এই মুহূর্তে

এসআইআর নিয়ে তৃণমূলের মামলা, নির্বাচন কমিশনের কাছে জবাব তলব করল সুপ্রিম কোর্ট

নিজস্ব প্রতিনিধি: এবার চাপে পড়ে গেল নির্বাচন কমিশন। কারণ এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বারবার অভিযোগ তুলছিল তৃণমূল কংগ্রেস। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ নিয়ে মোট পাঁচটি চিঠি লিখেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে। তবে কোনও চিঠিরই উত্তর আসেনি। তাই এই এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে মামলা করেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’‌ব্রায়েন এবং দোলা সেন। আর সেই মামলার প্রেক্ষিতে‌ জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে জবাব তলব করল সুপ্রিম কোর্ট। আজ, সোমবার এই মর্মে নির্বাচন কমিশনকে নোটিস পাঠিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

এদিকে আজ প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চে এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। আর এই মামলার শুনানিতেই নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদদের হয়ে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিবাল। এই মামলার শুনানিতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একাধিক গাফিলতি এবং অনিয়মের অভিযোগ তোলেন কপিল সিবাল। তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বহু নির্দেশ আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তির বদলে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে। যা একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য নয়। এমনকী বহু ভোটারকে অযৌক্তিকভাবে ‘সন্দেহভাজন’ বলে চিহ্নিত করে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের যে ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সি’র কথা বলা হচ্ছে তা বেশির ভাগই বাস্তবে অযৌক্তিক এবং ভিত্তিহীন।

অন্যদিকে এই এসআইআর পর্বে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৮০ জন মারা গিয়েছে। আতঙ্কে, ভয়ে আত্মহত্যা করছেন। সেখানে বিএলও থেকে সাধারণ মানুষ রয়েছে। এই সব যুক্তি শুনে নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে বিস্তারিত জবাব চাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সুপ্রিম কোর্ট। আর তারপরই নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে নোটিস জারি করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের এই নোটিস পেয়ে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জবাব দেওয়ার জন্য তারা দু’সপ্তাহ সময় চাইছে। তবে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই হলফনামা জমা দিতে হবে। যদিও এই অভিযোগগুলি বারবার তুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এমনকী এসআইআর প্রক্রিয়ার ফলে সাধারণ মানুষ অযথা হয়রানির শিকার হচ্ছেন এবং যোগ্য ভোটারদের নাম বাদ পড়ছে। আগামী সোমবার এই মামলার শুনানি হবে। সবপক্ষকে নোটিস দিল সুপ্রিম কোর্ট।

এছাড়া ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও অনেককে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে বলে অভিযোগ। দীর্ঘ সময়ের ভোটারদের ডাকা হচ্ছে। প্রবীণ নাগরিকদের ডেকে পাঠানো এবং বসিয়ে রাখায় হয়রানি হতে হচ্ছে। এই রাজ্যের বিশিষ্ট নাগরিকদের শুনানি থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে না। সুতরাং এসআইআরের নামে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে সেটা মৌলিকভাবে ত্রুটিপূর্ণ এবং সংবিধানসম্মত নয় বলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি। শুধু তাই নয়, মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, শুনানির সময় বহু ভোটার প্রয়োজনীয় নথি জমা দিলেও তার কোনও স্বীকৃতি বা রসিদ দেওয়া হচ্ছে না। পরে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে।

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

‘‌আমি ধর্ষক নই’‌, মহাকুম্ভ খ্যাত হর্ষা আধ্যাত্মিকতা থেকে দূরে সরে যাওয়ার ঘোষণা করলেন, কেন?

‘‌মোদি–শাহের সরকার ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চেয়েছে’‌, ‘মৃত’ ১০ জনকে মঞ্চে এনে তোপ অভিষেকের

কলকাতার এন্টালি থেকে গোটা দেশে পাচার ও মাদক তৈরির কিং পিন গ্রেফতার

‘‌কোচবিহার থেকে বিজেপিকে উপড়ে ফেলা সময়ের অপেক্ষা’‌, চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন অভিষেক

প্রতিটি কুকুরের কামড়ের জন্য মোটা অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে রাজ্যগুলিকে: সুপ্রিম কোর্ট

এবার SIR শুনানিতে ডাক পড়ল টুটু বসু সহ পরিবারের সদস্যদের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ