কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দুই ভাগ্নের মধ্যে গুলির লড়াই, ঘটনাস্থলেই একজনের মর্মান্তিক মৃত্যু

সাঙ্ঘাতিক ঘটনা! বিহারের ভাগলপুরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিত্যানন্দ রাইয়ের দুই ভাগ্নের মধ্যে হিংসাত্মক গুলির লড়াইয়ে প্রাণ হারালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এক ভাগ্নে।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ সাঙ্ঘাতিক ঘটনা! বিহারের ভাগলপুরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিত্যানন্দ রাইয়ের দুই ভাগ্নের মধ্যে হিংসাত্মক গুলির লড়াইয়ে প্রাণ হারালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এক ভাগ্নে। এবং অন্য ভাগ্নে ও তাঁর মা গুরুতর আহত হয়েছেন। প্রাথমিক সূত্রের খবর, পারস্পরিক বিরোধের জেরে উভয় পক্ষের মধ্যে চলে সাঙ্ঘাতিক গুলির লড়াই। একে অপরকে এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে। তাতেই নিহত হয়েছেন নিত্যানন্দ রাইয়ের এক ভাগ্নে এবং অন্য ভাগ্নে ও তাঁর মাকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। মৃত বিশ্বজিৎ এবং জয়জিৎ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাইয়ের ভাগ্নে। তাঁদের মা হিনা দেবীর হাতে গুলি লেগেছে।

জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে বিহারের জগৎপুর গ্রামে মন্ত্রীর শ্যালক রঘুনন্দনের বাড়িতে ঘটনাটি ঘটেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, একজন গৃহকর্মীর জলের গ্লাসে হাত ডুবিয়ে জল পরিবেশন করা নিয়ে নিত্যানন্দের দুই ভাগ্নে জয়জিৎ এবং বিশ্বজিৎ যাদবের মধ্যে ব্যাপক তর্কাতর্কি শুরু হয়। এরপরেই দুজনে পিস্তল বের করে এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়তে শুরু করে। যাতে পরিস্থিতি রীতিমতো উত্তাল হয়ে ওঠে। উভয় পক্ষের মধ্যে শুরু হয় সহিংস গুলির লড়াই। পুলিশ সূত্রের খবর, ঝগড়ার সময়ে বিশ্বজিৎ একটি পিস্তল বের করে জয়জিৎকে গুলি করে। যার ফলে জয়জিতের চোয়াল ফেটে রক্ত বেরোতে শুরু হয়। এরপর প্রতিশোধ নিতে গিয়ে আহত অবস্থায় জয়জিৎ বিকাল নামে এক ব্যক্তির কাছে থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পাল্টা গুলি চালায় বিশ্বজিৎ-কে। এতে বিকাল ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এবং বিশ্বজিৎ গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।

তথ্য অনুযায়ী, মৃত বিশ্বজিৎ যাদব এবং জয়জিৎ যাদব দুজনেই নবগাছিয়ার জগৎপুর গ্রামে একই বাড়িতে একসঙ্গে থাকতেন। বিশ্বজিৎ ছিলেন বড় আর জয়জিৎ ছিলেন ছোট। তারা দুজনেই কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। গুলি লাগার পর হাসপাতালে নেওয়ার পথে বিশ্বজিৎ মারা যান, এবং জয়জিৎ গুরুতর আহত হন। হিনা দেবী এবং জয়জিত বিজেপি এমএলসি ডাঃ এনকে যাদবের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পুলিশ বিশ্বজিতের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছছেন ভাগলপুরের পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট প্রেরণা কুমারী। তাঁর নেতৃত্বে মামলাটি তদন্ত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে জগৎপুর গ্রামের বাসিন্দা প্রদীপ কুমার জানিয়েছেন, ‘ঘটনার সময় আমরা বাইরে ছিলাম। অন্যদের কাছ থেকে ঘটনাটি সম্পর্কে তথ্য পেয়েছি।’ এসপি প্রেরণা কুমারী জানিয়ে ছেন, ‘আমরা সকালে তথ্য পেয়েই তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছি। আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। খবর পেয়ে এসডিপিও ঘটনাস্থলে পৌঁছান। আহত একজনের মৃত্যু হয়েছে, বাকি দুজন চিকিৎসাধীন। যখন দুই ভাইয়ের মধ্যে লড়াই চলছিল, তখন তার মা হস্তক্ষেপ করাতে তাঁর হাতে গুলি লাগে। ঘটনাস্থল থেকে একটি খোসা এবং একটি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে।’ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বাড়িতে এমন সহিংস ঘটনায় রাজনৈতিক ও জনসাধারণের দৃষ্টি আকর্ষণ হয়েছে। এখন পুরো এলাকায় কড়া নিরাপত্তা জারি করা হয়েছে।

বাড়িতে শ্মশান সামগ্রী রেখে বিজেপি নেত্রীকে খুনের হুমকি, উত্তপ্ত টাকি

বাংলার নতুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী হলেন শারদ্বত মুখোপাধ্যায়, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

নিউ টাউনের রামমন্দিরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

চলচ্চিত্র জগতে শোকের ছায়া, প্রয়াত কিংবদন্তি পরিচালক ভারতীরাজা

তৃণমূল থেকে সুবিধা পাওয়ার দিন শেষ, ইস্তফা দিলেন সন্তোষ কন্যা সুস্মিতা

কোহলির পর আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওডিআই সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন হার্দিক

বিশ্বের প্রায় ৫০০-৬৫০ জন মহিলার শয্যাসঙ্গী হয়েছেন, চেনেন বেপরোয়া সেই ক্রিকেটারকে?

তোলাবাজি-সহ একাধিক অভিযোগে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা সজল দাস

আলিপুরে সরকারি অফিসে বিধ্বংসী আগুন

আফগানিস্তানে নৃশংস হামলা পাক সেনার, নিহত ১১ নিরীহ শিশুসহ ১৩

নেহেরুকে ছাপিয়ে এক অনন্য রেকর্ড গড়লেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

কলকাতা বিমানবন্দরে নামলেই গ্রেফতার অভিষেক! সিআইডির তৎপরতায় জল্পনা তুঙ্গে

পৃথিবীর প্রাচীনতম ফল কোনটি জানেন? শরীরের জন্যও বিশেষ উপকারী

২০ হাজার টাকার কমে নতুন স্মার্টফোন! জুলাইতেই আসছে OnePlus Nord CE 6