আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

ভারত-পাক উত্তেজনা তুঙ্গে, পাকিস্তানে যাওয়ার নির্দেশ পেতেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ অ্যাকসেঞ্চার কর্মী

নিজস্ব প্রতিনিধি, বেঙ্গালুরু: পহেলগাঁও সন্ত্রাসী হামলার পর কূটনৈতিক নিষেধাজ্ঞার অংশ হিসেবে বেঙ্গালুরু থেকে অ্যাকসেঞ্চারের একজন কর্মচারী এবং তার পরিবারকে বহিষ্কারের আদেশ স্থগিত করল সুপ্রিম কোর্ট।

আহমেদ তারিক ভাট নামে ওই ব্যক্তি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন, তাঁর বক্তব্য ছিল আহমেদ সহ ছয় সদস্যের পরিবারের সবার ভারতীয় পাসপোর্ট এবং আধার কার্ড রয়েছে। তা সত্ত্বেও তাঁকে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শীর্ষ আদালত ব্যক্তি ও তাঁর পরিবারের নথিপত্র যাচাইয়ের নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি বলেছে যাচাই না হওয়া পর্যন্ত ভাটের বিরুদ্ধে কোনও জোরপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না।

আহমেদ তারিক ভাটের মামলা এরপর থেকে হাইকোর্টেই শোনা হবে। যদিও সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতার প্রতিনিধিত্বকারী সরকার সুপ্রিম কোর্টের এই আদেশের বিরোধিতা করেছিল। কিন্তু শীর্ষ আদালত বিষয়টিকে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখার প্রামর্শ দিয়েছে।

সেই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট আরও স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে এই মামলায় শীর্ষ আদালতের আদেশ অন্যদের ক্ষেত্রে নজির হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। ভিসা বাতিলের পর ভারতীয় নাগরিকদের (যাদের মধ্যে অনেকেই মুসলিম) দেশ ছেড়ে চলে যেতে বলা হয়েছে। এই বিষয়ে রিপোর্টের সংখ্যা বিবেচনা করে এটি যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতি প্রদান তা অস্বীকার করা যায় না। ।

শুক্রবার সকালে শুনানির সময় বিচারপতি সূর্যকান্ত’র বেঞ্চ জানতে চায় আহমেদ তারিক ভাট কীভাবে ভারতে এসেছিলেন। উত্তরে জানা গিয়েছে পাকিস্তানের মিরপুরে জন্ম আহমেদের। তিনি ১৯৯৭ সালে বাবার সঙ্গে ভারতে আসেন। তখন তাঁদের কাছে পাকিস্তানি পাসপোর্ট ছিল।

শ্রীনগরে পৌঁছানোর পর জম্মু ও কাশ্মীর হাইকোর্টে পাক পাসপোর্ট জমা দিয়ে পরে ভারতীয় পাসপোর্টের জন্য আবেদন জানান। পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা তিন বছর পরে, অর্থাৎ ২০০০ সালে শ্রীনগরে আসেন। এখন তাঁদের প্রত্যেকের ভারতীয় নাগরিকত্ব এবং পাসপোর্ট রয়েছে।

আধার কার্ড সহ অন্যান্য সকল নথিপত্র থাকা সত্ত্বেও তাঁর এবং পরিবারের সদস্যদের কাছে এক সপ্তাহ আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক থেকে নির্দেশ দেশ ছেড়ে যাওয়ার। পাঠানো হয় নোটিশ। আহমেদের দাবি নোটিশে বলা হয়েছে ভুয়ো ভিসা নিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছেন তাঁরা, এ সম্পূর্ণ মিথ্যে।

পহেলগাঁও হামলার পর সরকার দীর্ঘমেয়াদী এবং পাকিস্তান থেকে আগত হিন্দুদের দেওয়া ভিসা বাদ দিয়ে সমস্ত পাক নাগরিকদের ভিসা বাতিল করেছে। সরকার ২০১৯ সালের পুলওয়ামা হামলার পর ভারতে সবচেয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা বলেছে পহেলগাঁওকে। গত ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ের বৈসরণে পাঁচ সন্ত্রাসী হত্যা করেছে ২৫ জন পর্যটক ও এক কাশ্মীরী। এই হামলার দায় স্বীকার করেছে পাক মদতপুষ্ট লস্কর ই তৈবার ছায়া সংগঠন দ্য রেসিস্ট্যান্স ফ্রন্ট।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘জিনা মুশকিল কর দিয়া’, আত্মঘাতী হওয়ার আগে ফোনে বাবাকে বলেছিলেন বিচারক

বাড়ির শৌচালয় থেকে বিচারকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, ভয়ঙ্কর ঘটনা দিল্লিতে

ছত্তিশগড়ের কাঙ্কেরে মাইন নিস্ক্রিয় করতে গিয়ে বিস্ফোরণে ছিন্নভিন্ন চার নিরাপত্তারক্ষী

পর্যটকদের নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত লক্ষদ্বীপ প্রশাসনের, ঢুকতে প্রয়োজন হবে না পুলিশি ছাড়পত্রের

দামি গাড়ি, মুম্বইতে 3BHK-5BHK ফ্ল্যাট, মডেলদের এই বিলাসিতার আসল রহস্য জানেন?

ই–ফার্মেসির প্রতিবাদে ভারত বনধের ডাক, ১২ লক্ষাধিক ওষুধের দোকান বন্ধের সম্ভাবনা

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ