আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘বিজ্ঞাপনের জন্য আমার নাম ব্যবহার করছে বিজেপি’, দাবি মমতার

Courtesy - Facebook and Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: সোম দুপুরে তৃণমূল সুপ্রিমো তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) উত্তর ২৪ পরগনা জেলার অন্যতম মহকুমা শহর বনগাঁতে(Bongna) এক নির্বাচনী সভায় যোগ দেন। সেই সভা আয়োজন করা হয়েছিল, বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল(TMC) প্রার্থী বিশ্বজিৎ দাসের সমর্থনে। সেই সভা থেকেই মমতা বিজেপির(BJP) বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার পাশাপাশি তাঁদের নিশানা বানান সন্দেশখালির(Sandeshkhali) ঘটনা নিয়ে। একই সঙ্গে তিনি এদিন তুলে ধরেন মতুয়াদের ঠাকুরবাড়ির সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কথা। এলাকাবাসীকে আশ্বস্ত করে পেট্রাপোল স্থলবন্দরের কাজ হারানো মানুষদের কাজ ফিরিয়ে দেওয়ার প্রসঙ্গেও।

এদিন মমতা বিজেপিকে নিশানা বানিয়ে বলেন, ‘আমার নাম ব্যবহার করে বিজ্ঞাপন করছে। আর নাম পায়নি খুঁজে। সে তার মাকে বলছে, চল মোদিকে ভোটটা দিয়ে আসি। আমার বাড়িতে জল দিয়েছে। ঘেঁচু দিয়েছে। উনি জলটা দেননি। জলটা আমরা দিয়েছি। এই জলের ৭০ শতাংশ টাকা, জমি এবং রক্ষণাবেক্ষণ সব রাজ্য সরকার করে। মোদিবাবু কিচ্ছু করেনি। আপনারা নাকি বিনা পয়সায় বিদ্যুৎ পান। মোদিবাবু বলছে। পাচ্ছেন নাকি? বিনা পয়সা গ্যাস পাচ্ছেন? এ হল গ্যাস বেলুনের থেকেও বড় বেলুন। মোদির গ্যারান্টি হল ৪২০ গ্যারান্টি। মানে গ্যারান্টি নেই। নো গ্যারান্টি। সন্দেশখালির মা বোনেদের অসম্মান করার জন্য টাকা খরচ করছে, মদ দিচ্ছে, বোমা-গুলি-পিস্তল দিচ্ছে। যা ইচ্ছে করে যাচ্ছে। আমি ওদের বলি একটা  মা-বোনেদের সম্মান চলে গেলে সেই সম্মান ফিরবে না। মা-বোনেদের নিয়ে এই চক্রান্তের খেলা খেলবে না। নরেন্দ্র মোদি জেনে রাখ, আমাদের এখানে মা বোনেদের গায়ে হাত দিতে গেলে সবাই ভয় পায়। হাত দিলে তাকে জেলে থাকতে হয়। এটা তোমাদের উত্তরপ্রদেশ নয়, মধ্যপ্রদেশ নয় যে, তফসিলিদের ওপর অত্যাচারে ভারতে এক নম্বর। এটা বাংলা। এটা রবীন্দ্রনাথের বাংলা। এই বাংলায় অনেক মানুষ অনেক ধর্ম অনেক সম্প্রদায়।’

বনগাঁয় সীমান্ত বাণিজ্য সংক্রান্ত ল্যান্ডপোর্ট কেন্দ্রীয় সরকার নিজেদের অধীনে নিয়ে আসায় এবং রাজ্য সরকার তার ট্যাক্স নেওয়ায় বনগাঁ পুরসভার তরফে ল্যান্ডপোর্টের তরফে যুক্ত হাজার হাজার মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েন। সেই সূত্রেই এদিন মমতা পেট্রাপোল স্থলবন্দর প্রসঙ্গে জানান, ‘বিশ্বজিৎ যদি জেতে তবে আমি, বিশ্বজিৎ, মমতাবালা সবাই একসঙ্গে বসে একটা সিদ্ধান্ত নেব। যাতে ওদিকটাও ঠিক থাকে। আর গরীব মানুষগুলোরও কর্মসংস্থান হয়।’ মুখ্যমন্ত্রী এদিন তুলে ধরেন মতুয়াদের ঠাকুরবাড়ির সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কথাও। তিনি বলেন, ‘মমতাবালা ঠাকুরকে আমি সম্মান দিয়েছি। তাঁকে প্রার্থী করেছি। সে জিতেওছিল। বিজেপি মিথ্যা কথা বলে তাকে হারিয়ে দিয়েছে। তার পরে আমরা তাঁকে রাজ্যসভায় প্রার্থী করে সম্মান দেখিয়েছি। বড়মাকে আমরা রাজ্যের সর্বোচ্চ সম্মান বঙ্গভূষণে সম্মাণিত করেছি। ঠাকুরবাড়ির উন্নয়নেও একাধিক কাজ করেছিল।’

Published by:

Share Link:

More Releted News:

স্ট্রংরুমে ‘কারচুপি’-র অভিযোগ, প্রতিবাদে অবস্থান বিক্ষোভ কুণাল-শশীর

চন্দ্রকোনায় বজ্রপাতে প্রাণ হারাল দুই ভাই, আহত অন্তত চারজন

আদিবাসীদের সেঁন্দরা উৎসবকে কেন্দ্র করে কড়া নজরদারি বন দফতরের

ভোটগণনা কেন্দ্রের সংখ্যা আরও কমাল নির্বাচন কমিশন, কোন জেলায় কত? পডুন বিস্তারিত

পূর্ব রেলের বেশ কিছু জায়গায় কাজের জন্য সপ্তাহান্তে বাতিল একাধিক ট্রেন

কেন্দ্রীয় বাহিনীর ‘ধাক্কা’য় উদয়নারায়ণপুরে ভোটারের মৃত্যু? তদন্তে হাওড়ার জেলাশাসক

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ