ফুলশয্যার রাতেই স্ত্রীকে ছাড়তে হয়েছিল মাস্টারদা’কে !

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি :  আজকের দিনে স্বাধীনতার প্রথম স্বাদ উপভোগ করেছিল ভারতবাসীরা। ৭৮ তম স্বাধীনতা দিবসে তেরঙ্গা সেজে উঠেছে গোটা দেশ। আকাশে বাতাসে একটাই ধ্বনি, ‘বন্দে মাতরম’। কিন্তু যাদেঁর জন্য আজকের এই স্বাধীনতা তাঁদের মনে রাখি কী আমরা ? এরকমই একজন মহান বিপ্লবী হলেন মাস্টারদা সূর্য সেন। যাঁদের আত্মবলিদানে পূর্ণতা পেয়েছে স্বাধীনতা। যাকে ফাঁসিতে ঝোলানোর আগে রক্তখেকো ইংরেজরা পাশবিক অত্যাচার চালিয়েছিল। একটা একটা করে দাঁত ও নখ উপরে ফেলা হয়েছিল। যাঁর দেহ টিকে পৃথক ভাবে লোহার দড়ি দিয়ে বেঁধে ছুড়ে ফেলে দেওয়া হয়েছিল বঙ্গোপসাগরের অতলে। আপনি কী জানেন, বিয়ের প্রথম রাতে কী বলেছিল মাস্টারদা তাঁর স্ত্রীকে ? তবে জেনে নিন কী ছিল সেই গোপণ তথ্য।

দিনটা ছিল মাস্টারদার বিয়ের দিন। বিয়ের রাত, মাস্টারদা এসেছেন বিয়ে করতে। বিয়ের মন্ত্র পড়া শুরু হয় নি। এমন সময় হঠাৎ পাশ থেকে একজন মাস্টারদার হাতে গুঁজে দিল একটু চিরকুট। চিরকুট পড়ে খুবই চিন্তিত ও গম্ভীর হয়ে গেলেন মাস্টারদা। গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ এসেছে কলকাতার দলের উচ্চমহল থেকে।

ফুলশয্যার রাতে নির্জন কক্ষে সহধর্মিণী পুস্পকে জানালেন, ‘তোমার কাছে আমার অপরাধের সীমা নেই। তুমি আমার অগ্নি সাক্ষী করা স্ত্রী। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তুমিই আমার স্ত্রী থাকবে। দলের গুরুত্বপূর্ণ কাজে আমার ডাক এসেছে আজই। তাই তোমার কাছ থেকে আমাকে বিদায় নিতে হবে।’

তবে পুস্প কোন সাধারণ নারী ছিল না। একেই বলে মাস্টারদার যোগ্য স্ত্রী। অশ্রুসিক্ত নয়নে মাস্টারদাকে বিদায় দিয়েছিলেন নব বিবাহিতা স্ত্রী পুস্প। কষ্ট বুকে চেপে রেখে হ্যাঁ বলেছিল পুষ্প। কেননা স্ত্রী জানতেন তাঁর স্বামী প্রাণ নিয়ে আর ফিরতে পারবেন কী না! এটা নিয়ে সংশয় রয়েছে। শুধু আলতো হেসে জিজ্ঞেস করেছিলেন মাস্টারদার চিঠি পাবে কিনা।উত্তরে মাস্টারদা বলেছিলেন, ‘হ্যাঁ’।

কথা রেখেছিলেন মাস্টারদা। অবশ্য চিঠি আসতো পুস্পর কাছে, খুব গোপনে। সে চিঠি শুরু হতো ‘ স্নেহের পুস্প’ দিয়ে আর শেষ হতো ‘তোমার ই সূর্য দিয়ে’। তবে আর দেখা হয়নি স্বামী স্ত্রীর?

একবার শেষ দেখা হয়েছিল তবে মৃ্তু অবস্থায় দেখতে পেয়েছিল পুপ্সকে। পুস্প যখন নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত, মৃত্যু পথযাত্রী, সূর্য সেন তখন জেলে। প্যারোলে কয়েক ঘণ্টার জন্য ছাড়া পেয়ে স্নেহের পূস্পকে দেখতে এসেছিলেন মাস্টারদা। কিন্তু তার আগেই জীবনদীপ নিভে গেছে পূস্পর। তখন আবেগে ফেটে পড়েন নি মাস্টারদা। শুধু দীর্ঘশ্বাস ফেলেছিলেন। কেননা তাঁর জীবনের একটা অংশ চলে গেলেও তাঁকে তো বেঁচে থাকতে হবে ভারত মাতার জন্য, দেশকে মুক্ত করার জন্য। যখনই বন্দে মাতরম ধ্বনি ওঠে তখন তখনই মহাসাগরের অতল তলায় বসে হাসেন মাস্টারদা।

কারও ‘ছত্রছায়ায়’ থাকব না, নাম না করে গম্ভীরকে খোঁচা অধিনায়ক শ্রেয়সের

বিজেপি কর্মীদের মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি, গ্রেফতার তৃণমূল নেতা

শনিবার পর্যন্ত কত লক্ষ মহিলার অ্যাকাউন্টে গেল ৩ হাজার টাকা? জানালেন শুভেন্দু

অরূপ বিশ্বাসের বাড়ির দরজায় মেসি-কাণ্ডে জেরা করতে চেয়ে নোটিস টাঙিয়ে দিল পুলিশ

ইজরায়েলে লোকনাথ মন্দির গড়ার আবেদন নিয়ে চাকলা ধামে নেতানিয়াহুর উপদেষ্টা

শরীর সুস্থ ও ফিট রাখতে সাইকেল চালান, পরামর্শ ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথের

​সাগরদিঘিতে একই পরিবারের ৫ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী গ্রেফতার

‘সংকল্পপত্রের সকল প্রতিশ্রুতি পূরণ করা হবে’, ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা সহ দক্ষিণের ৪ জেলাতে ধেয়ে আসছে প্রবল দুর্যোগ, জারি লাল সতর্কতা

যুদ্ধের দামামা, ভারত সীমান্তে আচমকা ৬০ হাজার বিজিবি সদস্য মোতায়েন তারেক সরকারের

বিজেপি বিরোধিতার পথ থেকে সরছে সিপিআইএম, ‘ইন্ডিয়া’ জোট ছাড়ছে বেবির দল

বিশ্বকাপ দলে ঠাঁই হয়নি, মনের দুঃখে হার্ভার্ডে কোর্স করতে গেলেন ফরাসি ফুটবলার

অমরনাথ যাত্রায় এবার হাই-টেক নিরাপত্তা, কিউআর কোড স্ক্যান করলেই মিলবে ভক্তদের তথ্য

যোগী রাজ্যে মাংস খেতে অস্বীকার করায় ভয়ঙ্কর পরিণতি হিন্দু যুবকের