আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

মীরা’জ মাইণ্ডারস : আয়াদের আপন কথা

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ স্নেহ আর সহবতই ওঁদের সম্বল। সেই পুঁজিটুকু নিয়েই ওঁরা নিজের ঘর গেরস্থালি ছেড়ে পাড়ি দেয় সকাল সকাল অন্যত্র। আপন আঙিনার আকুতি বুকে নিয়ে ওই মানুষগুলো হৃদয় বিছিয়ে দেন প্রবাসের সদা ব্যস্ত সংসারগুলোয়। কখনও ওঁরা কোলে তুলে নেন কর্মব্যস্ত বাবা-মায়ের শিশু সন্তানকে, কখনও বা ওঁরা মৃত্যু পথ যাত্রীর ভরসা হয়ে ওঠেন। হাত রেখে মুছে দেন অবসর প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষগুলোর একাকিত্বের শূণ্যতাকে। সুশীল সমাজ ওঁদের ‘আয়া’ বলে ডাকে। এই আয়া মাসীরাই আগলে রাখেন সংসারিক সহাবস্থান আর ভারসাম্যকে। তারমধ্যেও রয়েছে বৈষম্য, মানসিকতা ও মানবিকতার তারতম্য। সেই প্রবণতাকে গবেষণালব্ধ পর্যালোচনায় তথ্যচিত্রে তুলে ধরতে চেয়েছেন তন্বী চৌধুরী। ছবির নাম ‘মীরা’জ মাইণ্ডারস’ যারা মীরার সাথে ছিল।

৬০ মিনিটের এই তথ্যচিত্রটিতে আমেরিকার প্রথম প্রজন্মের অধিবাসী তন্বী এই অসংগঠিত শ্রমজীবিকার কর্মক্ষেত্রটিকে বিষয় হিসেবে বেছে নিয়েছেন। তথ্যচিত্রটির কাহিনি ও চিত্রনাট্যে তন্বীর ভাষায়, ‘সমাজতত্ত্বের ভিজুয়াল অ্যানথোলজি পদ্ধতিকে ব্যবহার করা হয়েছে।’ বিবৃত হয়েছে অস্থায়ী অসংগঠিত শ্রমদানের তিনটি ভাগ। প্রথমটি হল, ‘কুমতি’ অর্থাৎ যিনি বা যাঁরা ধূর্ত শ্রমজীবি, দ্বিতীয়টি হল, ‘সুমতি’ অর্থাৎ যিনি বিনা প্রতিবাদে সমস্ত নিয়মকে মেনে নেন এবং তৃতীয় ভাগটি হল ‘শান্তমতি’ অর্থাৎ যিনি প্রতিবাদী। এই আধারেই সাম্প্রতিক সময়ের পরিবর্তনশীল শ্রমক্ষেত্রে আয়াদের জীবনের মান পরিবর্তন, কিছু বিশেষ প্রতিবন্ধকতা, উপার্জন ও সম্মানের দিকগুলি অনুসন্ধান করেছেন তন্বী।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

দিনের শেষে মায়ের সঙ্গে কসবা কেন্দ্রে ভোট দিলেন মিমি চক্রবর্তী

কেউ টালিগঞ্জে, কেউ বেহালায়, ভোট উৎসবে সামিল প্রসেনজিৎ থেকে জিৎ, কোয়েল, শ্রাবন্তী

জুন নয়, ফের পিছল ‘টক্সিক’-এর মুক্তি, ভক্তদের কী জানালেন যশ?

আরবানায় প্রথম ভোটার রচনা, সবুজ পোশাকে ভোট দিয়ে কী বললেন তারকা সাংসদ?

ভোট না দিয়েই ফিরলেন চিরঞ্জিত! ইভিএম বিকল হওয়ায় বারাসতে চরম ভোগান্তির মুখে অভিনেতা

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লড়াইকে কুর্নিশ জানিয়ে ‘বাঘিনী’ সম্বোধন মিমির

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ