এই মুহূর্তে




বিস্ফোরণের কয়েক ঘন্টা আগে টাকা তুলেছিল উমর, গার্ডকে দিয়েছিল ঘুষ, সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে

নিজস্ব প্রতিনিধি: ফরিদাবাদের আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ডঃ উমর নবীর গতিবিধির সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছে। তাতে দেখা গিয়েছে, ১০ নভেম্বর বিস্ফোরণের প্রায় ১৮ ঘন্টা আগে, উমর নূহের একটি এটিএমের বাইরে গাড়ি নিয়ে আসে। তারপর এটিএম থেকে টাকা তোলার চেষ্টা করে। বিস্ফোরণে ব্যবহৃত I 20 গাড়িটি নিয়েই এসেছিল সে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এটিএমে কোনও টাকা না পেয়ে উমর গার্ডকে নগদ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রলুব্ধ করে। তারপর গার্ডকে নিয়ে অন্য একটি এটিএমে যায়। তারপর টাকা তুলে তাকে আবার এসে আগের এটিএমের কাছে নামিয়ে দেয়। প্রায় ১০ মিনিট পরে, উমরের গাড়িটি দিল্লি-মুম্বাই-বদোদরা এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে দিল্লির দিকে যেতে দেখা যায়। সেই সন্ধ্যায় ৬:৫২ মিনিটে দিল্লির লাল কেল্লার কাছে I 20’টি বিস্ফারিত হয়। এতে ১৩ জন নিহত হয়।

১০ নভেম্বর রাত ১:০২ মিনিটে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, উমর নুহ জেলার ফিরোজপুর ঝিরকার বিওয়া রোডে অবস্থিত এইচডিএফসি ব্যাংকের এটিএমের কাছে একটি I 20 গাড়ি নিয়ে আসছে। গাড়ি থেকে নেমে সে কালো মাস্কে মুখ ঢেকে প্রথমের এটিএম কিয়স্কে যায়। প্রায় তিন মিনিট ধরে সেখান থেকে টাকা তোলার চেষ্টা করে। কিন্তু এটিএম-এ টাকা ছিল না। এরপর গার্ডকে ৫,০০০ টাকার লোভ দেখিয়ে গাড়িতে তোলে।

সূত্র বলছে, এটিএম থেকে টাকা পাওয়া না যাওয়ায় উমর বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা নিরাপত্তারক্ষী মোহর সিংয়ের কাছে যায়। উমর তাকে বলে যে তার ৫০,০০০ টাকা খুব প্রয়োজন। গার্ড তাকে জানান যে এটিএম খালি। এরপর উমর তাকে প্রলোভন দেখিয়ে বলেন, অন্য কোনও এটিএম থেকে টাকা তুলতে সাহায্য করতে পারলে সে ৫,০০০ টাকা দেবে
রাত ১:০৫ মিনিটে, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, নিরাপত্তারক্ষী উমরের সঙ্গে গাড়িতে উঠেছিলেন। এরপর সে নুহের চারপাশে গার্ডটিকে ঘুরিয়ে নিয়ে যায়। একাধিক এটিএম পরীক্ষা করে দেখে। অবশেষে, নগদ থাকা একটি এটিএম খুঁজে পায়। উমর টাকা তুলে রাত ১:২৫ মিনিট নাগাদর একই এইচডিএফসি ব্যাংকের এটিএমের কাছে ফিরে আসে এবং গার্ডকে নামিয়ে দেয়।

রাত ১:৩৩ মিনিটে দিল্লির দিকে গাড়িটি যেতে দেখা যায়। আরেকটি সিসিটিভি ক্লিপিংয়ে দেখা যাচ্ছে রাত ১:৩৩ মিনিটে দিল্লি-মুম্বাই-ভদোদরা এক্সপ্রেসওয়ের টোল প্লাজায় একই আই২০ গাড়ি দিল্লির দিকে যাচ্ছিল। সূত্রের ধারণা, নুহে টাকা তোলার পর, উমর সরাসরি দিল্লিতে গাড়ি চালিয়ে যায়, তারপর সেখানে মারাত্মক বিস্ফোরণ ঘটায়।

পুলিশ তদন্তে জানা গিয়েছে উমর নুহের দিল্লি-আলওয়ার রোডের হিদায়াত কলোনিতে ১০ দিনের জন্য একটি ঘর ভাড়া নিয়েছিল। ১০ নভেম্বর বিস্ফোরক বহনকারী I 20 গাড়িতে করে এই ঘর ছেড়ে চলে যায়। ভাড়া করা বাড়িটি আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিশিয়ান শোয়েবের শ্যালিকার। শোয়েব ইতিমধ্যেই পুলিশ হেফাজতে আছে। মূলত গোলপুরী গ্রামের বাসিন্দা তার শ্যালিকা বর্তমানে পলাতক। ১৫ নভেম্বর পুলিশ তার বাড়িতে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। জারি রয়েছে তল্লাশি।

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ মেসির, মাঠে হাজির রাহুল গান্ধিও

আড়াই লাখ টাকার পোষা ম্যাকাওকে বাঁচানোর চেষ্টা, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু ব্যবসায়ীর, কী করল পাখি?‌

বামেদের হটিয়ে তিরুঅনন্তপুরম পুরনিগম দখল করল বিজেপি, খুশিতে ডগমগ ‘মোদিভক্ত’ শশী থারুর

যুবভারতী থেকে শিক্ষা, মেসির জন্য বিশেষ নিরাপত্তা মুম্বই পুলিশের

এনডিএ সাংসদদের বিশেষ নৈশভোজ মোদির, বিলাসবহুল খানাপিনার মেনুতে কী ছিল?‌

হায়াতের ৭০৩ নম্বর রুমে ছিলেন মেসি, প্রতি রাতের ভাড়া কত?

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ