়া হোক ঐতিহাসিক মর্যাদা। সেই আবেদনকে মান্যতা দিল রাজ্য সরকার। বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে, খুব শীঘ্রই খাতায়- কলমে ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক মর্যাদা পেতে চলেছে কর্ণগড়। অনুমান, আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা সফরে এসে কর্ণগড়কে খাতায় কলমে মর্যাদা দিয়ে আবেদনকারীদের মুখে হাসি ফোটাতে পারেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

বিজেপিকে রুখতে মমতার পাশে কেজরিওয়াল, তৃণমূলের প্রার্থীদের হয়ে প্রচারে আসছেন আপ সুপ্রিমো

নৈহাটিতে তৃণমূলপন্থী ক্লাবে বসে ভোটার স্লিপ বিলি! BLO-কে হাতে নাতে ধরল বিজেপি

যাদবপুরে নাবালিকাকে দেড় বছর ধরে আটকে রেখে যৌন নিগ্রহ, ধৃত যুবক

‘২৫০ আসন পাবে তৃণমূল,’ প্রথম দফার ভোটের পরেই ভবিষ্যদ্বাণী ইউসুফ পাঠানের

পাঁশকুড়ায় ইভিএম বদলে দেওয়ার অভিযোগ বিজেপি প্রার্থীর, চাঞ্চল্য

ময়নায় ইভিএম মেশিন বুথ থেকে নিয়ে যাওয়ার সময় বিজেপির হামলা, ১০ জন তৃণমূল এজেন্ট আহত

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ