চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

রাজ্যের মাধ্যমিক শিক্ষাকেন্দ্রের ৩৭ হাজার শিক্ষক এলেন EPF’র আওতায়

Courtesy - Facebook and Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: নিঃশব্দে বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে নিল রাজ্যের ক্ষমতাসীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) সরকার। রাজ্যের মাধ্যমিক শিক্ষাকেন্দ্রের(MSK) সহায়ক, সম্প্রসারক এবং মুখ্য সম্প্রসারকদের জন্য Employees Provident Fund বা EPF চালু করল রাজ্য সরকার। এর ফলে উপকৃত হবেন প্রায় ৩৭ হাজার শিক্ষক। দিন দুই আগেই এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে রাজ্যের স্কুলশিক্ষা দফতর(West Bengal School Education Department)। চলতি বছরের ১ এপ্রিল থেকে এই সুবিধা কার্যকর হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। রাজ্যের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর সংখ্যা প্রায় সাড়ে চার লক্ষের মতো। এরা সকলেই রয়েছেন General Provident Fund বা GPF’র আওতায়। কিন্তু মাধ্যমিক শিক্ষাকেন্দ্রের সহায়ক, সম্প্রসারক এবং মুখ্য সম্প্রসারকদের এই সুবিধা ছিল না। কিন্তু এবার থেকে তাঁরা চলে এলেন EPF’র আওতায়। উল্লেখ্য, রাজ্যের অধিকাংশ মাধ্যমিক শিক্ষাকেন্দ্রগুলি শিশুশিক্ষা কেন্দ্র হাইস্কুল নামেও পরিচিত।

আরও পড়ুন, মিলে গিয়েছে DNA, সঞ্জয় একাই ধর্ষণ করেছে মহিলা চিকিৎসককে

বাম জমানার সময় থেকেই রাজ্যের মাধ্যমিক শিক্ষা কেন্দ্র বা MSK-গুলি রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের অধীনে চলতো। এইসব শিক্ষাকেন্দ্রে পঠন-পাঠন অন্য সাধারণ স্কুলের মতোই প্রায় হত। কিন্তু, এগুলি রাজ্যের শিক্ষা দফতরের অধীনস্থ ছিল না। সেই কারণে সময়ে সময়ে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিত। রাজ্যে পরিবর্তনের পরে মুখ্যমন্ত্রী এই কেন্দ্রগুলিকে রাজ্যের শিক্ষা দফতরের অধীনে আনার সিদ্ধান্ত নেন। সেই মতো কাজও শুরু হয়। ২০২০ সালের মধ্যেই রাজ্যের সব মাধ্যমিক শিক্ষা কেন্দ্রগুলিকে রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দফতরের অধীনে আনার কাজ শেষ হয়। ওই বছরের ১ ডিসেম্বর থেকেই রাজ্যের সব মাধ্যমিক শিক্ষাকেন্দ্রগুলির প্রশাসন ও মানবসম্পদের দায়িত্ব স্কুল শিক্ষা দফতরের অধীনে চলে আসে। সেই সময় ওই শিক্ষাকেন্দ্রগুলিতে শিক্ষা সহায়ক, শিক্ষা সম্প্রসারিকা, মুখ্য শিক্ষা সম্প্রসারক প্রভৃতি নামে প্রায় ৪৩ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা ছিলেন। এখন সেই সংখ্যা কমে হয়েছে ৩৭ হাজার। এরাই এবার EPF’র আওতায় চলে এলেন।

আরও পড়ুন, পাটের বস্তার দাম বাড়াচ্ছে কেন্দ্র, উপকৃত হবেন শ্রমিক ও চাষীরা

উল্লেখ্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলেই রাজ্যের এই সব মাধ্যমিক শিক্ষাকেন্দ্রগুলির শিক্ষা সহায়ক, শিক্ষা সম্প্রসারিকা, মুখ্য শিক্ষা সম্প্রসারকদের মাসিক ভাতা সরাসরি তাঁদের নিজেদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানোর প্রক্রিয়া চালু হয়েছে। ২০১৫ সাল থেকেই তা চালু হয়েছে। তার আগেই এই ভাতা পাওয়ার জন্য মাধ্যমিক শিক্ষাকেন্দ্রগুলির শিক্ষা সহায়ক, শিক্ষা সম্প্রসারিকা, মুখ্য শিক্ষা সম্প্রসারকদের সংশ্লিষ্ট স্কুলের পরিচালন সমিতির দ্বারস্থ হতে হতো। ঘুরপথে টাকা আসায় প্রতি মাসেই ভাতা পেতে দেরি হতো তাঁদের। কখনও কখনও তা ২ মাস দেরীও হয়ে যেত। মমতার সরকার সেই সমস্যারও সুরাহা করে দিয়েছে। বাংলার বুকে ২০০০ সালে সর্বশিক্ষা মিশন প্রকল্পের আওতায় ৬ থেকে ১৪ বয়সী সবাইকে স্কুলমুখী করার উদ্দেশ্যে প্রথমে শিশু শিক্ষাকেন্দ্র, পরে ২০০৩ সালে মাধ্যমিক শিক্ষাকেন্দ্র তৈরি হয়। সেই সময় প্রতি আধ কিলোমিটারের মধ্যে প্রাথমিক স্কুল না থাকলে একটি করে শিশু শিক্ষাকেন্দ্র তৈরি করা হয়েছিল। আর প্রতি আড়াই কিলোমিটারের মধ্যে ন্যূনতম অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত স্কুল না থাকলে সেখানে মাধ্যমিক শিক্ষাকেন্দ্র গড়ে তোলা হয়।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচনে ৩০৯ জন প্রার্থী কোটিপতি, সেরা ধনী কে?‌

কোচবিহারের মদনমোহন মন্দিরে মুখ্যমন্ত্রী, নিজের হাতে থালা সাজিয়ে দিলেন পুজো

প্রথম দফায় শুভেন্দু অধিকারীর নন্দীগ্রাম-সহ ৬৬ আসনে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি

‘পদ্ম পাঁকে ফোটে, বাংলার মাটিতে ফুটবে না’, পুরুলিয়া থেকে বিজেপিকে হুঙ্কার সায়নীর

‘দাগ আচ্ছে হ্যায়’, দাগিদের প্রার্থী করায় তৃণমূলকে টেক্কা বিজেপির

বাংলায় প্রথম দফার ১৯ প্রার্থীর বিরুদ্ধে খুনের মামলা, কতজন ধর্ষণের আসামি?

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ