দেখতে থাকুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

মমতার ওপরেই আস্থা ডেউচা-পাঁচামির, বাড়ছে জমিদাতার সংখ্যা

নিজস্ব প্রতিনিধি: খুব দ্রুত নয়, তবে ধীর গতিতে হলেও বদলাচ্ছে ছবি। একটু একটু করে অনেকেই এগিয়ে আসছেন তাঁদের জমি বাড়ি রাজ্য সরকারের হাতে তুলে দিতে। কারণ তাঁরা বুঝেছেন এলাকায় শিল্প হলে অনেক বেকার মানুষই কাজ পাবেন সেখানে। বিরোধীদের কথায় চলে শিল্পবিরোধী আন্দোলন করলে আখেরে নিজেদের পায়ে কুড়ুল মারা ছাড়া আর কোনও কাজই হবে না। আর এই কারণেই বীরভূমে(Birbhum) ডেউচা-পাঁচামি এলাকায় কয়লা খনি শিল্প গড়ে তোলার জন্য জমিদাতাদের(Land Owners) সংখ্যা একটু একটু করে বেড়েই চলেছে। আর এই বৃদ্ধির পিছনে একটা বড় কারণ হিসাবে উঠে আসছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) ভাবমূর্তি। তাঁর কথায়, তাঁর আশ্বাসে বিশ্বাস করে, ভরসা করে, মানুষ এগিয়ে আসছেন নিজেদের জমি বাড়ি রাজ্য সরকারের হাতে তুলে দিতে। তবে এই শিল্পের বিরোধিতা যে এখনও নেই তা নয়, কিছু মানুষ এখনও সেখানে শিল্প বিরোধী আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।

বীরভূম জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায় আস্বাস ও ভরসা রেখেই এখন অনেকেই জমি বা বাড়ি সরকারের হাতে তুলে দিয়ে ক্ষতিপূরণ নিতে এগিয়ে আসছেন। প্রথম দিকে কিছু রাজনৈতিক দল ডেউচা-পাঁচামি(Deucha Pnachami) এলাকায় মানুষকে ভুল বোঝাছিল। সেই প্রক্রিয়া যে এখন বন্ধ হয়ে গিয়েছে তা নয়, সেই প্রক্রিয়া এখনও পূর্ণদমে বজায় আছে। তবে সেই আন্দোলনের পিছনে থাকা মানুষের সংখ্যা এখন ক্রমশ কমছে। কেননা সিঙ্গুরের সময় এখানকার মানুষও দেখেছিল সরকার কীভাবে জোর করে জমি অধিগ্রহণ করেছিল। কিন্তু তাঁরা এটাও দেখছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন মা-মাটি-মানুষের সরকার সেই পথে হাঁটা দেয়নি। রাজনৈতিক স্তরে বিরোধীতা সত্ত্বেও এই সরকার মানুষের ওপরেই ভরসা রাখছে। জোর দিচ্ছে আলোচনার ওপর। জোর দেওয়া হচ্ছে পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের ওপর। ইতিমধ্যেই যে সব পরিবার জমি বা বাড়ি সরকারের হাতে তুলে দিয়েছেন তাঁদের পরিবারের একজন করে সদস্যকে সরকারি চাকরিও দেওয়া হয়েছে। আগামি দিনে সেই সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে।

তবে উল্লেখযোগ্য ঘটনা হল, ডেউচা-পাঁচামি এলাকায় কয়লাখনি শিল্প গড়ে তোলার জন্য আগে পাথর খাদান ও ক্রাশার মালিকেরা যেভাবে বিরোধীতা শুরু করেছিলেন এখন তাঁরা সেই অবস্থান থেকে সরে এসেছেন। এরাই কিন্তু এলাকার আদিবাসী মানুষদের ভুল বোঝাছিলেন যে কয়লাখনি শিল্প হলে পাথর খাদান বন্ধ হয়ে যাবে, আদিবাসীরা জমি ও কাজ হারাবে। এখন কিন্তু ক্রমশ সেই মানসিকতার পরিবর্তন ঘটছে। এখন পাথর খাদান ও ক্রাশার মালিকেরাও রাজ্য সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা করা শুরু করে দিয়েছেন। তাঁরাও বুঝেছেন এলাকায় কয়লাখনি শিল্প গড়ে উঠলে এলাকার তো বটেই গোটা বীরভূম জেলার ছবিটা বদলে যাবে। আর ঘটনা হল পাথর খাদান ও ক্রাশার মালিকেরা তাঁদের অবস্থান বদল করতেই শিল্পবিরোধী আন্দোলনও গতি হারাচ্ছে। আন্দোলনের পিছনে থাকা মানুষের সংখ্যা কমছে দ্রুত হারে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

বিজেপিকে রুখতে মমতার পাশে কেজরিওয়াল, তৃণমূলের প্রার্থীদের হয়ে প্রচারে আসছেন আপ সুপ্রিমো

নৈহাটিতে তৃণমূলপন্থী ক্লাবে বসে ভোটার স্লিপ বিলি! BLO-কে হাতে নাতে ধরল বিজেপি

যাদবপুরে নাবালিকাকে দেড় বছর ধরে আটকে রেখে যৌন নিগ্রহ, ধৃত যুবক

‘২৫০ আসন পাবে তৃণমূল,’ প্রথম দফার ভোটের পরেই ভবিষ্যদ্বাণী ইউসুফ পাঠানের

পাঁশকুড়ায় ইভিএম বদলে দেওয়ার অভিযোগ বিজেপি প্রার্থীর, চাঞ্চল্য

ময়নায় ইভিএম মেশিন বুথ থেকে নিয়ে যাওয়ার সময় বিজেপির হামলা, ১০ জন তৃণমূল এজেন্ট আহত

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ