আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

মন্দির থেকে ১.৬ কোটি টাকার গহনা চুরি, গ্রেফতার পুরোহিতসহ ৫, প্রধানমন্ত্রী মোদির রাজ্যে চাঞ্চল্যকর ঘটনা

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাজ্যে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। গুজরাতের পালাদি এলাকার শ্রী লক্ষ্মী বর্ধ জৈন সংঘ-জৈন দেরাসর মন্দির থেকে ১১৭ কেজি ৩৩৬ গ্রাম রূপার গয়না চুরির ঘটনায় গ্রেফতার পুরোহিত সহ ৫ জন। আহমেদাবাদ ক্রাইম ব্রাঞ্চ চুরির অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, চুরি যাওয়া রূপার গহনার মূল্য প্রায় ১.৬৪ কোটি টাকা। এই গহনা মন্দিরের দেবতাদের সাজসজ্জার জন্য তৈরি করা হয়েছিল।

মন্দিরের বেসমেন্টে রাখা রূপার অলঙ্কার এবং পোশাক নিখোঁজ হওয়ার পর ১৩ অক্টোবর মন্দিরের সচিব পালাদি থানায় অভিযোগ দায়ের করলে চুরির বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ মন্দিরে কাজে নিযুক্ত দুই সাফাইকর্মীর একজন হেতালবেনকে গ্রেফতার করে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই তদন্তকারীদের হাতে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। হেতালবেনকে জেরা করেই তার স্বামী এবং মন্দিরের পুরোহিত সহ আরও চারজনের জড়িত থাকার বৃহত্তর ষড়যন্ত্র সামনে আসে।

ক্রাইম ব্রাঞ্চের ইন্সপেক্টর মহেন্দ্র সালুঙ্কে অভিযুক্তদের স্থানীয় গয়না বাজারের হেতালবেন, তার স্বামী কিরণভাই, মন্দিরের পুরোহিত মেহুল রাঠোড় এবং দুই রূপা ব্যবসায়ী সঞ্জয় এবং রৌনক নামে চিহ্নিত করেছেন। পুলিশ ৭২.৮৭ লক্ষ টাকা মূল্যের রূপা, ৭৯,০০০ টাকা নগদ, চারটি মোবাইল ফোন এবং অপরাধে ব্যবহৃত একটি এসইউভি উদ্ধার করেছে। ইন্সপেক্টর সালুঙ্কে ঘটনা প্রসঙ্গে বলেছেন, “হেতাল এবং কিরণ ডেরাসারে সাফাইকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। তারা, পুরোহিত মেহুল রাঠোড়ের সঙ্গে দেবতা শীতলনাথ ভগবান এবং বাসুপূজ্য স্বামী ভগবানের জন্য ব্যবহৃত রূপার অলঙ্কার এবং পোশাক চুরির ষড়যন্ত্র করেছিলেন।” তিনি আরও জানান যে চুরিটি পরিকল্পিতভাবে করা হয়েছিল। পুলিশ জানিয়েছে মন্দিরের পুরোহিত বেসমেন্টের লকার রুম থেকে মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি করার আগে সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ করে দিয়েছিলেন।

তদন্তে জানা গিয়েছে যে, ২০২৩ সাল থেকে রুপার গয়না এবং পোশাকগুলি বেসমেন্টের একটি সুরক্ষিত ঘরে রাখা ছিল। শুধুমাত্র পুরোহিত মেহুল রাঠোর কাছে লকারের চাবি ছিল। পুলিশকর্তা জানান, “মেহুল ১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে মন্দিরে সেবা করছিলেন এবং মন্দির কর্তৃপক্ষের তার উপর আস্থা ছিল। তবে, চুরির পর, তিনি সাফাইকর্মী দম্পতির সঙ্গেই নিখোঁজ হয়ে যান। পুলিশ জানিয়েছে যে মেহুল রাঠোর ষড়যন্ত্র করেছিলেন এবং সঞ্জয় এবং রৌনকের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এই দুইজন শরাফ বাজারের রুপার ব্যবসায়ী। চুরি করা রুপা তাদের কাছে বিক্রি করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে। মেহুল নগদে নতুন রুপা কিনে সেই টাকা ব্যবহার করেছিলেন এবং হারিয়ে যাওয়া জিনিসপত্র লুকানোর চেষ্টা করেছিলেন। পালাদি পুলিশ হেতালবেনকে  গ্রেফতার করার পর, মামলাটি আহমেদাবাদ ক্রাইম ব্রাঞ্চে স্থানান্তরিত হয়। পাঁচজনই বর্তমানে হেফাজতে আছেন, এবং বাকি চুরি করা রুপা উদ্ধার এবং আরও কেউ জড়িত কিনা তা খুঁজে বের করতে তদন্ত চলছে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

লক্ষ ফলোয়ার্স থাকা ইনফ্লুয়েন্সার স্ত্রীকে খুন করে আত্মঘাতী স্বামী, হাড়হিম ঘটনা

তামিলনাডুতে ফের বাজিমাত স্ট্যালিনের, দাগ কেটেছেন বিজয়-ও, বলছে বুথফেরত সমীক্ষা

ঈশ্বরের আপন দেশে পালাবদল, সিপিএমকে হটিয়ে ক্ষমতায় ফিরছে কংগ্রেস

অসমে ৮৮-১০০ আসনে জিতে ফের ফিরছে বিজেপি সরকার, আভাস বুথফেরত সমীক্ষায়

দিল্লি পুরসভার মেয়র পদ দখল বিজেপির, ভোটে গরহাজির আপ কাউন্সিলররা

‘প্রকৃতি ও আদিবাসীদের বিরুদ্ধে অপরাধ’, কেন্দ্রের গ্রেট নিকোবর প্রকল্প নিয়ে সরব রাহুল গান্ধি

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ