চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

সিভিক ভলান্টিয়ার–ভিলেজ পুলিশ–গ্রিন পুলিশদের নিয়ে নয়া নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ হাতে আর তিন‌দিন বাকি। তারপরই গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করবেন বাংলার মানুষ। বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট ২৩ এপ্রিল। আজ, সোমবার সিভিক ভলান্টিয়ার–ভিলেজ পুলিশ–গ্রিন পুলিশদের নিয়ে কড়া নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। বিধানসভা নির্বাচনের আর মাত্র তিনদিন বাকি থাকতে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের পক্ষ থেকে একগুচ্ছ কড়া নির্দেশিকা জারি করা হল। নির্বাচনের কাজে ব্যবহার করা যাবে না সিভিক ভলান্টিয়ারদের। সোমবার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এই নিয়ে এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

এদিকে রাজ্যে সমস্ত ভলান্টিয়ারদের রিজার্ভ পুলিশ লাইনে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যে সুষ্ঠ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট করার লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তার ফলে নির্বাচন চলাকালীন নানা কাজ সামলাতে সমস্যা হতে রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনকে। রাজ্যের সিভিক ভলান্টিয়র, ভিলেজ পুলিশ এবং গ্রিন পুলিশদের নিয়ে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ, ভোটের তিনদিন আগেই এই কর্মীদের ‘রিজার্ভ লাইনে’ পাঠিয়ে দিতে হবে। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কোনওভাবেই ব্যবহার করা যাবে না। আর তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনকে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগেও একাধিক নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন একই ধরনের নির্দেশ দিয়েছিল।

অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সকল সিভিক পুলিশ, ভিলেজ পুলিশ ও গ্রিন পুলিশদের ভোটগ্রহণের দিনের তিনদিন আগে রিজার্ভ পুলিশ লাইনে পাঠাতে হবে। রিজার্ভ পুলিশ লাইনে থাকাকালীন, সিভিক পুলিশরা নির্বাচন সংক্রান্ত বা অন্য কোনও বিষয়ে কোনও দায়িত্ব পালন করতে বা কোনও কার্যকলাপে জড়িত থাকতে পারবেন না। রিজার্ভ পুলিশ লাইনে মোতায়েন থাকাকালীন তারা অন্যান্য নির্বাচন ছাড়া কাজের দায়িত্ব পালন করবেন। তবে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ওই সমস্ত কর্মীরা তাঁদের ভোটগ্রহণের দিন ইউনিফর্ম ছাড়া সাধারণ পোশাকে ভোট দিতে আসতে পারবেন।

এছাড়া নির্বাচন কমিশনের আশঙ্কা, এই কর্মীরা যদি ভোটের দিন ইউনিফর্ম পরে কর্তব্যরত থাকেন তাহলে তাঁরা ভোটারদের প্রভাবিত করতে পারেন বা পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ উঠতে পারে। বিরোধীদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ ছিল, সিভিক ভলান্টিয়রদের একাংশ রাজনীতির কাজে ব্যবহৃত হয়। রাজ্য পুলিশ ডিরেক্টরেটের ২০১৮ সালের তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে এক লক্ষ ২০ হাজারের বেশি সিভিক ভলান্টিয়ার আছে। এই সিভিক ভলান্টিয়ার, গ্রিন পুলিশ এবং ভিলেজ পুলিশরা ট্র্যাফিক নিয়ন্ত্রণ এবং স্থানীয় থানাগুলিকে সহায়তা করা–সহ নানা দায়িত্বে নিযুক্ত আছেন। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময়ও ভোটের কাজে সিভিক ভলান্টিয়ার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল নির্বাচন কমিশন।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

শেক্সপিয়ার সরণীর গঙ্গা – যমুনা অ্যাপার্টমেন্টের বাসিন্দাদের ঘরে ঘরে প্রচারে মমতা

‘ডাল মে কুছ কালা..’, কলকাতায় গোপন বৈঠক আধা সেনার শীর্ষ কর্তাদের

রক্ত দিলে স্বাধীনতা দেব বলেছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ, যোগীর মন্তব্য বিতর্ক চরমে

নন্দীগ্রামে কেন্দ্রীয় বাহিনীর হাতে আক্রান্ত পরিযায়ী শ্রমিক সহ গ্রামবাসীরা

বুলডোজার নীতিতে বিশ্বাসী নই, যোগী আদিত্যনাথের উল্টো সুর শমীকের গলায়

নন্দীগ্রামের বিজেপি নেতার ‘অশ্লীল ভিডিও’ ভাইরাল, পাল্টা কটাক্ষ তৃণমূলের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ