রাজ্যের অনুরোধে গুরুত্ব না দিয়ে রেশনের বরাদ্দ কমাল কেন্দ্র, নতুন বছরেই কোপ খাদ্যে

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ কেন্দ্রীয় সরকার তথা বিজেপি নেতাদের মুখে যে বিরাট স্লোগান শোনা যায় তা হল, সবকা সাথ সবকা বিকাশ। কিন্তু দেশ এই স্লোগানের বাস্তবতা দেখতে পায়নি। কৃষকরা তাঁদের ন্যায্য অধিকার পায়নি, শ্রমজীবী মানুষরা চাপে পড়েছে, বছরে দু’‌কোটি কর্মসংস্থানের দাবি মেলেনি। তার সঙ্গে জুড়েছে বাংলার বিপুল পরিমাণ প্রাপ্য আটকে রাখার অভিযোগ। এই আবহে এবার কেন্দ্রীয় খাদ্যমন্ত্রক সরাসরি রেশনে কোপ বসিয়ে বরাদ্দ কমিয়ে দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই নিয়ে এখন তোলপাড় হচ্ছে গোটা দেশ। তার সঙ্গে বাংলার অনুরোধকে গুরুত্ব না দিয়ে কোপ ফেলা হচ্ছে রেশনের খাদ্যে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এদিকে ২০২৬ সালের শুরু থেকে জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা প্রকল্পের অধীনে থাকা রাজ্যের রেশন গ্রাহকদের বরাদ্দে রদবদল করা হচ্ছে। বাংলার খাদ্য দফতরের পক্ষ থেকে আগের মতোই রেশনে বরাদ্দ অব্যাহত রাখার অনুরোধ করা হয়েছিল। সে কথা জানিয়ে চিঠি পর্যন্ত দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেটা যে করা যাবে না তা সাফ জানিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় খাদ্যমন্ত্রক। তথ্য অনুযায়ী, এখন জাতীয় প্রকল্পের এসপিএইচ এবং এসপিপিএইচ শ্রেণির রেশন গ্রাহকদের মাসে ৫ কেজি করে খাদ্যশস্য বরাদ্দ করা হয়ে থাকে। তার মধ্যে এখন ২ কেজি গম ও ৩ কেজি চাল দেওয়া হয়। অন্ত্যোদয় যোজনার গ্রাহকরা পরিবার পিছু মাসে ৩৫ কেজি করে খাদ্যশস্য পান। যার মধ্যে চাল থাকে ২০ কেজি এবং গম ১৫ কেজি।

অন্যদিকে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কেন্দ্রীয় খাদ্যমন্ত্রক চালের পরিমাণ কমিয়ে দিচ্ছে। আর বাড়িয়ে দিচ্ছে গমের পরিমাণ। এবার থেকে ৫ কেজি খাদ্যশস্যের মধ্যে ৩ কেজি গম এবং ২ কেজি চাল থাকবে। অন্ত্যোদয় শ্রেণির গ্রাহকরা পাবেন পরিবার পিছু মাসে ২০ কেজি গম ও ১৫ কেজি চাল। এমনকী জানুয়ারি মাস থেকে গ্রাহকের সংখ্যা অনুযায়ী তার ভিত্তিতেই রাজ্যকে খাদ্যশস্য বরাদ্দ করবে কেন্দ্র। খাদ্যমন্ত্রকের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে রাজ্যের খাদ্য দফতরকে জানানো হয়েছে, গ্রাহককে কত পরিমাণ খাদ্যশস্য দেওয়া হবে, সেটা রাজ্যই ঠিক করে থাকে। তবে কেন্দ্রীয় সরকার যে বরাদ্দ করে সেটাই দিতে হবে। তবে রাজ্য সরকার চালের বরাদ্দ একই রাখার অনুরোধ করেছিল। কারণ রাজ্য থেকেই চাল সংগ্রহ করে কেন্দ্র।

তাছাড়া সেন্ট্রাল এবং স্টেট পুলের জন্য রাজ্য পৃথকভাবে চাল মজুত করে। সেন্ট্রাল পুলের চাল থেকে জাতীয় প্রকল্পের অধীনে থাকা রেশন গ্রাহকদের এবং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র ও স্কুলের মিড–ডে মিল প্রকল্পের চাল সরবরাহ করা হয়। চলতি ২০২৫–২৬ খরিফ মরশুমে রাজ্য সরকার মোট ৬৭ লক্ষ টন ধান কৃষকদের কাছ থেকে কেনার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে। তার মধ্যে সেন্ট্রাল পুলের জন্য কেনা হবে ৪১ লক্ষ ১৫ হাজার টন। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকার রেশন গ্রাহকদের চালের বরাদ্দ কমিয়ে দিল। ফলে সেন্ট্রাল পুলে কম চাল লাগবে। সেক্ষেত্রে ক্ষতি হবে বাংলার কৃষকদের। এই বিষয়ে রেশন ডিলারদের সর্বভারতীয় সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বম্ভর বসু বলেন, ‘‌রাজ্য তার পরিকল্পনা মতো কৃষকদের কাছ থেকে ধান কিনুক। অতিরিক্ত যে চাল বাঁচবে সেটা এফসিআই–কে দেওয়া হোক ভিন রাজ্যের জন্য।’‌

মুম্বইকে হারিয়ে প্লে-অফে জায়গা করার আশা টিকিয়ে রাখল রাহানেরা

মুম্বইকে ১৪৭ রানে বেঁধে রাখলেন অজিঙ্কা রাহানেরা

ঘুসুড়ির জে. এন. মুখার্জী রোডের বেহাল দশা, নতুন সরকারের দিকে তাকিয়ে এলাকাবাসী

অন্যের প্রেমিকাকে সঙ্গে নিয়ে নিক্কো পার্কে মজা করতে গিয়ে নিউমার্কেটে প্রতিবেশীর হাতে খুন যুবক

অশোকনগরে সাড়ে ৪ বছরের শিশুকে যৌন নির্যাতনের ঘটনায় ২০ বছরের কারাদণ্ড ঘোষণা

দত্তপুকুরের পঞ্চায়েত উপপ্রধান মান্তু সাহা গ্রেফতার

বিধাননগরের তৃণমূল কাউন্সিলর রঞ্জন পোদ্দার তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার

লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, তৃণমূল নেতার বাড়ির সামনে গায়ে আগুন মহিলার

‘অনুপ্রবেশকারীদের সরাসরি BSF-এর হাতে তুলে দেওয়া হবে,’ ঘোষণা শুভেন্দুর

মেলানির জন্য ‘মেলোডি’ উপহার, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল প্রধানমন্ত্রী মোদি

‘প্রত্যেক মাসে উত্তরবঙ্গে আসব,’ বাগডোগরা বিমানবন্দরে পা রেখেই ঘোষণা শুভেন্দুর

মালতিপুরের তৃণমূল বিধায়কের মেয়ের স্কুলে ১৬ লক্ষ টাকা বিদ্যুৎ বিল বাকি, বিচ্ছিন্ন করা হল সংযোগ

‘তৃণমূল জমানায় মাদ্রাসায় নিয়োগে বৈধরা সুযোগ পায়নি,’ পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের

আগামী ২’ঘণ্টার মধ্যে ধেয়ে আসছে কলকাতা সহ একাধিক জেলায় প্রবল দুর্যোগ, সতর্কতা জারি