চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

একডজন লিভ–ইন সম্পর্কে থাকা প্রাপ্তবয়স্কদের সুরক্ষা দিতে নির্দেশ এলাহাবাদ হাইকোর্টের

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে লিভ–ইন সম্পর্কে থাকলে পুলিশ কি নিরাপত্তা দেবে?‌ এই প্রশ্ন এখন উঠতে শুরু করেছে দেশজুড়ে। কারণ এলাহাবাদ হাইকোর্ট একটি নির্দেশ দিয়েছে। আর তারপরই এই নিয়ে জোর চর্চা হতে শুরু করেছে। আসলে ১২টি লিভ–ইন দম্পতিকে নিরাপত্তা দিতে বলেছে এলাহাবাদ হাইকোর্ট। এই একডজন লিভ ইন সম্পর্কে থাকা যুবক–যুবতী নাকি পরিবারের থেকে হুমকি পাচ্ছেন বলে অভিযোগ। তার জেরেই এমন নির্দেশ দিয়েছে এলাহাবাদ হাইকোর্ট বলে জানা গিয়েছে।

এদিকে পরিবার এমন ধরণের জীবনযাপন মেনে নেয়নি বলে অভিযোগ। বিয়ে করে সুস্থ জীবনযাপন করুক এই যুবক–যুবতীরা বলে দাবি পরিবারের। কিন্তু পরিবারের অমতে লিভ–ইন সম্পর্ক চালিয়ে যাওয়ার জেরেই হুমকি পাচ্ছেন তাঁরা বলে অভিযোগ। এই নিয়ে মামলা গড়ালে এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি বিবেক কুমার সিং নির্দেশ দেন, লিভ–ইন সম্পর্কে জড়িত প্রাপ্তবয়স্করা রাষ্ট্রের কাছ থেকে জীবনের সুরক্ষা এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতা পাওয়ার অধিকারী। আর বিচারপতির এমন পর্যবেক্ষণে খুশি লিভ–ইন সম্পর্কে থাকা দাপতিরা।

অন্যদিকে এলাহাবাদ হাইকোর্ট উল্লেখ করেছে যে, এখন প্রচুর সংখ্যক একই ধরণের মামলা দায়ের করা হচ্ছে। আর তাতে লিভ–ইন সম্পর্কে থাকা দম্পতিরা জানিয়েছেন যে, তাঁরা জেলা পুলিশের কাছে গিয়েছিলেন কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। যার জেরে তাঁরা আদালতে যেতে বাধ্য হয়েছেন। এই মামলা দায়ের হতেই প্রশ্ন তোলা হয়, তাহলে কী সামাজিক বিয়ের অনুপস্থিতি সাংবিধানিক সুরক্ষাকে প্রভাবিত করে কিনা?‌ জবাবে এলাহাবাদ হাইকোর্ট জানিয়েছে, ‘‌মানব জীবনের অধিকারকে অনেক উচ্চতর স্তর থেকে বিবেচনা করা উচিত। একজন নাগরিক নাবালক বা প্রাপ্তবয়স্ক, বিবাহিত বা অবিবাহিত নির্বিশেষে। আবেদনকারীরা কেউ বিয়ে করেননি, শুধু এই সত্য যে, ভারতের নাগরিক হিসেবে ভারতের সংবিধানে বর্ণিত মৌলিক অধিকার থেকে তাদের বঞ্চিত করা যাবে না।’‌

তাছাড়া এলাহাবাদ হাইকোর্ট স্পষ্ট করেছে, সংবিধান কি লিভ–ইন সম্পর্কে প্রবেশকারী প্রাপ্তবয়স্কদের সুরক্ষা দেয়? এই প্রশ্নটিই আসল। এটা নয় যে, সমাজ কি এই ধরনের সম্পর্ক গ্রহণ করে কিনা!‌ মনে রাখতে হবে, সামাজিক এবং ব্যক্তিগত দৃষ্টিকোণ থেকে নৈতিকতা ভিন্ন হতে পারে, তবে বৈধতা এই পার্থক্যগুলির দ্বারা প্রভাবিত হয় না। এই বিষয়ে এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতির মন্তব্য, ‘‌একজন ব্যক্তি, যিনি একজন প্রাপ্তবয়স্ক, একবার তাঁর সঙ্গী বেছে নিলে, অন্য কোনও ব্যক্তির, সে পরিবারের সদস্যই হোক না কেন, তাঁদের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে আপত্তি জানানো এবং বাধা সৃষ্টি করা উচিত নয়। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী, প্রত্যেকটি নাগরিকের জীবন ও স্বাধীনতা রক্ষা করা রাষ্ট্রের নৈতিক কর্তব্য।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

ক্ষমতায় এলেই পরিবার পিছু বছরে ৬ রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার বিনামূল্যে, বিরাট প্রতিশ্রুতি বিজয়ের

দিল্লির বিমানবন্দরে দুই বিমানের মুখোমুখি সংঘর্ষ, খসে পড়ল ডানা, অল্পের জন্যে রক্ষা

‘আমার থেকে খুশি আর কেউ নয়’,সুপ্রিম কোর্টের রায়কে কুর্নিশ মমতার

র‍্যাম্প থেকে যুদ্ধক্ষেত্র! ‘মিস ইন্ডিয়া’ কাশিশ এখন ভারতীয় সেনার লেফটেন্যান্ট

ইনস্টাগ্রামে হেলিকপ্টার রাইডের লোভনীয় টোপে ৫৪ হাজার টাকা খোয়ালেন মহিলা

ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের, নিষ্পত্তি হওয়া নাম তুলতে হবে ভোটার তালিকায়

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ