এই মুহূর্তে

স্বর্ণমন্দিরে বন্দুক মোতায়েন হয়নি, সেনাবাহিনীর বক্তব্য অস্বীকার প্রধান পুরোহিতের

নিজস্ব প্রতিনিধি, অমৃতসর: ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হলেও দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমিত হয়নি। সোমবার ভারতীয় সেনার এক শীর্ষকর্তা বলেছিলেন ৭ ও ৮ মে পাকিস্তান যখন ভারতের উপর হামলা চালায় তখন তাদের লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ছিল পঞ্জাবের অমৃতসরের স্বর্ণমন্দির।পাকিস্তানের চেষ্টা ব্যর্থ হয় কারণ ভারতীয় সেনা আগে থেকেই স্বর্ণমন্দিরের মধ্যে সম্ভাব্য ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হুমকি মোকাবেলায় বিমান প্রতিরক্ষা ও বন্দুক মোতায়েনের করেছিল। এই অনুমতি দিয়েছিলেন মন্দির কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার স্বর্ণ মন্দিরের প্রধান গ্রন্থি (পুরোহিত) জ্ঞানী রঘুবীর সিং সেনাবাহিনীর বিমান প্রতিরক্ষার দায়িত্বে থাকা লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুমের ইভান ডি’কুনহার এই বক্তব্য অস্বীকার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন এই ধরনের কোনও অনুমতি দেওয়া হয়নি।

সোমবার এক সাক্ষাৎকারে লেফটেন্যান্ট জেনারেল ডি’কুনহা বলেছিলেন, “স্বর্ণ মন্দিরের প্রধান গ্রন্থি আমাদের বন্দুক মোতায়েন করার অনুমতি দিয়েছেন, এটা খুবই ভাল লেগেছে।” তিনি বলেন, স্বর্ণমন্দির কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অভূতপূর্ব সহযোগিতা এসেছে হুমকির গুরুত্ব সম্পর্কে জানার পর থেকেই। তার আগে, ১৫ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) মেজর জেনারেল কার্তিক সি শেষাদ্রি বলেছিলেন যে পাক বাহিনী ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন দিয়ে স্বর্ণ মন্দিরকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল। কিন্তু ভারতের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মন্দির রক্ষায় বদ্ধপরিকর ছিল। তাই পাক পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়।

এই সকল বক্তব্যকে ‘প্রচার’ বলে অভিহিত করে জ্ঞানী রঘুবীর সিং বলেন, “কোনও সেনা কর্মকর্তা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। কোনও বন্দুক মোতায়েনের বিষয়ে কথাও হয়নি, শ্রী দরবার সাহিবেও এমন কোনও ঘটনা ঘটেনি। আমি ২২ দিনের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ছুটি কাটাতে ছিলাম। ২৪শে এপ্রিল গিয়েছিলাম এবং ১৪ই মে ফিরে এসেছি। আমি চলে যাওয়ার পরেই সংঘর্ষ শুরু হয়েছিল এবং আমি ফিরে আসার আগেই শেষ হয়ে গিয়েছিল। শিরোমণি গুরুদ্বার প্রবন্ধক কমিটির উচিত সেনাবাহিনীর দাবি তদন্ত করা এবং যদি কোনও এসজিপিসি সদস্য এই বিষয়ে জড়িত থাকে তবে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া।”

এসজিপিসির এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে অতিরিক্ত প্রধান গ্রন্থি জ্ঞানী অমরজিৎ সিং (যিনি জ্ঞানী রঘুবীর সিংয়ের অনুপস্থিতিতে দায়িত্ব পালন করছিলেন) স্পষ্ট করে বলেন যে, “শ্রী হরমন্দর সাহেব ব্যবস্থাপনা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কমপ্লেক্সের বাইরের আলো বন্ধ করে ব্ল্যাকআউটের বিষয়ে জেলা প্রশাসনের নির্দেশিকাগুলির সঙ্গে সহযোগিতা করেছে। তবে, যেসব স্থানে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করা হয়, সেখানে আলো জ্বালানো হত এবং স্থানের পবিত্রতা বজায় রাখা হত।”

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

বিজয়ের ‘জন নয়গন’ নিয়ে সেন্সর বোর্ডের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করল না সুপ্রিম কোর্ট

‘গণতান্ত্রিক উৎসবে সকলে সামিল হোন’, BMC নির্বাচনে সপরিবারে ভোট দিলেন অক্ষয়, শচিনরা

যতদূর বাংলা ভাষা: দেশ বিদেশের দুই হাজার কবি সাহিত্যিকের মিলন উৎসব

দীর্ঘদিন ধরে পরিচয় লুকিয়ে বসবাস, বেঙ্গালুরু থেকে গ্রেফতার ১৬ বাংলাদেশি

ঘুড়ির মাঞ্জা সুতোয় মৃত্যু ফাঁদ! গলা কেটে ফালাফালা মোটরবাইক সওয়ারির

মেয়েদের প্রিমিয়ার লিগে উষ্ণতা ছড়ানো ২৫ বছর বয়সী ইংলিশ বোলারকে চেনেন?

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ