এই মুহূর্তে

এসআইআর নিয়ে দ্রুত শুনানি চেয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ সুপ্রিম কোর্টে, কী বলল সর্বোচ্চ আদালত?‌

নিজস্ব প্রতিনিধি: একদিন আগেই এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশন–সহ সবপক্ষকে নোটিস দিয়েছে সুপ্রমি কোর্ট। এবার বাংলায় ভোটার তালিকায় এসআইআর নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হল। আজ, মঙ্গলবার এক আইনজীবী এই বিষয়ে দ্রুত শুনানি চেয়ে সর্বোচ্চ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। আজই দুপুরে বিহারে হওয়া এসআইআর মামলার শুনানি রয়েছে। তখনই এই মামলা শোনার আর্জি জানানো হয়েছে। কারণ নির্বাচন কমিশন একটি স্বশাসিত সংস্থা। সেখানে তারা হোয়াটসঅ্যাপে কাজ করছে বলে অভিযোগ। আর বাংলায় এসআইআর পর্বে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে। তার সঙ্গে চলছে হয়রানি বলে অভিযোগ। এই আবহে এসআইআর নিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।

এদিকে দ্রুত শুনানির আবেদন মঞ্জুর করা হয়নি সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান, আগামী সোমবার পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর মামলার শুনানি আছে। আর ওই দিনই এই মামলার শুনানি হবে। সুপ্রিম কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ওই আইনজীবী জানান, এসআইআরকে কেন্দ্র করে রাজ্যে ৬টি ঘটনা ঘটেছে। তবে কোন ঘটনার কথা ওই আইনজীবী উল্লেখ করতে চেয়েছেন সেটা স্পষ্ট নয়। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর নিয়ে মামলার শুনানি ছিল। তৃণমূলের রাজ্যসভার দুই সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন এবং দোলা সেন মামলা দায়ের করেন। যা নিয়ে শীর্ষ আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী কপিল সিবাল। সুপ্রিম কোর্টে সিবাল দাবি করেন, নির্বাচন কমিশন যাবতীয় নির্দেশ হোয়াট্‌সঅ্যাপের মাধ্যমে দিচ্ছে। তাতেই অসঙ্গতি তৈরি হচ্ছে।

অন্যদিকে সোমবারের শুনানিতে নির্বাচন কমিশন জবাব দিতে দু’সপ্তাহ সময় চাইলে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ এক সপ্তাহ সময় দেয়। আর আগামী ১৯ জানুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাঁচটি চিঠি দেন নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে। যদিও তার উত্তর মেলেনি। এর পর মামলা দায়ের হয় সুপ্রিম কোর্টে। কারণ এসআইআর পর্বে মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন। বিএলও থেকে সাধারণ মানুষ আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছেন। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। বিশিষ্টজনেরাও বাদ পড়ছেন না।

এছাড়া একাধিক জনসভা থেকে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে সুর সপ্তমে তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী যতবার চিঠি পাঠিয়েছেন বাংলার মানুষের স্বার্থে ততবার পাল্টা চিঠি পাঠিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি অবশ্য সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। এই নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। সোমবার সর্বশেষ চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, ভোটারদের অনেকে কাগজ জমা দিয়েছেন। তার পরেও তাঁদের নাম কাটা হচ্ছে। কোনও রসিদ বা কাগজ মিলছে না।

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

‘‌আমি ধর্ষক নই’‌, মহাকুম্ভ খ্যাত হর্ষা আধ্যাত্মিকতা থেকে দূরে সরে যাওয়ার ঘোষণা করলেন, কেন?

‘‌মোদি–শাহের সরকার ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চেয়েছে’‌, ‘মৃত’ ১০ জনকে মঞ্চে এনে তোপ অভিষেকের

কলকাতার এন্টালি থেকে গোটা দেশে পাচার ও মাদক তৈরির কিং পিন গ্রেফতার

‘‌কোচবিহার থেকে বিজেপিকে উপড়ে ফেলা সময়ের অপেক্ষা’‌, চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন অভিষেক

প্রতিটি কুকুরের কামড়ের জন্য মোটা অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে রাজ্যগুলিকে: সুপ্রিম কোর্ট

এবার SIR শুনানিতে ডাক পড়ল টুটু বসু সহ পরিবারের সদস্যদের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ