ট্রেনের ভিতর থেকে উদ্ধার মহিলার মুণ্ডহীন দেহ, ঠিক কী হয়েছিল?

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ  ট্রেনের স্লিপার কোচের ভেতর থেকে একটি টিনের বাক্সের মধ্যে এক মুণ্ডহীন মহিলার দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে লখনউয়ের গোমতি নগর রেল স্টেশনে।  দেহটির হাত ও পা আলাদা আলাদা পলিথিনের ব্যাগে মোড়ানো ছিল এবং পাশের একটি ব্যাগে রাখা হয়েছিল। তবে মহিলাটির মাথা না থাকার কারণে, তাকে এখনও পর্যন্ত শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

সূত্রের খবর , এটি একটি পরিকল্পিত খুনের ছক ছিল কারণ দেহটি খণ্ড-বিখণ্ড করতে একটি ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল। মহিলাটি সালোয়ার-স্যুট পরা ছিলেন এবং তার শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া  গিয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা  গিয়েছে, মহিলাটিকে অন্য কোথাও মারা হয়েছিল এবং পরিচয় গোপন করার জন্য মৃতদেহটি ট্রেনে রাখা হয়েছিল। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, এই বাক্সটি কখন এবং কোথায় ট্রেনে রাখা হয়েছিল? তদন্তকারী সংস্থা এখন সেই স্টেশনগুলোর ওপর নজর দিচ্ছে যেখানে ট্রেন দীর্ঘ সময় ধরে থামে অথবা যেখানে ভিড় থাকে।  ট্রেনটি সন্ধ্যা ৬:৪৫ নাগাদ ছাপরা থেকে ছেড়ে লখনউয়ের গোমতি নগর স্টেশনে পৌঁছানোর আগে বেশ কয়েকটি প্রধান স্টেশন অতিক্রম করে। রেল কর্মকর্তাদের মতে, ছাপরা এবং গোমতি নগরের মধ্যে প্রায় ২০টি স্টেশন রয়েছে, কিন্তু ছয়টি স্টেশন তদন্তের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। প্রধান সন্দেহভাজন স্টেশন হলো থাওয়ে স্টেশন, যেখানে ট্রেনটি প্রায় ৩০ মিনিটের জন্য থামে। এই দীর্ঘ বিরতির কারণে কারও পক্ষে কোচে একটি ভারী বাক্স রাখা তুলনামূলকভাবে সহজ হতে পারে। উত্তর প্রদেশের কাপ্তানগঞ্জ স্টেশনে আরও তদন্ত চলছে, যেখানে ট্রেনটি রাত ১২টার দিকে পৌঁছায় এবং পাঁচ মিনিটের জন্য থামে। গভীর রাত হওয়ায় নজরদারি তুলনামূলকভাবে দুর্বল হতে পারে। পুলিশ স্টেশনটির সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে। গোরখপুর রেলওয়ে স্টেশনকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ট্রেনটি এখানে রাত প্রায় ১:২৫ মিনিটে এসে প্রায় ১০ মিনিটের জন্য থামে। যেহেতু গোরখপুর একটি প্রধান জংশন, তাই এখানে যাত্রীদের প্রচণ্ড ভিড় থাকে। তদন্তকারী সংস্থাগুলো সন্দেহ করছে যে, ভিড়ের সুযোগ নেওয়ার জন্যই হয়তো ট্রেনে বাক্সটি রাখা হয়েছিল। 

আরও পড়ুনঃ স্টেশনের মধ্যে দাউদাউ করে জ্বলে উঠল প্যাসেঞ্জার ট্রেন, প্রান বাঁচাতে ছোটাছুটি যাত্রীদের

জানা গিয়েছে, এই মৃত্যুর সঙ্গে প্রেমঘটিত সম্পর্ক, অবৈধ সম্পর্ক, পারিবারিক বিবাদের জেরেও হতে পারে। যেভাবে দেহটি খণ্ড খণ্ড করা হয়েছে, তা থেকে বোঝা যায় যে অভিযুক্ত ব্যক্তি মহিলাটিকে ভালোভাবেই চিনত। তবে, দেহ খণ্ড খণ্ড করে আলাদাভাবে প্যাক করা কোনো সাধারণ অপরাধীর কাজ বলে মনে করছেনা পুলিশ। যে ব্যক্তি এই কাজ করেছে, সে হয় অত্যন্ত পূর্ত অথবা অপরাধটির পরিকল্পনা করার জন্য আগে থেকেই যথেষ্ট সময় পেয়েছিল।এই মামলার সবচেয়ে কঠিন দিকটি হলো মাহলাটির পরিচয়। মাথা না থাকায়, পুলিশের কাছে বর্তমানে শনাক্তকরণের কোনো সরাসরি প্রমাণ নেই। পুলিশ পার্শ্ববর্তী জেলা ও রাজ্যগুলো থেকে নিখোঁজ মহিলাদের খবর তদন্ত করছে। তারা তার পোশাক, শারীরিক গঠন এবং বয়সের উপর ভিত্তি করে এবং সাম্প্রতিক সময়ে বিহার বা পূর্ব উত্তর প্রদেশ থেকে কোনো মহিলা নিখোঁজ হয়েছেন কিনা সেই সব বিষয়ে খোঁজ চালাচ্ছে। 

রেকর্ড গড়ল রীতেশ দেশমুখের ‘রাজা শিবাজী’, ১০০ কোটি টাকার ক্লাবে দ্বিতীয় মারাঠি ছবি

ভারতে এবার পরমাণু হামলার হুমকি পাকিস্তানি সেনার

বেগুনপোড়া ভুলিয়ে দেবে এই লাউপোড়া ভর্তা, রইল সহজ রেসিপি

‘বকেয়া মহার্ঘ ভাতা ও সপ্তম বেতন কমিশন নিয়ে আলোচনা হবে’, জানালেন দিলীপ

লাভের টোপে লোপাট ১৪ লক্ষ, গয়না ব্যবসায়ীর সাথে যা হল…

স্বস্তি! এক ধাক্কায় আবারও ৬,০০০ টাকা কমল রুপো, সস্তা সোনাও, মুখে হাসি ক্রেতাদের

২০ মন্ত্রী -সহ কেরলমের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ ভি ডি সতীশনের

সোমে চিপকে হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ম্যাচের পরেই অবসর ঘোষণা ধোনির?

মুখ্যমন্ত্রীর ‘জনতার দরবার’ শুরু, সরাসরি সাধারণের কথা শুনছেন শুভেন্দু অধিকারী

সোম সকালেই শেয়ার বাজারে ধস, ৯০০ সূচক কমল সেনসেক্স

ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী! জেলায় জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা, কলকাতার আবহাওয়া কেমন?

সাতসকালে ফের মেট্রো বিভ্রাট! চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা

তৃণমূল বিধায়ক দিলীপ মন্ডলের ছেলে অর্ঘ্য সহ গ্রেফতার ৫

তিন ডব্লিউবিসিএস অফিসারকে নিয়োগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী, কোন দায়িত্ব পেলেন তাঁরা?‌