কোচবিহার দক্ষিণ: দখলে রাখতে মরিয়া বিজেপি, ঘাসফুল ফোঁটাতে কোমর বেঁধেছে তৃণমূল

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ বিধানসভা নির্বাচনের আগে বুথস্তরের সংগঠন কার শক্তিশালী?‌ এই প্রশ্ন এখন বড় হয়ে দেখা দিয়েছে। কারণ একদিকে বিজেপি উত্তরবঙ্গের জেলাগুলি নিয়ে আত্মতুষ্টিতে রয়েছে। অপরদিকে বুথস্তর সংগঠন শক্তিশালী করতে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে কোচবিহার (‌দক্ষিণ)‌ বিধানসভা কেন্দ্র নিয়ে এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে। কোচবিহার (‌দক্ষিণ)‌ বাংলার কোচবিহার জেলার একটি সাধারণ ক্যাটেগরির বিধানসভা কেন্দ্র। এটি কোচবিহার লোকসভা আসনের অধীনে সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে একটি। ডিলিমিটেশন অনুযায়ী, এই নির্বাচনী এলাকাটি কোচবিহার ১ সম্প্রদায় উন্নয়ন ব্লকের ১০টি গ্রাম পঞ্চায়েত–সহ সমগ্র কোচবিহার পৌরসভা নিয়ে গঠিত।

এই নির্বাচনী এলাকার একটি ইতিহাস আছে। ১৯৫১ সালে অবিভক্ত কোচবিহার আসন থেকে উদ্ভূত হয়েছে দুটি কেন্দ্র। ১৯৫১ এবং ১৯৫৭ সালে প্রথম জোড়া আসন হিসেবে এখানে ভোটগ্রহণ হয়। পরে ১৯৫৭ সালের নির্বাচনের আগে এটি তিনটি আসনে বিভক্ত হয়—কোচবিহার উত্তর, দক্ষিণ এবং পশ্চিম। ১৯৭৭ সালে কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্র বাতিল করা হয় এবং ২০১১ সালের নির্বাচনের আগে উত্তর ও পশ্চিম আসনগুলি ভেঙে দেওয়া হয়। তাদের জায়গায় কোচবিহার উত্তর এবং দক্ষিণ তৈরি করা হয়। কোচবিহার দক্ষিণের ভোটাররা পরীক্ষা–নিরীক্ষার জন্য পরিচিত। ২০১১ সাল থেকে প্রত্যেকটি নির্বাচনে তিনটি ভিন্ন দলকে নির্বাচিত করেছেন। ২০১১ সালে ফরোয়ার্ড ব্লকের অক্ষয় ঠাকুর তৃণমূল কংগ্রেসের আব্দুল জলিল আহমেদকে ২,৮৬৩ ভোটে পরাজিত করে জয়ী হন। তবে তৃণমূল কংগ্রেসের মিহির গোস্বামী ২০১৬ সালে ফরোয়ার্ড ব্লকের দেবাশিস বনিককে ১৮,১৯৫ ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে জিতেছিলেন।

এই মিহির গোস্বামী পরে বিজেপিতে যোগ দেন। ২০২১ সালে নাটাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপির টিকিটে দাঁড়িয়ে জয়ী হন। তখন ভোট পেয়েছিলেন—১১১৭৪৩। আর ২০২১ সালের বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির টিকিটে কোচবিহার (‌দক্ষিণ)‌ কেন্দ্রে জয়ী হন বিজেপির নিখিলরঞ্জন দে। ভোট পেয়েছিলেন—৯১৫৬০। পরাজিত হন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী অভিজিৎ দে ভৌমিক। তাঁর প্রাপ্ত ভোট—৮৬৬২৯। ২০২৪ সালে কোচবিহার দক্ষিণে ২,৪০,৯৮০ জন নথিভুক্ত ভোটার ছিলেন, যা ২০২১ সালে ২,৩৩,৮৩৯ এবং ২০১৯ সালে ২২৩,০২৬ জন থেকে বেড়েছে। এবার এসআইআর পর্বে বহু নাম বাদ গিয়েছে বলে অভিযোগ। নাগরিকদের বিস্তর হেনস্থা এবং হয়রানির শিকার হতে হয়।

তবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর নথিভুক্ত ভোটার কতজন রইল সেটা জানা যাবে। আগে কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপি জিতেছিল নিশীথ প্রামাণিককে প্রার্থী করে। তবে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে নিশীথ প্রামাণিক হেরে যান তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী জগদীশ বর্মা বসুনিয়ার কাছে। তারপর থেকে এখানে ব্যাপক উন্নয়নের কর্মকাণ্ড ঘটে। শক্তিশালী সংগঠন গড়ে উঠেছে তৃণমূলের। তাই এবার ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন বেশ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই জেলায় তিস্তা, জলঢাকা, কালজানি এবং রায়ডাক–সহ বেশ কয়েকটি নদী রয়েছে। যা এই অঞ্চলের কৃষিকে সহায়তা করে। ১৮৮৭ সালে মহারাজা নৃপেন্দ্র নারায়ণ কর্তৃক নির্মিত কোচবিহার প্রাসাদ একটি প্রধান আকর্ষণ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

দক্ষিণ আফ্রিকায় বন্দুকবাজের হামলায় নিহত ১২, আহত একাধিক

তন্দুর ছাড়াই বাড়িতে বানান ধাবার মতো তন্দুরি আলু পরোটা

প্রশাসনিক স্তরে বড়সড় রদবদল, বিজ্ঞপ্তি জারি করল নবান্ন

মমতার বাড়ি সংলগ্ন কার্যালয়ে সিআইডি-র তল্লাশি নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ তৃণমূল

আলুর খোসা আর আবর্জনা নয়! বানিয়ে নিন ৫টি সহজ ও সুস্বাদু রেসিপি

বাড়িতে শ্মশান সামগ্রী রেখে বিজেপি নেত্রীকে খুনের হুমকি, উত্তপ্ত টাকি

বাংলার নতুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী হলেন শারদ্বত মুখোপাধ্যায়, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

নিউ টাউনের রামমন্দিরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

তৃণমূল থেকে সুবিধা পাওয়ার দিন শেষ, ইস্তফা দিলেন সন্তোষ কন্যা সুস্মিতা

আলিপুরে সরকারি অফিসে বিধ্বংসী আগুন

আফগানিস্তানে নৃশংস হামলা পাক সেনার, নিহত ১১ নিরীহ শিশুসহ ১৩

চলচ্চিত্র জগতে শোকের ছায়া, প্রয়াত কিংবদন্তি পরিচালক ভারতীরাজা

কোহলির পর আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওডিআই সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন হার্দিক

বিশ্বের প্রায় ৫০০-৬৫০ জন মহিলার শয্যাসঙ্গী হয়েছেন, চেনেন বেপরোয়া সেই ক্রিকেটারকে?