Durand Cup Derby: সাহালের গোলে ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে জয়ী মোহনবাগান

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলকাতা ডার্বিতে ফের মোহনবাগানের কাছে হার মানল ইস্টবেঙ্গল। শনিবার (২৫ জুলাই) যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপে  ম্যাচের ৫২ মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেছেন মোহনবাগানের সাহাল আব্দুল সামাদ। দ্বিতীয়ার্ধে একাধিক আক্রমণ তুলে আনলেও কাজের কাজ করতে পারেননি হাবাসের শিষ্যরা।

এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঢেউ তুলতে থাকে মোহনবাগান। আট মিনিটের মাথায় বিপিন সিংয়ের ফাউলের কারণে বক্সের বাঁ-দিকে ফ্রি-কিক পায় মোহনবাগান। যদিও সেট-পিস থেকে সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি সবুজ-মেরুনের খেলোয়াড়রা। ১৪ মিনিটে মাঝমাঠে আপুইয়াকে বাজে ভাবে ট্যাকল করেছিলেন জিকসন সিং। ফ্রি-কিক পেয়েছিল মোহনবাগান। তবে সে সুযোগ কাজে লাগেনি। ১৬ মিনিটে মোহনবাগানের অনিরুদ্ধ থাপা ডান দিক থেকে বক্সে নিখুঁত ক্রস তুলেছিলেন। তবে বল  বিপদমুক্ত করে দেয় ইষ্টবেঙ্গলের রক্ষণ ভাগের খেলোয়াড়রা। ম্যাচের ২০ মিনিটে ডান প্রান্তে বিপিন সিংয়ের উদ্দেশে লম্বা বল বাড়ানো হয়। সেই বল ধরে বক্সের মধ্যে সতীর্থকে খুঁজে পাস দেওয়ার চেষ্টা করেন বিপিন। তবে মেহতাব সিং সেই আক্রমণ ভেস্তে দেন। ম্যাচের ২৪ মিনিটে ডান দিক দিয়ে মনবীর সিং-কে বল বাড়ান সাহাল আব্দুল সামাদ। মনবীরও নিখুঁত ক্রসে সাহালকে খুঁজে নেন। হাফ-ভলিতে শট নেন সাহাল। কিন্তু শটটি জিকসন সিংয়ের ডান হাতে লাগে। সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির আবেদন জানায় মোহনবাগান শিবির। তবে রেফারি তাতে কর্ণপাত করেননি।

২৭ মিনিটে  ডেভিডকে দুর্দান্ত থ্রু বল বাড়ানো হয় বক্সের মধ্যে। ডান দিকে কাট ব্যাক করে শট নেন তিনি। তবে রাহুল ভেকে অসাধারণ স্লাইডিং ট্যাকলে সেই শট ব্লক করে দেন। ৩৩ মিনিট নাগাদ মাঝমাঠে ডেভিডের কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে দ্রুত পাল্টা আক্রমণে ওঠার চেষ্টা চালিয়েছিলেন আপুইয়া। তবে রেফারি খেলা থামিয়ে ফাউলের বাঁশি বাজান। ৩৮ মিনিটে বিপিন সিংয়ের দারুণ মাপা পাসে ডান প্রান্তে ফাঁকা জায়গায় বল পান লালচুংনুঙ্গা। ইস্টবেঙ্গল ডিফেন্ডার সঙ্গে সঙ্গে বক্সে ক্রস তোলেন। তবে মেহতাব সিং অসাধারণ ভাবে হেড করে বল কর্নারের জন্য বাইরে পাঠিয়ে বিপদ সামাল দেন। প্রথমার্ধের শেষ লগ্নে ৪৫ মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে সরাসরি গোলের উদ্দেশে শট নেন লিস্টন কোলাসো। তাঁর সেই শট ইস্টবেঙ্গলের খেলোয়াড়দের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে ডান দিকের পোস্টের বাইরে চলে যায়। গোলশূন্যভাবেই সেষ হয় প্রথমার্ধের খেলা।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই গোলের জন্য ঝাঁপায় মোহনবাগান। তবে ৪৯ মিনিটে দারুণ সুযোগ পেয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। নিজেদের অর্ধ থেকে বল কেড়ে নিয়ে দুর্দান্ত দৌড় শুরু করে ডান প্রান্ত ধরে এগিয়ে গিয়ে রোহিত দানুর উদ্দেশে  বল বাড়ান জয় গুপ্ত। তবে জোরে পাস হওয়াও রাহুল ভেকে সহজেই বলের দখল নিয়ে ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ রুখে দেন। ম্যাচের ৫২ মিনিটে ইস্টবেঙ্গল রক্ষণের ভুলে কাঙ্খিত গোল পায় মোহনবাগান। ইস্টবেঙ্গল বক্সের ঠিক বাইরে দুর্দান্ত প্রেসিং করে বল কেড়ে নেন কিয়ান নাসিরি। এর পর বক্সে ঢুকে ছয় গজের বক্সের সামনে বিপজ্জনক কাট-ব্যাক পাস বাড়ান তিনি। বল পৌঁছে যায় পিছনে থাকা সাহাল আব্দুল সামাদের কাছে। সামনে ফাঁকা গোল পেয়ে কোনও ভুল করেননি তিনি। গোল খাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে জোড়া পরিবর্তন করেন ইস্টবেঙ্গল কোচ।

৬৫ মিনিটে দীপক টাংরি একটি বল বাড়িয়েছিলেন মনবীর সিংকে। তবে অফসাইডের ফাঁদে পড়ে যান মনবীর। ঘড়ির কাঁটা এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে গোলশোধের জন্য চাপ বাড়ায় লাল-হলুদ শিবির। ৭০ মিনিটে গোল শোধের সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। দুর্দান্ত ড্রিবল করে বক্সে ঢুকে পড়েন এডমুন্ড। বাঁ পায়ে শট নেওয়ার ভান করে ডান পায়ে শট মারার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু তা রুখে দেন মোহনবাগানের রক্ষণ ভাগ। ফিরতি বলে পিভি বিষ্ণু বক্সের বাইরে থেকে শট নিয়েছিলেন পিভি বিষ্ণু। নিচু হয়ে আসা সেই শট দুর্দান্ত সেভ করেন বিশাল কাইথ। ৭৪ মিনিটে শুভাশিস বসুকে কাটিয়ে দুর্দান্ত ভাবে গোলের দিকে এগিয়ে যান এডমুন্ড। বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বুঝেই মোহনবাগান অধিনায়ক তাঁকে টেনে ফেলে দেন। রেফারি সঙ্গে সঙ্গেই শুভাশিসকে হলুদ কার্ড দেখান। ভাল জায়গায় ফ্রি-কিক পেলেও কাজে লাগাতে পারেননি লাল-হলুদ শিবিরের খেলোয়াড়রা।

পাঁচ মিনিট বাদে ৭৯ মিনিটে দুর্দান্ত আক্রমণ গড়ে তোলে হাবাসের শিষ্যরা। এডমুন্ড ডান দিকে বক্সের মধ্যে লালচুংনুঙ্গাকে বল বাড়ান। জোরালো শট নিয়েছিলেন লালচুংনুঙ্গা। তবে বিশাল কাইথ দারুণ দক্ষতায় সেই শট প্রতিহত করেন। ফিরতি বলে হেড করে বল ফেলেছিলেন রশিদের কাছে। বল নিয়ন্ত্রণে নিলেও দিশাহীন শটে ক্রসবারের উপর দিয়ে বল উড়িয়ে দেন। ৮৬ মিনিটে বক্সের মুখে বল ভেসে উঠতেই শট নেওয়ার জন্য ছুটে এসেছিলেন রশিদ। তবে মোহনবাগানের হয়ে অসাধারণ ডিফেন্স করেন দীপক টাংরি। পরের মিনিটে ফের সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল লাল-হলুদ শিবির। বাঁ দিক থেকে বিষ্ণু দারুণ একটি ক্রস ভাসিয়ে দেন বক্সে। কাছেই পোস্টের সামনে ছিলেন রামিরেজ। তিনি মোহনবাগানের জালে বল রাখতে পারেননি তিনি।

আঘাতের পর ফের ওয়ার্কআউট! জানুন হাঁটু সুরক্ষিত রাখার সহজ উপায়

সিজারের পর প্রসূতির পেটে তুলো-সুতো থাকার অভিযোগ, কাঠগড়ায় চিকিৎসক

অমৃতসর-নিউ জলপাইগুড়ি কর্মভূমি এক্সপ্রেসে অগ্নিকাণ্ড, দাউদাউ করে জ্বলছে চারটি কামরা

শান্তিনিকেতনের পৌষমেলায় এবারও অনলাইনে স্টল বুকিং, থাকছে বিশেষ শর্ত

স্বাদ ও পুষ্টির দারুণ ভারসাম্য! ঘরেই তৈরি করুন জনপ্রিয় বিবিমবাপ

পিচের রাস্তা যেন ক্যানভাস! ফাটাকেষ্টর কালীপুজোয় আলপনা আঁকলেন ১০০ শিল্পী

লুঙ্গি কিংবা বারমুডা পরে তারাপীঠ মন্দিরে ‘নো এন্ট্রি’, নির্দেশ কমিটির

সর্ষে অতীত, এবার ভাত পাতে রাখুন পোস্ত পাবদা, রইল রেসিপি

দীপাবলির আগে অমিতাভের ‘জলসা’য় বোমা হামলার হুমকি!

কালীপুজোর আগে দুঃসংবাদ, চাকরি হারালেন এক হাজারের বেশি যোগ্য শিক্ষাকর্মী

পুরভোটের নির্ঘন্ট প্রকাশের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ কলকাতা হাইকোর্টের

অল্প তেলেই বানিয়ে ফেলুন ফুলকপি পাতুরি, ভাত বা পরোটার সঙ্গে জমে যাবে

শনিতে এসআইআরের বিরুদ্ধে পথে নামছেন প্রকাশ রাজ

রিলসের নেশায় নৃশংস কাণ্ড! হালতুতে যুবকের গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন, গ্রেফতার ৩