চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

বুলডোজার নীতিতে বিশ্বাসী নই, যোগী আদিত্যনাথের উল্টো সুর শমীকের গলায়

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ হাতে আর তিন‌দিন বাকি। তারপরই গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করবেন বাংলার মানুষ। বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট ২৩ এপ্রিল। আপনি কি একজন চলচ্চিত্রপ্রেমী? প্রশ্নটি বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে অস্বস্তিতে ফেলে দেয়। তিনি তখন বঙ্গ বিজেপির হয়ে প্রচারে নামতে চলা তারকাদের তালিকা দিচ্ছিলেন। কিন্তু শেষে উত্তর দিলেন, থিয়েটারের জগতেই তিনি বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন এবং যখন কাজের চাপ কিছুটা কম ছিল, তখন তিনি নিজেও সক্রিয় অংশগ্রহণ করতেন। তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বুদ্ধিদীপ্ত ও বাগ্মী হিসেবে বর্ণনা করেন—তবে এই মূল্যায়ন, যা রাজনৈতিক মতপার্থক্য নির্বিশেষে সর্বত্রই শ্রদ্ধার দাবি রাখে।

এদিকে শমীক ভট্টাচার্যকে দেখা গিয়েছে, অত্যন্ত ধৈর্যের সঙ্গে একের পর এক দলীয় কর্মীদের কথা শুনছেন। বিজেপির সাংগঠনিক তৎপরতাকে তৃণমূল কংগ্রেসের সেই অভিজ্ঞ ও পোড়খাওয়া নির্বাচনী যন্ত্রের সঙ্গে তুলনা করতে বলা হলে তিনি ক্ষণিকের জন্য থমকে যান। এরপর বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, ‘‌আমাদের পরিকল্পনা ইতিমধ্যেই প্রস্তুত। ২০১১ সালে যে বছর তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের সাংগঠনিক দুর্বলতা থাকা সত্ত্বেও বামফ্রন্টকে ক্ষমতাচ্যুত করে নিরঙ্কুশ জয় ছিনিয়ে এনেছিল সেটাও আমরা দেখেছি। এই নির্বাচন হল ‘জনতা বনাম মমতা’‌। দার্জিলিং থেকে মালদা—উত্তরবঙ্গের সমগ্র অঞ্চল থেকেই তৃণমূল কংগ্রেস নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। পাহাড়ের মানুষ ঐতিহাসিকভাবেই বঞ্চনা, প্রতারণা এবং সাংস্কৃতিক অবজ্ঞার শিকার হয়েছেন।’‌

অন্যদিকে শমীক ভট্টাচার্য অকপটে স্বীকার করেন যে, কলকাতায় বিজেপির পারফরম্যান্স বরাবরই দুর্বল ছিল। আর এখানে মোট ১০৯টি আসন রয়েছে। এরপরই বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ বলেন যে, ‘‌এবার দল অনেক ভাল ফলাফল করবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরও এবার একটি কঠিন লড়াইয়ের ক্ষেত্র হয়ে উঠছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হয়তো ইতিমধ্যেই তাঁর শেষ নির্বাচনী মনোনয়নটি জমা দিয়ে ফেলেছেন। জঙ্গলমহল ২০২১ সালে বিজেপির জন্য একটি বিশেষ আশার জায়গা ছিল। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে সেখানে যে ধাক্কা বা বিপর্যয়ের সম্মুখীন হতে হয়েছিল সেটা থেকে দল শিক্ষা গ্রহণ করেছে। দল ১৭৫টিরও বেশি আসন জয় করতে পারে। রাজ্যজুড়েই এখন পরিবর্তনের একটি জোরালো হাওয়া বইতে শুরু করেছে।’‌

এছাড়া অনেক জনমত সমীক্ষায় উঠে আসছে, ২৯৪ আসনের বিধানসভায় বিজেপি হয়তো ১২০টি আসনে জয়লাভ করতে পারে। তখন শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‌হরিয়ানা ও দিল্লিতে, যেখানে দল নির্বাচনের আগের সমস্ত সমীক্ষাকেও ছাপিয়ে গিয়েছিল। মোদি ও শাহের শেষ মুহূর্তের জোর প্রচেষ্টা দলকে সংখ্যাগরিষ্ঠতার গণ্ডি পার করিয়ে দেবে। ‘বুলডোজার মডেল’–এর পরিবর্তে ‘বাংলা মডেল’–এর উন্নয়ন হবে। এমন এক মডেল, যার শিকড় রয়েছে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এবং বিধানচন্দ্র রায়ের ঐতিহ্যে। যাঁদের একজন ছিলেন স্বাধীনতার পর রাজ্যের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী এবং অন্যজন ছিলেন বাংলার মাটি থেকে উঠে আসা কংগ্রেসের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় নেতা।’‌

Published by:

Share Link:

More Releted News:

নির্বাচন কমিশনের সম্ভাব্য গ্রেফতারের তালিকায় কারা?‌ আদালতকে জানাল তৃণমূল

শেক্সপিয়ার সরণীর গঙ্গা – যমুনা অ্যাপার্টমেন্টের বাসিন্দাদের ঘরে ঘরে প্রচারে মমতা

‘ডাল মে কুছ কালা..’, কলকাতায় গোপন বৈঠক আধা সেনার শীর্ষ কর্তাদের

‘বাঙালি’ ওসিদে’র চাকরি খেয়ে নেওয়ার হুমকি ‘অবাঙালি’ মনোজ আগরওয়ালের

সিভিক ভলান্টিয়ার–ভিলেজ পুলিশ–গ্রিন পুলিশদের নিয়ে নয়া নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

২৮ এপ্রিল পর্যন্ত ইডি হেফাজতে ব্যবসায়ী জয় কামদারকে রাখার নির্দেশ আদালতের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ