বিজেপির জেলা পার্টি অফিসগুলিতে সাধারণ কর্মীদের দেখা নেই!‌ গেরুয়া শিবিরে এমন হাল কেন?‌

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: শিয়রে বিধানসভা নির্বাচন। কোমর বেঁধে নেমেছে প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। নেতা–কর্মীদের স্বপ্ন ফেরি করা হয়েছে, এবার বঙ্গে পদ্ম ফুটবেই। কিন্তু তা ফুটবে কেমন করে?‌ এই প্রশ্ন এখন উঠতে শুরু করেছে বঙ্গ– বিজেপির জেলা পার্টি অফিসগুলিতে। কারণ জেলার শীর্ষ নেতাদের আনাগোনা, ভোকাল টনিক থেকে শুরু করে নির্বাচনী কৌশল বাতলে দেওয়া সবই রয়েছে। তবে যেটা নেই সেটা হল, সাধারণ কর্মী–সমর্থকদের উপস্থিতি। এই ছবি সামনে আসতেই কপালে ভাঁজ পড়েছে পদ্ম নেতাদের বলে সূত্রের খবর।

এদিকে বিধানসভা নির্বাচনের মুখে প্রধান বিরোধী দলের রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় নেতারা ডেইলি প্যাসেঞ্জারি করতে শুরু করেছেন। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন পর্যন্ত এসেছেন এবং আসবেনও। সেখানে জেলা পার্টি অফিসগুলিতে সাধারণ কর্মী–সমর্থকরা আসা বন্ধ করে দিয়েছেন। এই ট্রেন্ড শুধু দক্ষিণবঙ্গে দেখা গিয়েছে তাই নয়, বরং উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও একই ছবি দেখা গিয়েছে। এটাই ঘুম উড়িয়ে দিয়েছে গেরুয়া শিবিরের নেতাদের বলে সূত্রের খবর।

অন্যদিকে কোচবিহারে বিজেপির জেলা পার্টি অফিসে জেলা ও রাজ্য নেতাদের ভিড় বাড়লেও নেই দলের সাধারণ কর্মী–সমর্থকদের উপস্থিতি। আলিপুরদুয়ারেও একই ছবি ফুটে উঠেছে। আবার বীরভূম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া থেকে শুরু করে পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর ২৪ পরগনার একটা অংশে দেখা যাচ্ছে সাধারণ কর্মী–সমর্থকদের উপস্থিতি নেই জেলা পার্টি অফিসগুলিতে। এই পরিস্থিতিতে জেলা পার্টি অফিসগুলিতে রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়েছে। তাতে কতটা খরা কাটবে তা নিয়ে সন্দিহান সবপক্ষই। দলের কর্মী–সমর্থকদের মধ্যে একটা চাপা ক্ষোভই এমন অবস্থা তৈরি করেছে বলে সূত্রের খবর।

তাছাড়া কেন্দ্রীয় বাজেটে বাংলার জন্য তেমন কোনও প্রকল্প বরাদ্দ হয়নি। বরং রাজ্য বাজেটে দরাজ হস্ত হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। সুতরাং প্রচারে বেরিয়ে এবং দলের কৌশল শুনে খুব কিছু লাভ হবে না। এই ধারণা থেকেই জেলা পার্টি অফিসগুলিতে সাধারণ কর্মী–সমর্থকদের যাওয়া বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তার উপর এসআইআর নিয়ে বঙ্গ–বিজেপির তেমন কোনও উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নেই। সেখানে বাংলার মানুষের স্বার্থে খোদ মুখ্যমন্ত্রীকে সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে সওয়াল করতে দেখা গিয়েছে। এটাই গ্রামবাংলার মানুষের মনে গেঁথে আছে। তাই জেলা পার্টি অফিসের নির্দেশে মানুষের দুয়ারে গিয়ে বিড়ম্বনায় পড়তে হবে। এই কারণে জেলা পার্টি অফিসে যাওয়াই বন্ধ করে দিয়েছেন সাধারণ কর্মী–সমর্থকরা বলে সূত্রের খবর।

ট্রান্সফার সার্টিফিকেট নিয়ে ঝগড়া, শিক্ষিকার বুকে ছুরি বিঁধে দিল নাবালক ছাত্র

‘রাজ্যে পর্যটন শিল্পের প্রসারে আসছে বিশেষ অ্যাপ’, জানালেন মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ

বঙ্গোপসাগরে তৈরি নিম্নচাপ! সপ্তাহান্তে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের ৩ জেলায় ভারী বৃষ্টি

হাইকোর্টে স্বস্তি মিলল না, ‘ডিজে’ মন্তব্য মামলায় ৮ জুলাই অভিষেকের গলার স্বর সংগ্রহ

‘ভুয়ো SC/ST শংসাপত্র যারা নিয়েছেন ও দিয়েছেন, উভয়কেই জেলে পুরব’, হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

কর্মীদের পাশে দাঁড়াতে হেল্পলাইন খুললেন অভিষেক, ফেরালেন পুরনো কর্মসূচি

১১ জুলাইয়ের পরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার রদবদল, বড় দায়িত্ব পেতে চলেছেন অমিত শাহ?

মেসির হাতে বিশেষ উপহার তুলে দেবেন কেপ ভার্দের প্রেসিডেন্ট, আচমকা কি হল?

২১ জুলাই ধর্মতলায় সভা নয়, তৃণমূলের দুই পক্ষকেই ‘না’ পুলিশের

রামনবমী অশান্তির মামালায় NIA-র হাতে গ্রেফতার অপরূপা পোদ্দারের স্বামী

ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জোর ধাক্কা খেলেন মমতা

বিজেপি নেতার বাড়িতে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হাজির চার যুবক, তার পর যা ঘটল শুনলে…

মুম্বই থেকে পাততাড়ি গোটালেন হার্দিক পাণ্ড্য, কোথায় গেলেন?

মাফিয়া-গুন্ডাদের‌ সাক্ষাৎ যম, অবসর নিলেন বিহারের ‘হান্টারওয়ালি ম্যাডাম’ শোভা ওহাতকর