জানেন কেন এই শহরকে ‘ব্লু সিটি’ বলা হয়? জানলে অবাক হবেন আপনিও!

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ মরুভূমির বুকে এমন এক শহর আছে, যেখানে চোখ যত দূর যায়, তত দূর পর্যন্ত যেন নীলের সমুদ্র। বাড়ির পর বাড়ি, গলি, ছাদ, দেওয়াল সবই একই রংয়ে মোড়া। প্রথমবার সেখানে গেলে অনেকেরই মনে প্রশ্ন জাগে, গোটা শহরকে কেন এমন এক রংয়ে সাজানো হয়েছে? এর পিছনে কি শুধুই সৌন্দর্যের টান, নাকি লুকিয়ে রয়েছে বহু শতাব্দী পুরনো ইতিহাস।

থর মরুভূমি ও আরাবল্লী পর্বতমালার মাঝে অবস্থিত রাজস্থানের ঐতিহাসিক শহর যোধপুর। একসময় এটি ছিল প্রাচীন মারওয়াড় রাজ্যের রাজধানী। আজও শহরটির পুরনো অংশের অধিকাংশ বাড়ি নীল রংয়ে রাঙানো। সেই কারণেই যোধপুরের আর এক পরিচয় ‘ব্লু সিটি’ বা নীল শহর। এই নীল রংয়ের পিছনে রয়েছে একাধিক প্রচলিত ব্যাখ্যা। ইতিহাসবিদদের একাংশের মতে, একসময় শহরের বাড়িগুলিতে উইপোকার উপদ্রব ছিল ব্যাপক। কপার সালফেট, চুন ও অন্যান্য উপাদান মিশিয়ে তৈরি বিশেষ নীল রং দেওয়ালে ব্যবহার করলে কাঠামো অনেকটাই সুরক্ষিত থাকত। ফলে ঐতিহাসিক বাড়ি ও স্থাপত্য সংরক্ষণেও এই রং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। আরও একটি বাস্তব কারণ রয়েছে। মরু অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা প্রায়ই ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়। নীল রং সূর্যের তাপ ও আলো কিছুটা প্রতিফলিত করে, ফলে ঘরের ভিতর তুলনামূলক ঠান্ডা থাকে। তাই প্রখর গরমের সঙ্গে লড়াই করতেও এই রংকে কার্যকর বলে মনে করা হয়।

তবে স্থানীয় প্রবীণদের মধ্যে অন্য একটি বিশ্বাসও প্রচলিত। তাঁদের মতে, নীল রংয়ের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ভগবান শিবের স্মৃতি। সমুদ্র মন্থনের সময় বিশ্বকে রক্ষা করতে শিব বিষপান করেছিলেন, যার ফলে তাঁর কণ্ঠ নীল হয়ে যায়। সেই থেকেই অনেক পরিবার শুভ ও পবিত্রতার প্রতীক হিসেবে নিজেদের বাড়ি নীল রংয়ে রাঙাতে শুরু করে। ঠিক কোন কারণটি সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছিল, তা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও একটি বিষয় নিয়ে কোনও দ্বিমত নেই,  যোধপুরের নীল রংয়ে মোড়া অলিগলি আজও পর্যটকদের মুগ্ধ করে। ইতিহাস, সংস্কৃতি ও স্থাপত্যের অনন্য মেলবন্ধনে এই শহর ভারতের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্র হয়ে উঠেছে।

শ্রাবণের সোমের উপবাসে ভুলেও খাবেন না এই ৩ ফল, ক্ষতি হতে পারে স্বাস্থ্যের

ডাকঘরের এই স্কিমে এককালীন বিনিয়োগ করুন, প্রতি মাসে ঘরে বসে পান ৫,৫০০ টাকা

মিলল না রফাসূত্র, চাকরির পরীক্ষার অনিয়মে সিবিআই তদন্ত চেয়ে আন্দোলনে ঝাড়খণ্ডের পড়ুয়ারা

নিম্নচাপের জেরে সোম থেকেই বৃষ্টিতে ভাসবে রাজ্য, বড় দুর্যোগের আশঙ্কা কলকাতায়

‘লোকতন্ত্র সেনানী’-দের মাসিক ১০ হাজার টাকা সাম্মানিক ও সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

একসঙ্গে বদলি করা হল কলকাতা ও বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের সুপারকে, কারণ কী?

তিলোত্তমার সৎকারে অতিসক্রিয়তা, নির্মল ঘোষদের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ শুভেন্দুর

মায়ের মৃত্যুর পর নর্মদায় ডুবে আত্মহত্যার চেষ্টা, কীভাবে রক্ষা পেলেন ‘হিরো নং ১’ গোবিন্দা?

রোগীমৃত্যু ঘিরে হাসপাতালেই তাণ্ডব, মালদহে আক্রান্ত চিকিৎসক-নার্স-স্বাস্থ্যকর্মীরা

আরজি কর কাণ্ডে ফেঁসে যাচ্ছেন মমতা? প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে জেরার ইঙ্গিত স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

ফুকেত থেকে দিল্লিগামী বিমানের পাইলট মাদকাসক্ত ছিলেন! প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট

ট্রাম্পের উপর রাগ! গাজার শান্তিচুক্তি নিয়ে আমেরিকার প্রস্তাব ফেরালেন নেতানিয়াহু

কলকাতা হাইকোর্টের পরবর্তী প্রধান বিচারপতির নাম সুুপারিশ করল সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম

১৪ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ‘দেশ বিভাজন দিবস’ পালনের নির্দেশ রাজ্যপালের