Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...

‘আমি বাঁচতে চাইনি, তবু মাকে বলেছিলাম..’, মানসিক অবসাদের ভয়াবহ দিনলিপি প্রকাশ দীপিকার

আমিও খুব কাজ করতে ভালবাসি। কাজের চাপে নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে ভাবার সময় ছিল না। এমন অবস্থায় একদিন আমি অজ্ঞান হয়ে গেলাম। এর কয়েকদিন পর বুঝতে পারলাম আমি বিষন্নতায় ভুগছি।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ গ্লোবাল অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে মা হয়েছেন অভিনেত্রী। ফুটফুটে কন্যা দুয়া’র জন্ম দিয়েছেন। কন্যা জন্মের পর অনেকগুলি দিন পর প্রকাশ্যে এসেছেন নায়িকা। তাঁকে শেষবার পর্দায় দেখা গিয়েছিল ‘সিঙ্ঘম এগেইন’ ছবিতে। যেখানে তাঁর ভূমিকা দারুণ প্রশংসিত হয়েছিল। যাই হোক, বর্তমানে চলছে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা। সেই কারণে দেশজুড়ে মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্যে ‘পরীক্ষা পে চর্চা ২০২৫’ নামক একটি ইভেন্টের আয়োজন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই ইভেন্টেই পরীক্ষার্থীদের পড়াশোনা নিয়ে আরও উৎসাহিত করার জন্যে অতিথি হয়ে উপস্থিত হচ্ছেন দেশের একাধিক মান্যগণ্য ব্যক্তিত্বরা। গত ১০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দীপিকা পাড়ুকোন। বুধবার সেই এপিসোডটি প্রকাশিত হয়েছে। যেখানে দীপিকা পাড়ুকোনকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের নানা পরামর্শ দিতে দেখা গিয়েছে।

পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, একসময় হতাশাগ্রস্ত হয়ে তিনিও মরতে চেয়েছিলেন। তাই মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকার জন্যে মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের একাধিক পরামর্শ দিলেন দীপিকা পাড়ুকোন। তিনি জানিয়েছেন, ‘আমিও খুব কাজ করতে ভালবাসি। কাজের চাপে নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে ভাবার সময় ছিল না। এমন অবস্থায় একদিন আমি অজ্ঞান হয়ে গেলাম। এর কয়েকদিন পর বুঝতে পারলাম আমি বিষন্নতায় ভুগছি। তাই যাই করো না কেন মানসিকভাবে সুস্থ থাকা খুবই জরুরী। পরীক্ষা কেন্দ্রে হঠাৎ চাপ অনুভব করলে, মনোযোগ অন্যদিকে সরিয়ে নিতে হবে। তাহলে চাপ কমবে।’ তিনি পড়ুয়া দের আরও বলেন, ‘যখন কোনও কিছু নিয়ে দুর্বল মনে করবে, তখন তোমার দুর্বলতার কারণ কাগজে লিখে রাখবে। তাতে মানসিক শক্তি বৃদ্ধি হবে। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করো, প্রতিযোগিতা খারাপ নয়, সেগুলি আমাদের দুর্বলতাকে চিহ্নিত করে দেয়। তখনই নিজেকে উন্নত করার চেষ্টা করা যায়। পরীক্ষায় ভাল নম্বর পাওয়ার জন্যে অনেক শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা চাপ দেন। কিন্তু এতে শিক্ষার্থীরা মনোযোগ হারিয়ে ফেলতে পারেন। তাই বাচ্চাদের সঙ্গে ভালোমতো কথা বলতে হবে। মানসিক সুস্বাস্থ্যের জন্যে ভাল ঘুমের প্রয়োজন।’

এরপর অভিনেত্রী তাঁর মানসিক অবসাদের ভয়াবহ দিনলিপি প্রকাশ করে জানালেন, ‘আমিও খুব কাজ করতে ভালবাসি। কাজের চাপে নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে ভাবার সময় ছিল না। এমন অবস্থায় একদিন আমি অজ্ঞান হয়ে গেলাম। এর কয়েকদিন পর বুঝতে পারলাম আমি বিষন্নতায় ভুগছি। এরপর আমি যখন আমার মাকে দেখি, তখন মাকে দেখেই আমি কাঁদতে শুরু করে দিয়েছিলাম। আমি তখন ভেবে ছিলাম, আমার আর বেঁচে থাকার দরকার নেই। কিন্তু যখন আমি বিষন্নতার বিষয়ে কথা বলতে শুরু করলাম, তখন আমার মনে হলো এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই পরীক্ষার সময় ধৈর্য ধরা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’ এরপর দীপিকা ছাত্রীদের বললেন, ‘আমি খুব দুষ্টু মেয়ে ছিলাম, আমি সোফা এবং চেয়ারে লাফিয়ে পড়তাম। তবে মাঝে মাঝে আমরা খুব বেশি চাপ নিয়ে ফেলতাম। আমি গণিতে খুব দুর্বল ছিলাম এবং এখনও আছি। আমার বাবা-মা কখনও আমার উপর কোনও চাপ দেননি। তাই, আমি অভিভাবকদের বলতে চাই যে তারা যেন তাদের সন্তানের দক্ষতা চিনতে পারে।’

অল্পের জন্য শতরান হাতছাড়া শুভমনের, রাজস্থানের বিরুদ্ধে ২২৯ রান তুলল গুজরাত

কালীঘাট মন্দিরে মাথায় ঝুড়ি নিয়ে পুজো দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, কী কী ছিল ঝুড়িতে….

১১ বছরের নাবালিকাকে যৌন নির্যাতনের দায়ে গ্রেফতার প্রবীণ বৌদ্ধ ভিক্ষু

নতুন মুখ্যমন্ত্রী ছেলের জন্য একাধিক পদ রান্না করবেন মা, শুভেন্দুর মেনুতে কী থাকছে?‌

কাটল জট, রবিবার সকাল দশটায় মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিচ্ছেন বিজয়

সীমান্ত শহর বনগাঁকে ‘গুন্ডা মুক্ত’ করার প্রতিশ্রুতি মন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়ার

মোদি জমানায় বিজেপির স্বর্ণালী যুগ, ৯ রাজ্যে প্রথমবার সরকার গঠন

মন্ত্রী হিসেবে ছেলেকে দেখে খুশি দিলীপের মা, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুকে শুভেচ্ছা রিঙ্কুর

‘মুসলিমদের যেন নিশানা না করা হয়’, শুভেন্দুর শপথের পরেই হুঁশিয়ারি বাংলাদেশের জামায়াত নেতার

আর কিছুক্ষণের মধ্যেই ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, জেলায় জেলায় দুর্যোগের পূর্বাভাস

ভারতের পরবর্তী চিফ অব ডিফেন্স স্টাফের পদে নিযুক্ত হলেন লেফ্টেন্যান্ট জেনারেল এনএস রাজা সুব্রমণি

‘‌বাংলায় স্বর্ণযুগের শুরু হল’‌, শুভেন্দুর শপথে গিয়ে বার্তা শিল্পপতি সঞ্জীব গোয়েঙ্কার

নবান্নেই প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক শুভেন্দুর, প্রাইভেট সেক্রেটারি হলেন শান্তনু বালা

কলকাতা পুরসভার হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছাড়লেন মেয়র, কোন পথে বাবা-মেয়ে?