আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

জানা আছে কী শিবের সঙ্গে কেন ভীষণ যুদ্ধ বেঁধেছিল সংকটমোচনের ?

নিজস্ব প্রতিনিধি :  মনে করা হয় শিবের রুদ্রাবতার বজরংবলী।বজরংবলীর আশির্বাদে ব্যক্তি জীবনে অনেক বড় হয়। সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হয়ে থাকে। ব্যক্তি জীবন থেকে নেতিবাচক শক্তি সরে যায়। মহাশক্তিশালী হয় সেই ব্যক্তি। তাই তো বজরংবলীর অপর নাম সংকটমোচন। মঙ্গলবার বজরঙ্গবলীর পুজোর জন্য শুভ বলে মনে করা হয়। এই দিনে, ভগবান হনুমানকে খুশি করতে ভক্তরা বিশেষ পুজো করে থাকে। আজকে বজরংবলীর প্রিয় দিনে জেনে নিন সংকটমোচনের অজানা কাহিনী।

জানেন কী ভক্তের জন্য একে অপরের বিরুদ্ধেও যুদ্ধ করেছেন মহাদেব ও বজরংবলী? পুরাণ ও রামায়ণ অনুযায়ী নিজের ভক্তদের রক্ষা করার জন্য যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিলেন এই দুই মহাশক্তিশালী দেবতা। এর সঙ্গে জড়িত রয়েছে রামের অশ্বমেধ যজ্ঞের কাহিনি। তবে জানুন কখন শিব ও বজরংবলীর মধ্যে যুদ্ধ বাঁধে ? আর শেষ পর্যন্তই বা কে জয়ী হয়েছিল ?

শিব বীরভদ্র ও নন্দীকে যথাক্রমে পুষ্কল ও বজরংবলীর সঙ্গে যুদ্ধ করতে পাঠান। বীরভদ্র ও পুষ্কল পাঁচ দিন ধরে যুদ্ধ করতে থাকেন। অবশেষে পুষ্কলের বধ করেন বীরভদ্র। এটি দেখে দুঃখে ভেঙে পরেন শত্রুঘ্ন। শোকাহত শত্রুঘ্ন রেগে গিয়ে ফেটে পড়ে শিবের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু করে দেন। প্রায় ১১ দিন ধরে যুদ্ধ চলে শিব ও শত্রঘ্নুর মধ্যে। এরপর শত্রুঘ্ন অজ্ঞান হয়ে পড়েন। তা দেখে বজরংবলী শিবের সঙ্গে যুদ্ধের মাঠে নামেন। বজরংবলী তখন শিবকে জিগ্যেস করেন যে, রামভক্ত হওয়া সত্ত্বেও মহাদেব কেন তাঁর সঙ্গে যুদ্ধ করছেন।

এই প্রশ্নের উত্তরে শিব জানান যে, তিনি বীরমণিকে তাঁর রাজ্য রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তাই তিনি রামের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে বাধ্য হচ্ছেন। এর পর শিব ও বজরংবলীর মধ্যে বিধ্বংসী যুদ্ধ হয়। এই যুদ্ধে বজরংবলীর সাহস ও শক্তি দেখে মহাদেব অত্যন্ত খুশি হন। প্রসন্ন হয়ে মহাদেব তাঁকে বর চাইতে বলেন।

তখন বজরংবলী মহাদেবের থেকে বর চান যে, যেহেতু এই যুদ্ধে ভরতের পুত্র পুষ্কলের মৃত্যু হয়েছে, অন্য দিকে ভরত অজ্ঞান হয়ে রয়েছেন। তাই তিনি দ্রোণগিরী পর্বতে যাচ্ছেন সঞ্জীবনি আনার জন্য। ততক্ষণ শিবকে পুষ্কল ও ভরতের শরীর রক্ষা করার প্রার্থনা জানান বজরংবলী। হনুমানের প্রার্থনা স্বীকার করেন মহাদেব। সঞ্জীবনি না আনা পর্যন্ত মহাদেব ভরত ও পুষ্কলের শরীর রক্ষা করেন।এদিকে বজরংবলী দ্রোণগিরী পর্বত থেকে ওষুধ নিয়ে রণভূমিতে উপস্থিত হন। সঞ্জীবনির সাহায্যে বজরংবলী পুষ্কলকে জীবিত ও শত্রুঘ্নকে সুস্থ করে তোলেন।

আরও পড়ুন : জানেন কী মা কালীর পদতলে ভোলানাথ কেন শুয়ে থাকেন ?

এরপর পুনরায় শত্রুঘ্ন ও শিবের মধ্যে যুদ্ধ বাঁধে। শত্রুঘ্নকে এই যুদ্ধে পরাজিত হতে দেখে বজরংবলী তাঁকে রাম নাম স্মরণ করতে বলেন। শত্রুঘ্ন ঠিক এমনই করেন। এর পরই যুদ্ধভূমিতে প্রকট হন রাম। রামকে দেখে মহাদেব তাঁর শরণে যান ও বীরমণি এবং অন্যান্যদের এমনই করতে বলেন। এর পর যজ্ঞের ঘোড়া রামকে ফিরিয়ে দেন বীরমণি। শেষ পর্যন্ত এই যুদ্ধ বন্ধ হয়।

আরও পড়ুন : কেন স্বামী মহাদেবকে স্তন পান করিয়েছিলেন শ্রীকালী ?

Published by:

Share Link:

More Releted News:

বেহুলা লখিন্দরের কাহিনী বিজড়িত পুরাতন মালদার দেবকুন্ডকে ঘিরে গন্ধেশ্বরী মাতার পুজো

উজ্জয়নের মহাকাল মন্দির চত্বর খুঁড়তেই মিলল একবিংশ শতাব্দীর বিশাল শিবলিঙ্গ

মদ্যপান করে বিধানসভায়? মুখ্যমন্ত্রীর ‘কীর্তি’ নিয়ে ব্যাপক শোরগোল, দেখুন ভিডিও

গরমে হাঁসফাঁস পোষ্যও! স্বস্তি দিতে মেনুতে রাখুন এই খাবারগুলি

শপিং মলে ঢুকে মহিলাদের অন্তর্বাস নিয়ে যা করলেন পুলিশ কর্মী.., গা ঘিন ঘিন করে উঠবে

মাত্র ২৯৯ টাকায় একাধিক ওটিটি সাবস্ক্রিপশনের অফার? ফাঁদে পা দিলেই ফাঁকা হবে অ্যাকাউন্ট

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ