দেখতে থাকুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাত থেকে ‘দাদা সাহেব ফালকে’ পুরস্কার গ্রহণ করলেন কিংবদন্তি অভিনেত্রী আশা পারেখ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সম্প্রতি কেন্দ্রীয় তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর ঘোষণা করেছিলেন যে চলতি বছর ‘দাদা সাহেব ফালকে’ অ্যাওয়ার্ডে পাচ্ছেন কিংবদন্তি অভিনেত্রী আশা পারেখ। ভারতীয় চলচ্চিত্রে তাঁর অশেষ অবদানের ভিত্তিতে এই পুরস্কারে স্বীকৃত করা হয়েছে তাঁকে গতকালই। ‘দাদা সাহেব ফালকে’ পুরস্কার ভারতীয় চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি। এদিন বিজ্ঞানভবনে অনুষ্ঠিত ৬৮ তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অনুষ্ঠানে, উপস্থিত হয়েছিলেন অভিনেত্রী আশা পারে এবং ৭৯ বছরের অভিনেত্রীর হাতে পুরস্কার প্রদান করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। প্রবীণ অভিনেত্রীর কথায়, ৮০ তম জন্মদিনের ঠিক আগের দিনেই এহেন মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার পেয়ে কৃতজ্ঞ। যা তাঁর জীবনের অনেক বড় সম্মান। অর্থাৎ আজকে কিংবদন্তি অভিনেত্রী আশা পারেখের জন্মদিন। এছাড়াও অভিনেত্রী আরও বলেন, “এটি ভারত সরকারের কাছ থেকে পাওয়া সেরা সম্মান। আমি জুরিদের ধন্যবাদ জানাতে চাই যে, যাঁরা আমাকে এই স্বীকৃতি দেওয়ার জন্যে বেছেছেন, আমার দীর্ঘ যাত্রা এবং চলচ্চিত্র শিল্পে যাত্রা পূরণ করেছে।” যদিও এই পুরস্কারটি তাঁর পাওয়ার কথা ছিল ২০২০ সালে। ভারতীয় চলচ্চিত্র শিল্পকে তিনি তাঁর জীবনের “সেরা স্থান” বলে অভিহিত করেছেন। তাঁর কথায়, “আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি হল সেরা জায়গা। এবং আমি এই শিল্পে থাকা তরুণদের অধ্যবসায়, সংকল্প, নিয়মানুবর্তিতা এবং গ্রাউন্ডেড হওয়ার পরামর্শ দিতে চাই, এবং আমি আজ রাতে সমস্ত পুরস্কারপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানাই।” পাঁচ সদস্যের দাদা সাহেব ফালকে পুরস্কার কমিটি — আশা ভোঁসলে, হেমা মালিনী, পুনম ধিল্লন, উদিত নারায়ণ, এবং টিএস নাগাভরানা সমন্বিত — পারেখকে এই সম্মানের জন্য নির্বাচিত করেছে৷

আশা পারেখের, স্টারডম চূড়ান্ত হয়েছিল 1960-1970 এর দশকে। যিনি তৎকালীন তাঁর সমসাময়িক পুরুষ অভিনেতা রাজেশ খান্না, রাজেন্দ্র কুমার এবং মনোজ কুমারের সঙ্গে অভিনয় করেছেন। তিনি 1952 সালে মাত্র ১০ বছর বয়সে “আসমান” ছবির মাধ্যমে বলিউডে অভিনয় জীবন শুরু করেন। প্রায় পাঁচ দশকের বেশি সময়ব্যাপী তিনি তাঁর কর্মজীবনে, প্রায় ৯৫ টিরও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। যার মধ্যে রয়েছে, “দিল দেখো”, “কাটি পতং”, “তিসরি মঞ্জিল”, “বাহারোঁ কে সপনে”, “পেয়ার কা মৌসম” এবং “কারাভান”। 1952 সালের “আসমান” ছবিতে তিনি শিশুশিল্পী হিসাবে চলচ্চিত্রে প্রবেশ করেন। এর দুই বছর পরে বিমল রায়ের “বাপ বেটি” এ অভিনয় করেন।1959 সালে নাসির হুসেনের সিনেমা “দিলকে দেখো” তে শাম্মী কাপুরের বিপরীতে প্রথম নেতৃস্থানীয় মহিলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন পারেখ।

পাশাপাশি একজন পরিচালক এবং প্রযোজক হিসেবেও তিনি কাজ করেছেন। আশা পারেখ 1990 এর দশকের শেষের দিকে সম্প্রচারিত প্রশংসিত টিভি নাটক “কোরা কাগজ” পরিচালনা করেছিলেন তিনি। এছাড়া তিনি সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশন (সিবিএফসি) এর প্রথম মহিলা চেয়ারপার্সনও ছিলেন। যেখানে তিনি 1998-2001 থেকে কাজ করেছেন। তিনি 1992 সালে দেশের চতুর্থ-সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার পদ্মশ্রী সম্মানেও ভূষিত হয়েছিলেন। গত বছর, 2019 সালের দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার পেয়েছিলেন জনপ্রিয় দক্ষিণী অভিনেতা রজনীকান্ত। এছাড়াও এদিন ২০২২ সালের বিজেতা জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্যদেরও পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

পেটিএম পেমেন্টস ব্যাঙ্কের লাইসেন্স বাতিল করল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক, গ্রাহকদের টাকা সুরক্ষিত?

মুখ্যমন্ত্রীর ফোন ধরলেন না আপ ছেড়ে বিজেপিমুখী হরভজন সিংহ

সৌরভের পরিবর্তে ‘দাদাগিরি’ সঞ্চালনায় এবার লিয়েন্ডার পেজ কিংবা দেব!

লখনউয়ের গুরুকুলে ১১ বছরের ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেফতার অধ্যক্ষ ও তাঁর প্রেমিকা

হানা দিয়েছিল ইডি, রাঘব চাড্ডার সঙ্গে বিজেপিতে সামিল হলেন অশোক মিত্তালও

সাত মাসের গর্ভবতী কিয়ারাকে জড়িয়ে ধরার চেষ্টা ভক্তের, ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন সিদ্ধার্থ

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ