চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

আর জি করে ভাঙচুরের ঘটনায় SUCI’র ডাকা বনধ প্রত্যাখান করল বাংলা

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাম জমানার ৩৪ বছরে অনেক বনধ-ধর্মঘট দেখেছেন বাংলার(Bengal) মানুষ। বছরে ৫ থেকে ৬টি বনধ লেগেই থাকতো সেই সময়। আর তাতে ক্ষতিগ্রস্থ হতো রাজ্যের অর্থনীতি এবং সমাজের প্রান্তিক শ্রেনীর মানুষের রুটিরুজির মাধ্যম। পরিবর্তনের পরে সেই বাংলাকেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) বনধ-ধর্মঘটের(Strike) বাইরে নিয়ে চলে এসেছেন। তাঁর সেই সাফল্যের নেপথ্যে একদিকে ছিল যেমন শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বনধ না ডাকার সিদ্ধান্ত, তেমনি ছিল রাষ্ট্রীয় মদতে বনধ করা বন্ধ করে দেওয়া। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল রাজ্যের আমজনতার বনধ বিরোধী মনোভাব। কিন্তু দুঃখের বিষয় বিরোধীরা এখনও অবধি এই বনধের বাইরে পা রাখতে পারেনি। আর জলজ্যান্ত নমুনা, কলকাতার আর জি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভাঙচুরের ঘটনায়(R G Kar Incident) এদিন ১২ ঘন্টার বাংলা বনধ ডাকে বামপন্থী দল SUCI। তবে মন্দের ভালো এদিন সেই বনধ সজোরে প্রত্যাখান করেছেন বাংলার জনতা।

আরও পড়ুন, আর জি করে ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেফতারির সংখ্যা বেড়ে ১৯

বস্তুত গতকাল বিকালেই নবান্ন থেকে বনধের বিরোধিতায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানিয়ে দেওয়া হয়, এদিন বনধ মানা হবে না। আর এদিন সকাল থেকে রাস্তায় বার হলে দেখা যাবে পরিস্থিতি সর্বত্রই স্বাভাবিক। কেউ বনধ ডেকেছে আর সেই বনধ কেউ পালন করছে তা দেখে মনেই হবে না। তা সে শহর কলকাতা হোক কী শহরতলি, উত্তরবঙ্গ হোক কী দক্ষিণবঙ্গ। কোথাও বনধের ছিঁটেফোঁটা প্রভাব পড়েনি। যদিও এদিন সকাল থেকেই জেলায় জেলায় SUCI’র কর্মী সমর্থকরা পথে নেমেছেন বনধ সফল করতে। কোচবিহারে পুলিশ SUCI’র মিছিল আটকে দিলে ধর্মঘটীদের সঙ্গে তাঁদের প্রবল ধস্তাধস্তি শুরু হয়। বনধ সমর্থকদের গ্রেফতারও করে পুলিশ। দিনহাটায়ও বনধ সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের অশান্তি বাঁধে। উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জেও পথে নেমেছে SUCI’র কর্মী সমর্থকরা। সকাল থেকেই শহরে মিছিল, পথ আটকে বিক্ষোভ চলছে। মহাত্মা গান্ধী রোড, এনএস রোডে অবস্থান বিক্ষোভ, মিছিল। যানচলাচল ব্যাহত হয় সাময়িক ভাবে। তবে পুলিশ ধর্মঘটীদের হটিয়ে দিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করে দেয়।

আরও পড়ুন, আর জি করে ভাঙচুরের দায় রাম-বামের ঘাড়ে চাপালেন মমতা

এদিন সকালে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরের বহড়ুতে কুলপি রোড অবরোধ করেন SUCI’র কর্মীরা। দক্ষিণ বারাসত মোড়ে কুলপি রোডও অবরোধ করেন বনধ সমর্থকরা। তবে সেখানেও পুলিশের হস্তক্ষেপে অবরোধ উঠে যায়। বনধ সমর্থনকারীদের সঙ্গে মেদিনীপুরের বেলদায়ও পুলিশের বচসা বাধে। সাময়িক উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। তবে বীরভূম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়ার মতো জেলায় আবার একেবারেই বনধের প্রভাব দেখা যায়নি সকাল থেকে। মুর্শিদাবাদেও এক ছবি। রাজ্যের সর্বত্র স্বাভাবিক রয়েছে জনজীবন। অন্যান্য কর্মদিবসে যেমন গাড়ি চলাচল করে, রাস্তায় ভিড় থাকে, দোকানপত্র খোলে, সেই ছন্দ বজায় আছে শুক্রবারও। স্বাভাবিক ছন্দেই চলছে লোকাল ট্রেন, মেট্রো। রাস্তায় পর্যাপ্ত সংখ্যক বাস আছে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

প্রথম দফার ভোটের আগে ঝড়ল রক্ত, বাম কর্মীকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

মঙ্গলে শহরে ইডির হানার সম্ভাবনা, টার্গেট দক্ষিণ কলকাতার হেভিওয়েট তৃণমূল প্রার্থী!

কর্তব্যে গাফিলতি ও নিয়ম অমান্য করায় ভবানীপুরের তিন আধিকারিককে সাসপেন্ড কমিশনের

‘মিনি পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে থানা ঘেরাও বিজেপির, পুলিশের লাঠিচার্জে জখম প্রার্থী

‘জাহাজ বাড়ির মালিক’ সুফিয়ানের জামাই তথা নন্দীগ্রাম আন্দোলনের নেতা আটক, বিক্ষোভ তৃণমূলের

তৃণমূল এবং ‘আইপ্যাকের’ বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ বিজেপি সাংসদের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ