চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

বিধানসভা ভোটের পরেই বাংলা-বিহারের একাংশ নিয়ে নয়া কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল!

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ফের বঙ্গ ভঙ্গের পথে মোদি সরকার! সূত্রের খবর, বিধানসভা ভোটের পরেই বাংলা ও বিহারের একাংশ ভেঙে নতুন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গড়ার বড়সড় ছক কষেছে অমিত শাহের অধীনস্থ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। মূলত পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, মালদা, উত্তর দিনাজপুর, শিলিগুড়ি, দার্জিলিং এবং বিহারের পূর্ণিয়া, আরারিয়া, কাটিহার নিয়ে ওই নয়া কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গঠন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠা চিকেন নেকের সুরক্ষা এবং বাংলাদেশ-চিনের সম্ভাব্য আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্যই নয়া কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গড়ার বিষয়ে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যেমনটি করা হয়েছে জম্মু-কাশ্মীরের লাদাখের ক্ষেত্রে। আলাদা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গড়ার লক্ষ্য নিয়েই বিহার ও বাংলার রাজ্যপাল পদে বসানো হয়েছে প্রাক্তন সেনা আধিকারিক লেফটেন্যান্ট জেনারেল সৈয়দ আতা হাসনাইন ও প্রাক্তন গোয়েন্দা কর্তা আরএন রবিকে।

বরাবরই বড় রাজ্যগুলিকে ভেঙে ছোট রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গড়ে তোলার দিকে নজর বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের। উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশের মতো বড় রাজ্যকে ভাঙা হয়েছে। এবার নজর পড়েছে বিহার ও বাংলার দিকে। নীতীশ কুমারকে মুখ্যমন্ত্রীর পদে রেখে যে বিহার ভাঙা সম্ভব নয়, তা বুঝতে পেরে সুকৌশলে পথের কাঁটা জেডিইউ সুপ্রিমোকে সরিয়ে  দেওয়া হয়েছে। আর ওই কাজে বিশেষ ভূমিকা নিয়েছিলেন বিহারের সদ্য প্রাক্তন হওয়া রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খান। বিজেপির কাউকে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসিয়ে বিহারের বেশ কয়েকটি জেলাকে ভেঙে নয়া কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করতে খুব বেশি বেগ পেতে হবে না অমিত শাহকে।

বিহারের পাশাপাশি যেহেতু বাংলাকেও ভাগের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, সেই কারণে আসন্ন বিধানসভা ভোটে রাজ্য দখলের বিষয়ে কোমর কষে ঝাঁপিয়েছে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী থাকলে যে রাজ্য ভাগ সহজ হবে না, তা বুঝতে পেরেছেন অমিত শাহেরা। নিজেদের সরকার থাকলে কোনও ঝামেলাই পোহাতে হবে না। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, ‘বিহার ও পশ্চিমবঙ্গের মুসলিম অধ্যুষিত জেলাগুলো ক্রমশই কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে মুসলিম জঙ্গি সংগঠনগুলো আন্ত:রাজ্য ও আন্তঃদেশীয় সীমানা হওয়ার সুবিধা নিয়ে নতুন করে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের সদ্য সমাপ্ত জাতীয় নির্বাচনে মুর্শিদাবাদ থেকে শিলিগুড়ি সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা জিতে সাংসদ হয়েছেন। যাদের অনেকেই পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের এজেন্ট এবং পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠন জয়েশ-ই মহম্মদের ঘনিষ্ঠ। ফলে ভারতের চিকেন নেককে অস্থির করার চেষ্টা চালানো হবে। এ ক্ষেত্রে চিনও মদত জোগাতে পারে। যেহেতু নতুন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল দেশের জাতীয় স্বার্থের কথা ভেবে গঠন করা হচ্ছে, তাই আগেভাগেই বিহার ও বাংলার রাজ্যপাল পদে বসানো হয়েছে এক প্রাক্তন সেনা কর্তা ও প্রাক্তন গোয়েন্দা কর্তাকে।’

Published by:

Share Link:

More Releted News:

ক্ষমতায় এলেই পরিবার পিছু বছরে ৬ রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার বিনামূল্যে, বিরাট প্রতিশ্রুতি বিজয়ের

দিল্লির বিমানবন্দরে দুই বিমানের মুখোমুখি সংঘর্ষ, খসে পড়ল ডানা, অল্পের জন্যে রক্ষা

‘আমার থেকে খুশি আর কেউ নয়’,সুপ্রিম কোর্টের রায়কে কুর্নিশ মমতার

র‍্যাম্প থেকে যুদ্ধক্ষেত্র! ‘মিস ইন্ডিয়া’ কাশিশ এখন ভারতীয় সেনার লেফটেন্যান্ট

ইনস্টাগ্রামে হেলিকপ্টার রাইডের লোভনীয় টোপে ৫৪ হাজার টাকা খোয়ালেন মহিলা

ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের, নিষ্পত্তি হওয়া নাম তুলতে হবে ভোটার তালিকায়

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ