দেখতে থাকুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

রাইসিনা হিলসের কাছেই গড়ে উঠছে প্রধানমন্ত্রীর নয়া অফিস, কী থাকছে সেখানে?‌ মোদি যাবেন কবে?‌

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এবার নতুন অফিস তৈরি হচ্ছে। আর তা গড়ে উঠছে রাষ্ট্রপতি ভবনের কাছেই। অর্থাৎ রাইসিনা হিলসের কাছেই গড়ে উঠছে প্রধানমন্ত্রীর নয়া অফিস। রাইসিনা হিলসের কাছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নতুন অফিস এখন প্রায় প্রস্তুত। সেখানে এখন শেষের দিকে কাজ করছেন শ্রমিকরা। আর প্রধানমন্ত্রী সম্ভবত চলতি মাসের শেষের দিকে নতুন অফিস থেকে কাজ শুরু করবেন বলে সূত্রের খবর। প্রধানমন্ত্রীর আলাদা অফিস আছে। রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ও। তাহলে আবার রাষ্ট্রপতি ভবনের কাছে নতুন অফিস কেন?‌ এই নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর নতুন অফিসটি রাইসিনা হিলসের কাছে অবস্থিত এবং এটি সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের অংশ হিসেবে নির্মিত হয়েছিল। নির্মাণ পর্যায়ে এই অফিসের নাম দেওয়া হয় এক্সিকিউটিভ এনক্লেভ। আর গোটা প্রাঙ্গণের নামকরণ করা হয়েছে সেবা তীর্থ। এই প্রাঙ্গণে তিনটি ভবন রয়েছে। সেবা তীর্থ ১—এখানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থাকছে। সেবা তীর্থ ২—এখানে মন্ত্রিসভার সচিবালয় এবং সেবা তীর্থ ৩—এখানে থাকছে জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ সচিবালয় এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের কার্যালয়। পুরনো সংসদ ভবন ছেড়ে নতুন সংসদ ভবন গড়ে তোলায় আগেই একাধিক প্রশ্ন উঠেছিল।

অন্যদিকে এবার এই সেবা তীর্থের নাম দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নয়া অফিসও সমালোচনার বাইরে থাকবে না বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ পুরনো যা কিছু এদেশে ছিল তা সব বদলে ফেলা হচ্ছে। সেটা রেলওয়ে স্টেশনের নামকরণ থেকে শুরু করে প্ল্যানিং কমিশন, ১০০ দিনের কাজের নাম সবই বদল করা হয়েছে। এবার সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের অধীনে একটি নতুন সংসদ ভবন এবং উপরাষ্ট্রপতির এনক্লেভ ইতিমধ্যেই প্রস্তুত। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় প্রায় প্রস্তুত। আটটি নতুন অফিসও গড়ে উঠেছে। যার মধ্যে তিনটি প্রস্তুত এবং কার্যকর হয়েছে। আসলে সব একছাতার তলায় নিয়ে আসতেই এবং অতীত ইতিহাস মুছে ফেলতেই এমন উদ্যোগ বলে মত বিরোধীদের।

এছাড়া আগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়কে এক্সিকিউটিভ এনক্লেভ বলা হতো। কিন্তু সরকারি সূত্র পরে জানিয়েছে, এর নামকরণ করা হবে সেবা তীর্থ (যার অর্থ সেবার পবিত্র স্থান)। নতুন কার্যালয়ের কাছে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন তৈরি করা হচ্ছে। এটি প্রস্তুত হয়ে গেলে প্রধানমন্ত্রী ৭, লোক কল্যাণ মার্গের বাসভবন ছেড়ে এখানে চলে আসবেন। এই নিয়ে রাজধানীর অলিন্দে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এই সেবা তীর্থে থাকছে বড় বড় ঘর, অত্যাধুনিক ব্যবস্থা এবং তার সঙ্গে থাকবে দেশের সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য। স্বাধীনতার পর থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সাউথ ব্লকে ছিল। বিদেশ ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের পাশেই। আর নর্থ ব্লকে স্বরাষ্ট্র ও অর্থ মন্ত্রক ছিল। এখন সেগুলি কর্তব্য ভবনে স্থানান্তরিত হয়েছে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

প্রথম দফায় বাংলার ভোট শান্তিপূর্ণ, ভোটদানের হারে প্রশংসা প্রধান বিচারপতির

অসমের মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রী’কে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, পবন খেরার আগাম জামিন খারিজ করল হাইকোর্ট

মুম্বইয়ে ট্রাফিক জ্যাম নিয়ে প্রতিবাদী মহিলার বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ দায়ের

ফের শুরু হচ্ছে যুদ্ধ? দেশের নাগরিকদের ইরান ছাড়ার পরামর্শ তেহরানের ভারতীয় দূতাবাসের

ডাম্পার-বোলেরো সংঘর্ষে ঝলসে মৃত ৩, জখম ৫

বিজেপি শাসিত রাজ্যে অপুষ্টিতে মৃত্যু ৪ মাসের শিশুর, সরকারি স্বাস্থ্য কর্মীদের নিশানা পরিবারের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ