এই মুহূর্তে

দ্রৌপদীকে নিয়ে ‘‌মহাযুদ্ধে’‌ মোদির হয়ে আসরে নামলেন ‘বিজেপি বান্ধব’ মায়াবতী

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলায় এখন বিধানসভা নির্বাচনের মরশুম। তার মধ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করে বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন বলে অভিযোগ। আর তাই এই ইস্যুতে ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে ধর্নায় বসেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বাংলায় এলেও তাঁকে স্বাগত জানাতে যেতে পারেননি মুখ্যমন্ত্রী। এই ইস্যুতে বিজেপি রে রে করে নেমে পড়েছে রাষ্ট্রপতির অপমান হয়েছে ধোঁয়া তুলে। আর তাতেই পোঁ ধরে‌ বিজেপিকে ইন্ধন দিতে মুখ খুললেন বহুজন সমাজ পার্টির (বিএসপি) নেত্রী তথা উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মায়াবতী। আজ, রবিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে তিনি একদিকে যেমন রাষ্ট্রপতির পদ নিয়ে রাজনীতি না করার বার্তা দিয়েছেন আবার অপরদিকে পশ্চিমবঙ্গের ঘটনাকে ‘অত্যন্ত দুঃখজনক’ বলে অভিহিত করেছেন।

এদিকে মায়াবতীর রাজনৈতিক কেরিয়ার এখন সেভাবে জাতীয় রাজনীতিতে নেই। তাই বিজেপিকে ধরে প্রাসঙ্গিক হওয়ার কৌশল নিলেন মায়াবতী বলে মনে করছেন অনেকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় মায়াবতী লিখেছেন, ‘‌ভারতের সংবিধানের আদর্শ এবং নৈতিকতা মেনে প্রত্যেকের রাষ্ট্রপতির পদকে সম্মান জানানো উচিত এবং প্রোটোকল মেনে চলা উচিত। এই পদের রাজনীতিকরণ করা উচিত নয়। এখন দেশের প্রেসিডেন্ট শুধু একজন মহিলাই নন, তিনি আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে তাঁর সফর নিয়ে যা হয়েছে, সেটা না হওয়াই ভাল ছিল। এটা খুবই দুঃখজনক।’‌

অন্যদিকে এতদিন কোনও ইস্যুতেই মায়াবতীর দরদ উথলে ওঠেনি। হঠাৎ গোটা বিষয়টি খোঁজ না নিয়ে মন্তব্য করে দিলেন মায়াবতী। রাষ্ট্রপতির যে অনুষ্ঠান ছিল তাতে রাজ্য সরকার যুক্ত ছিল না। এমনকী এমন একটা অনুষ্ঠান আছে সেটা বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে জানানোও হয়নি। এমনই দাবি করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে রাষ্ট্রপতি পদের কথার পাশাপাশি লোকসভার স্পিকারের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন মায়াবতী। বিএসপি নেত্রী তাই লিখেছেন, ‘‌গত কয়েক মাস ধরে সংসদের স্পিকার পদের রাজনীতিকরণ করা হচ্ছে। এটাও ঠিক নয়। যদি সবাই দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে পারেন, তা হলে সম্মান এবং শ্রদ্ধা পাবেন।’‌

এছাড়া বাংলার আদিবাসী ও দলিতদের জন্য যে উন্নয়ন করা হয়েছে সেটা নিয়ে তৈরি নথিও এবার রাষ্ট্রপতির কাছে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। মায়াবতী রাজনীতিতে দলিক্ত নেত্রী হিসাবেই পরিচিত। তাই তাঁর হঠাৎ এমন আদিবাসী সম্প্রদায়ের রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। এখন শাসক বা বিরোধী কোনও জোটেরই শরিক নন মায়াবতী। তবে যেভাবে মায়াবতী সাংবিধানিক পদের রাজনীতিকরণ নিয়ে সরব হলেন সেটাকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই দেখা হচ্ছে।

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

মমতার ধর্না মঞ্চের সামনে বিজেপির লিফলেট বিলি ঘিরে অশান্তি

জেইই অ্যাডভান্সড পরীক্ষা ১৭ মে, রেজিস্ট্রেশন শুরু হবে ৬ এপ্রিল

শিষ্টাচারের শিক্ষাটুকু নেই! জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তৃণমূল প্রতিনিধিদের

সাপের কামড় খেয়ে সাপ নিয়েই সোজা হাসপাতালে হাজির যুবক, হুলস্থুল কাণ্ড জরুরি বিভাগে

বোর্ড পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের ChatGPT দিয়ে নকল করতে সাহায্য, চাকরি খোয়ালেন শিক্ষকরা

নির্বাচন কমিশনের কাছে ১৬ দফা আবদার বঙ্গ বিজেপির, দাবি শুনে নেট দুনিয়ায় হাসির রোল

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ