গ্রীষ্মে সুস্থ অন্ত্রের চাবিকাঠি ,ডায়েটে আনুন এই স্বাস্থ্যকর খাবার

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি তীব্র তাপমাত্রা যেমন শরীরকে ক্লান্ত করে তোলে, তেমনই এর প্রভাব পড়ে আমাদের পরিপাকতন্ত্রের উপরও। গরম পড়তেই শরীরে একের পর এক অস্বস্তির সৃষ্টি হয় পেট ফাঁপা, বুকজ্বালা, গ্যাস, অরুচি কিংবা হজমের গোলমাল। বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত গরমে শরীর দ্রুত জলের অভাব  তৈরি হয়। পাশাপাশি খাওয়ার সময় অনিয়মিত হয়ে পড়ে এবং তেল-ঝাল, মশলাযুক্ত খাবার বা প্রসেসড খাবার বেশি খেলেই বাড়ে বিপত্তি। তবে সামান্য খাদ্যাভ্যাস বদলেই মিলতে পারে স্বস্তি। এই সময়ে ভারী, তেল-মশলাদার খাবারের বদলে জলসমৃদ্ধ, ফাইবারযুক্ত ও প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার উপযুক্ত । তাই সুস্থ থাকতে ও গরমকে হারাতে পাতে রাখুন প্রকৃতির এই সহজ ‘সুপারফুড’।

 

সকালের খাবার  সাধারণত হালকা, জলসমৃদ্ধ ও সহজপাচ্য  হলে হজম প্রক্রিয়া অনেকটাই স্বাভাবিক থাকে। পেঁপে, তরমুজের মতো মৌসুমি ফল শরীরে জলের ঘাটতি মেটানোর পাশাপাশি হজমেও সাহায্য করে। বিশেষ করে পেঁপের প্রাকৃতিক এনজাইম খাবার দ্রুত হজমে সাহায্য করে, ফলে পেট ফাঁপার সমস্যা কমে। সঙ্গে কয়েকটি ভেজানো বাদাম শরীরকে দেয় প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও দীর্ঘক্ষণ এনার্জি। দইয়ের সঙ্গে চিঁড়ে, ডালিয়া বা হালকা উপমা  এই ধরনের ব্রেকফাস্ট পেট ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি অন্ত্রের স্বাস্থ্যও ভালো রাখে। কারণ দইয়ে থাকা প্রোবায়োটিক উপাদান অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়া বাড়িয়ে গ্যাস ও অ্যাসিডিটির প্রবণতা কমায়। অনেকেই সকাল ও দুপুরের খাবারের মাঝে দীর্ঘ বিরতি দেন। তাই মাঝেমধ্যে হালকা স্ন্যাকস জরুরি। এই সময়ে ছাছ বা ঘোল হতে পারে সেরা বিকল্প। এগুলি শরীরে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখে এবং পেটকে আরাম দেয়।দুপুরের খাবারে হালকা ও সুষম খাবার হিসেবে ভাত বা রুটির সঙ্গে মুগ ডাল কিংবা মুসুর ডাল শরীরকে দেয় প্রোটিন, আবার সহজে হজমও হয়। লাউ, ঝিঙে, পটল, কুমড়োর মতো জলসমৃদ্ধ সবজি গরমে পেট ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। সঙ্গে শসা-গাজরের স্যালাড, একটু লেবুর রস আর একবাটি টক দই বা রায়তা খাবারকে করে আরও স্বাস্থ্যকর।

 

ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার অন্ত্রে জল ধরে রাখতে সাহায্য করে, ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য কমে এবং পেট পরিষ্কার থাকে। বিকেলে ভাজা মাখানা, ছোলা, ফলের স্মুদি বা হালকা হার্বালটি বেছে নেওয়া যেতে পারে। মৌরি বা পুদিনা চা পেটের অস্বস্তি কমাতে বিশেষ উপকারী। মৌরির প্রাকৃতিক উপাদান হজমে সাহায্য করে, ফোলাভাব কমায় এবং বুকজ্বালার সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।সবজি খিচুড়ি, মুগ ডালের চিলা, হালকা স্যুপ হতে পারে রাতের আদর্শ খাবার। ঘুমোতে যাওয়ার অন্তত দুই থেকে তিন ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খাওয়া উচিত। দেরিতে খেলে অ্যাসিডিটির ঝুঁকি বাড়ে। আর ঘুমের আগে গরম জলে সামান্য মৌরি গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে বা কয়েকটি মৌরি চিবিয়ে নিলে হজম প্রক্রিয়া ভালো হবে ।

মুখ্যমন্ত্রীর আগমনে সাজ সাজ রব কার্শিয়াংয়ে, চূড়ান্ত প্রস্তুতি প্রশাসনের

তৃণমূল নেতার ঘরে সরকারি প্রকল্পের সামগ্রী, বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের

সোম রাতে বিশ্বকাপ অভিযানে নামছে স্পেন, প্রথম একাদশে নেই ইয়ামাল

পদ্মার ভাঙনরোধে কাজ করতে গিয়ে বজ্রাঘাতে মৃত ২ শ্রমিক, আহত আরও ৩

শান্তিপুরে কাটমানি ও তোলাবাজির অভিযোগে সরব শতাধিক দুগ্ধ ব্যবসায়ী

সুইডেনের কাছে হারের জের, বিশ্বকাপের মধ্যেই চাকরি গেল তিউনিসিয়া কোচের!

কালীঘাটে বিধায়ক কুণাল ঘোষকে লক্ষ্য করে ছোড়া হল একাধিক ডিম

হারের পরেই শ্রীলঙ্কার খেলোয়াড়ের দিকে তেড়ে গেলেন বৈভব সূর্যবংশী, ভাইরাল ভিডিও

কর্নাটকের মহীশূরে পানশালায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, দার্জিলিংয়ের যুবক সহ ঝলসে মৃত ২

রুদ্ধশ্বাস লড়াই শেষে সুপার ওভারে শ্রীলঙ্কার কাছে হার বৈভবদের

‘৭ ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন পুরবোর্ড,’ কলকাতাবাসীকে জানালেন শুভেন্দু অধিকারী

বারাকপুর পুরসভার চেয়ারম্যান উত্তম দাস ইস্তফা দিলেন

ভাটপাড়ার ত্রাস কুখ্যাত দুষ্কৃতী ‘পিকে’ গ্রেফতার, হেফাজতে চেয়ে আদালতে পেশ

সরকারি কর্মীদের যোগ দিবসের কর্মসূচিতে যোগদান বাধ্যতামূলক, নির্দেশ নবান্নের