সুদর্শন-বাটলারের চওড়া ব্যাটে বেঙ্গালুরুকে হারাল গুজরাত

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, বেঙ্গালুরু: বল হাতে আগুন ঝরিয়ে বিরাট কোহলিদের ১৬৯ রানে বেঁদে রেখেছিলেন মহম্মদ সিরাজরা। আর ব্যাট হাতে বেঙ্গালুরুর বোলারদের ক্লাব পর্যায়ে নামিয়ে আনলেন সাই সুদর্শন-জস বাটলাররা। দুজনের চওড়া ব্যাটে ভর করে ১৩ বল বাকি থাকতেই হাতে ৮ উইকেট নিয়ে আরসিবির বিরুদ্ধে বুধবার রাতে জয় তুলে নিল গুজরাত টাইটান্স। ৩৯ বলে ৭৩ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে অপরাজিত থেকে গেলেন বাটলার।  

এদিন চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে টসে জিতে প্রথমে বেঙ্গালুরুকে ব্যাট করতে পাঠান গুজরাত অধিনায়ক শুভমন গিল। প্রথম ওভারেই সিরাজের বলে ফিল সল্টের ক্যাচ মিস করলেন গুজরাতের উইকেটরক্ষক জস বাটলার। তবে পরের ওভারেই ধাক্কা খায় আরসিবি। আরশাদ খানের বলে ৬ রানে আউট হন বিরাট কোহলি। সেই ধাক্কা সামলানোর আগে পরের ওভারে সিরাজের বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন দেবদত্ত পাডিক্কাল। ৩ বলে ৪ রান করেন তিনি। পঞ্চম ওভারে ফিল সল্টের (১৪) উইকেট ছিটকে দেন সিরাজ। সপ্তম ওভারে ইশান্ত শর্মার বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন বেঙ্গালুরুর অধিনায়ক রজত পতিদার। ১২ বলে ১২ করে ফেরেন তিনি। তাসের ঘরের মতো টপ অর্ডার ব্যাটিং লাইন আপ ভেঙে পড়ায় থরহরিকম্প শুরু হয় বেঙ্গালুরু শিবিরে।

দলকে বিপর্যয় থেকে টেনে তোলার মরিয়া চেষ্টা চালান লিয়াম লিভিংস্টোন ও জিতেশ শর্মা। যদিও সাই কিশোরের প্রথম ওভারেই লিভিংস্টোনের সহজ ক্যাচ মিস করেন রাহুল তেওতিয়া। পঞ্চম উইকেটে যোগ হয় ৫২ রান। ভাল শুরু করেও বড় রান করতে ব্যর্থ হন জিতেশ। সাই কিশোরের বলে রাহুল তেওতিয়ার হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হয়ে যান তিনি। সাজঘরে ফেরার আগে করেন ২১ বলে ৩৩ রান। এর পর দ্রুত ফিরে যান ক্রুণাল পাণ্ড্য। ষষ্ঠ উইকেটে জুটি বেঁধে দলকে ভদ্রস্থ জায়গায় নিয়ে যান লিভিংস্টোন ও টিম ডেভি। দুজনেই আগ্রাসী মেজাজে ব্যাট করতে থাকেন। ছক্কা হাঁকিয়ে নিজের অর্ধশতরান পূর্ণ করেন ইংলিশ ব্যাটার। সেই সঙ্গে দলকে দেড়শো রানের গণ্ডি পার করিয়ে দেন। ১৯তম ওভারে বল করতে এসে লিভিংস্টোনকে (৩৯ বলে ৫৪) থামান মহম্মদ সিরাজ। শেষ ওভারে বল করতে আসেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা। ওই ওভারের প্রথম পাঁচ বলে দু্টি চার ও এক ছক্কার সাহায্যে ১৬ রান তোলেন টিম ডেভি। শেষ বলে আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। আউটের আগে ১৭ বলে ৩২ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। ভুবনেশ্বর কুমার ১ রানে অপরাজিত থাকেন।

জয়ের জন্য ১৭০ রান তাড়া করতে নেমে আগ্রাসী মেজাজেই খেলতে শুরু করেন গুজরাতর দুই ওপেনার শুভমন গিল ও সাই সুদর্শন। তবে ওই জুটি বেশিদূর এগোতে পারেনি। পঞ্চম ওভারেই ভুবনেশ্বর কুমারের বলে সাজঘরে ফেরেন শুভমন গিল। আউট হওয়ার আগে ১৪ বলে ১৪ রান করেন গুজরাত অধিনায়ক। এর পরে সুদর্শনের সঙ্গে জুটি বাঁধেন জস বাটলার। দুজনে ঠাণ্ডা মাথায় জস হেজলউলদের বোলিং নির্বিষ করে দেন। ১১.৪ ওভারে ১০০ রানের গণ্ডি পেরিয়ে যায় গুজরাত। অর্ধশতরানের দোরগোড়া থেকে ফেরেন সাই সুদর্শন। অজি বোলার হেজেলউডের বলে জিতেশ শর্মার হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। ৩৬ বলে করেন ৪৯ রান।

সাই সুদর্শন ফেরার পরে দলকে জেতানোর দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন ইংলিশ ব্যাটার জস বাটলার। চার আর ছক্কার ফুলঝুরি ছোটান। ৩১ বলেই নিজের অর্ধশতরানে পৌঁছে যান বাটলার। তাঁকে যোগ্য সঙ্গত করেন চার নম্বরে নামা শেরৌআনে রাদারফোর্ড। তিনিও ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন। শেষ পর্যন্ত ১৩ বল বাকি থাকতেই দুজনে হেসে খেলে দলকে জয় এনে দেন। ৩৯ বলে ৫টি চার ও ৬টি ছক্কার সাহায্যে ৭৩ রানে অপরাজিত থাকেন বাটলার। অন্যপ্রান্তে তিনটি ছক্কা ও একটি চারের সাহায্যে ১৮ বলে ৩০ রানে অপরাজিত থেকে যান রাদারফোর্ড। এদিন হারার সুবাদে শীর্ষস্থান খুঁইয়ে এক ধাক্কায় তিন নম্বরে নেমে গেলেন বিরাট কোহলিরা।

গ্রেফতার কলকাতার আরও এক তৃণমূল কাউন্সিলর বিশ্বজিৎ মণ্ডল

বিডিও পদ থেকেই অপসারিত জাহাঙ্গির খান ঘনিষ্ঠ শানু বক্সি

হুমায়ুন কবীরের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার, ক্ষুব্ধ নওদার বিধায়ক

‘স্যরি মাম্মি-পাপা, দ্বিতীয়বার নিট পরীক্ষায় বসার হিম্মত নেই’, সুইসাইড নোট লিখে আত্মঘাতী ছাত্রী

মেসি কাণ্ডে হাজিরা এড়ালেন প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস

ক্যামেরা দেখেই প্রেমিকা পলককে ধাক্কা, সইফ-পুত্রের আচরণে শোরগোল নেটপাড়ায়

আইপিএল জুড়ে দুহাতে আগলে রেখেছিলেন, চিনে নিন বৈভবের সেই ছায়াসঙ্গীকে

তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার তৃণমূল কাউন্সিলর মহেশ কুমার শর্মা

সাতসকালে শওকতের বাড়িতে NIA হানা, আটক প্রাক্তন বিধায়কের ছেলে

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেইনির সঙ্গে বৈঠকে বসতে চান ডোনাল্ড ট্রাম্প

আওয়ামী লীগ পুনর্গঠনে ‘বোন’ রেহানার অনুসারীদের বাদ দিচ্ছেন শেখ হাসিনা

প্রযুক্তিগত ত্রুটিতে পরিষেবায় বিঘ্ন, চরম ভোগান্তিতে মার্কিন ভিসা আবেদনকারীরা

বিশ্বাস, ইতিহাস ও ভ্রমণের এক অনন্য মেলবন্ধন, ঘুরে আসুন দেবভূমি হরিদ্বার

আমেরিকার সঙ্গে আলোচনা, শর্তসাপেক্ষে যুদ্ধবিরতিতে রাজি ইজরায়েল-লেবানন