আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

বিজিবি-জঙ্গিদের যৌথ বাধায় অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাদেশে ফেরাতে ব্যর্থ বিএসএফ

নিজস্ব প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর ‘পুশ ইন’ ঠেকাতে জঙ্গিদের সাহায্য নিল বাংলাদেশ সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিজিবি)। আর বিজিব ও জঙ্গিদের যৌথ প্রতিরোধে অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠাতে ব্যর্থ হয়েছে বিএসএফ। যদিও ‘পুশ ইন’ নিয়ে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। তবে বিজিবির ২৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাব্বার আহাম্মেদ হুঙ্কার দিয়েছেন, ‘বিএসএফ পুশ ইনের চেষ্টা চালালে সীমান্তে রক্তগঙ্গা বইয়ে দেব। এটা শেখ হাসিনার বাংলাদেশ নয়, তা বুঝিয়ে দেওয়া হবে ভারতকে।’

পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পরেই ভারত জুড়ে অবৈধ বাংলাদেশিদের ধরপাকড় শুরু হয়েছে। দিল্লি, গুজরাত, মহারাষ্ট্র-সহ বিভিন্ন রাজ্যে পুলিশের জালে পাকড়াও হয়েছেন কয়েকশো বাংলাদেশি। গত কয়েকদিন ধরেই বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাদেশে ফেরাচ্ছিল বিএসএফ। গতকাল বৃহস্পতিবার (১৫ মে) আগরতলার বাংলাদেশ উপ দূতাবাসের তরফে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনকে বিশেষ সতর্কবার্তা পাঠানো হয়। ওই সতর্কবার্তায় বলা হয়, গুজরাত, ত্রিপুরা ও রাজস্থানে আটক ৭৫১ জনের বেশি রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশের নাগরিককে পুশইনের চেষ্টা চালাচ্ছে বিএসএফ। বিজয়নগরের সিঙ্গারবিল সীমান্ত দিয়ে পুশ ইন হবে।

ওই সতর্কবার্তা পাওয়ার পরেই জামায়াত ইসলামী, হেফাজত ইসলাম, হিযবুত তাহরীর, আল্লাহর দলের মতো জঙ্গি সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিজিবি-২৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাব্বার আহাম্মেদ। বিএসএফের পুশ ইন রুখতে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সীমান্তে জড়ো হওয়ার নির্দেশ দেন। এর পরেই মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে সিঙ্গারবিল, বিষ্ণুপুর, নলঘরিয়া, মেরাসানী, নোয়াবাদী সীমান্তে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে জঙ্গি ও স্থানীয়দের জড়ো হওয়ার ঘোষণা করা হয়। রাতেই জঙ্গি ও স্থানীয়রা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বিজিবির জওয়ানদের সঙ্গে সীমান্তে জড়ো হয়। সীমান্তে রাত তিনটে নাগাদ বিপুল পরিমাণ জঙ্গি ও বিজিবিকে জড়ো হতে দেখে খানিকটা হলে ঘাবড়ে যায় বিএসএফ জওয়ানরা। অশান্তি এড়াতে পুশ ইনের সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হঠে। সারা রাত সীমান্তেই অস্ত্র হাতে পাহারা দেয় জঙ্গি ও বিজিবি জওয়ানরা।

শুক্রবার বিজিবির ২৫ ব্যাটেলিয়নের প্রধান লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাব্বার আহাম্মেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিএসএফ পুশ ইন করবে বলে আগাম সতর্ক করে দিয়েছিল আগরতলার বাংলাদেশ উপদূতাবাস। ওই খবর পাওয়ার পরে বিএসএফের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রস্তুতি নেওয়া হয়। মসজিদের মাইকে ঘোষণা করে স্থানীয়দের সীমান্তে জড়ো হয়ে মানবঢাল তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়। রাতে সীমান্তে অস্ত্র হাতে গ্রামবাসীদের দেখে ভয় পেয়ে যায় বিএসএফ। পুশ ইনের চেষ্টা বিফল হয়। আমরা সীমান্তের প্রতিটি এলাকায় টহল জোরদার করেছি। ফের পুশ ইনের চেষ্টা হলে বিএসএফ জওয়ানদের জ্যান্ত ফিরতে দেব না। লাশের পাহাড় বানাব।’

Published by:

Share Link:

More Releted News:

জেল খাটতে কেমন লাগে? কৌতুহল থেকে ১১ বছরের নাবালককে খুন ৬ কিশোরের

বাংলাদেশে জঙ্গলরাজ, তারেক জমানার আড়াই মাসে ৪৬৪টি খুন ও ৬৬৬টি ধর্ষণ

বাংলাদেশে ‘জঙ্গি’ আছে? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন, ‘নেই’, উল্টোসুর তারেকের তথ্য উপদেষ্টার

জঙ্গি হামলার আশঙ্কা , ঢাকা সহ বাংলাদেশের ৮ বিমানবন্দরে কড়া সতর্কতা

বাংলাদেশে একই দিনে সাত জেলায় বজ্রাঘাতে ১৩ জনের মৃত্যু

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা, হিন্দু শিক্ষককে গ্রেফতার

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ