আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘‌ধর্ম যার‌ যার…’‌, মমতার শ্লোগান এবার তারেক রহমানের গলায়

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবসময় সর্বধর্ম সমন্বয়ের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন। সেখানে কোনও বিভাজনের রাজনীতিকে জায়গা দেননি। তাই সমস্ত সভা–সমাবেশ এবং অনুষ্ঠানে তৃণমূল সুপ্রিমো শ্লোগান দিয়ে থাকেন, ‘‌ধর্ম যার যার উৎসব সবার’‌। সেটা দুর্গাপুজোর অনুষ্ঠান হোক কিংবা রাজনৈতিক সমাবেশ—মমতার গলায় এই সুর সবসময় শোনা গিয়েছে। আজ সেটা প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠল বাংলাদেশের মাটিতেও। যার জন্য এই শ্লোগান নিয়ে এখন সরগরম হয়ে উঠেছে বাংলা–বাংলাদেশ–সহ গোটা বিশ্ব। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবার বলেছেন, তাঁর সরকার ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে চায় না। বরং ধর্ম–বর্ণ নির্বিশেষে সবাই সকল ক্ষেত্রে সমান অধিকার ভোগ করবে।

এদিকে যে বাংলাদেশের মাটি ধর্মের ভিত্তিতে অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছিল সেখানকার প্রধানমন্ত্রীর এমন মন্তব্য নয়া বার্তা বয়ে নিয়ে এল। শুধু মুখের কথায় নয়, বরং গৌতম বুদ্ধের জন্ম তিথি ‘বুদ্ধ পূর্ণিমা’ উপলক্ষ্যে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রতিনিধিরা আজ, বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ে সাক্ষাৎ করতে এলে তারেক রহমান তাঁদের এমন প্রতিশ্রুতি দেন বলেই খবর। যা নিয়ে এখন বাংলাদেশের মাটিতে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তারেক রহমান বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের বলেন, ‘‌বর্তমান সরকার ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতে চায় না। ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে আমরা ব্যবহার করতে চাই না। অতীতেও আমরা তা করিনি। আমাদের সরকারের দৃষ্টিভঙ্গ হচ্ছে, যা একটু আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, আমিও জোর দিয়ে আবারও একই কথা বলতে চাই, ‘ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার।’‌

অন্যদিকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর মুখে এই কথা শোনার পর থেকেই বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্লোগান। কারণ তারেক রহমান যে আজ বলেছেন, ‘‌ধর্ম–বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালি–অবাঙালি বিশ্বাসী–অবিশ্বাসী সবাই সকল ক্ষেত্রে সমানভাবে অধিকার ভোগ করবে। এটাই বর্তমান সরকারের নীতি।’‌ যে কথা বারবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন সে কথা আজকে বলতে হচ্ছে বাংলাদেশের প্রধানমত্রীকে। আর তাতেই সবাই মনে করছেন, বাংলা যা আজকে ভাবে গোটা বিশ্ব তা পরে ভাবে। সেটাই যেন আজ প্রমাণিত হল। তারেকের বক্তব্য, ‘‌আপনারা কেউ নিজেদেরকে কখনওই সংখ্যালঘু ভাববেন না। রাষ্ট্র আমার আপনার আমাদের সবার পরিচয়। আমরা প্রত্যেকে, প্রত্যেক নাগরিক, সকলে আমরা বাংলাদেশি।’‌

এছাড়া বাংলাদেশে বিএনপি সরকার গঠনের আগে রক্তাক্ত হয়েছিল পদ্মাপার ধর্মের বিভাজনের ভিত্তিতে। আক্রমণ নেমে এসেছিল সেখানে বসবাসকারী হিন্দুদের উপর। নারকীয় সব হত্যাকাণ্ডে বাংলাদেশে মাটি লাল হয়ে গিয়েছিল। এবার সেখান থেকে পৃথক ভাবমূর্তি ফেরাতে চান প্রধানমন্ত্রী। আর তাই তারেক রহমানের কথায়, ‘‌আমার মনে হয়, রাষ্ট্রীয় বিধিবিধানের পাশাপাশি প্রতিটি নাগরিক যার যার ধর্মীয় নির্দেশগুলি যথাযথভাবে অনুসরণ করলে আমরা সকলে মিলে একটি মানবিক রাষ্ট্র এবং সমাজ নির্মাণ করতে পারব। সুতরাং, প্রতিটি নাগরিক যাতে তাঁর ধর্মীয় রীতি নীতি ও অধিকার বিনা বাধায় স্বাধীনভাবে অনুসরণ অনুকরণ এবং ভোগ করতে পারে, এমন একটি রাষ্ট্র ও সমাজ নির্মাণই হচ্ছে আমাদের সরকারের প্রধানতম দায়িত্ব ও অঙ্গীকার।’‌

Published by:

Share Link:

More Releted News:

জেল খাটতে কেমন লাগে? কৌতুহল থেকে ১১ বছরের নাবালককে খুন ৬ কিশোরের

বাংলাদেশে জঙ্গলরাজ, তারেক জমানার আড়াই মাসে ৪৬৪টি খুন ও ৬৬৬টি ধর্ষণ

বাংলাদেশে ‘জঙ্গি’ আছে? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন, ‘নেই’, উল্টোসুর তারেকের তথ্য উপদেষ্টার

জঙ্গি হামলার আশঙ্কা , ঢাকা সহ বাংলাদেশের ৮ বিমানবন্দরে কড়া সতর্কতা

বাংলাদেশে একই দিনে সাত জেলায় বজ্রাঘাতে ১৩ জনের মৃত্যু

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা, হিন্দু শিক্ষককে গ্রেফতার

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ