কেন্দ্র দিয়েছে ৩,১২৩ কোটি টাকা, খরচ হয়েছে মাত্র ৮৪৮ কোটি, ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী

পঞ্চদ্বশ অর্থ কমিশনের সুপারিশ মেনে কেন্দ্রীয় সরকার এখনও পর্যন্ত বাংলাকে ৩,১২৩ কোটি টাকা দিয়েছে। অথচ খরচ হয়েছে মাত্র ৮৪৮ কোটি ৯৩ লক্ষ টাকা।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যে একের পর এক কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। কিন্তু যে সব প্রকল্পে সেই টাকা পাঠানো বন্ধ হয়েছে, সেই সব প্রকল্প কিন্তু বাংলায়(Bengal) বন্ধ হয়ে যায়নি। বরং মানুষ যাতে অসুবিধার সন্মুখিন না হন তার জন্য রাজ্য সরকার নিজ কোষাগার থেকে টাকা খরচ করে সেই সব প্রকল্পের কাজ চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এতে চাপ বাড়ছে রাজ্যের কোষাগারেও। এই অবস্থায় কেন্দ্র থেকে যেটুকু টাকা আসছে বা এসেছে তার যথাযথ ব্যবহার চান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। কিন্তু এখন তিনি চূড়ান্ত ক্ষুব্ধ রাজ্যের জেলা পরিষদগুলির ওপর। কেননা পঞ্চদ্বশ অর্থ কমিশনের(15th Finance Commission) সুপারিশ মেনে কেন্দ্রীয় সরকার এখনও পর্যন্ত বাংলাকে ৩,১২৩ কোটি টাকা দিয়েছে। অথচ চলতি বছরের জুন মাস পর্যন্ত সেই অর্থের মাত্র ২৭.১৮ শতাংশ টাকাই খরচ করতে পেরেছে জেলা পরিষদগুলি। টাকার অঙ্কে খরচ হয়েছে মাত্র ৮৪৮ কোটি ৯৩ লক্ষ টাকা। আর তাতেই ক্ষুব্ধ হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রায় ২ হাজার ২৭৪ কোটি ৭ লক্ষ টাকা জেলা ট্রেজারিতে পড়ে রয়েছে মাসের পর মাস।

নবান্ন থেকে প্রাপ্ত তথ্য বলছে, পঞ্চদ্বশ অর্থ কমিশনের পাঠানো টাকা খরচে সব চেয়ে বেশি পিছিয়ে আছে উত্তর ২৪ পরগনা আর মুর্শিদাবাদ জেলা। এই দুই জেলা বরাদ্দ অর্থের মাত্র ২০ শতাংশের সামান্য বেশি টাকা খরচ করেছে। বরাদ্দ টাকার ২৫ শতাংশের কম টাকা খরচ করেছে রাজ্যের ১০টি জেলা। এই জেলাগুলি হল – দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা, বাঁকুড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, হাওড়া, পূর্ব মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদ ও উত্তর ২৪ পরগনা। সবচেয়ে বেশি খরচ হয়েছে কোচবিহার জেলায়। ৪৮.০৮ শতাংশ। অর্থ কমিশনের এই টাকার ৬০ শতাংশ নির্দিষ্ট পরিকল্পনা মেনে খরচ করার জন্য শর্তাধীন তহবিল বা টায়েড ফান্ডে(Tied Fund) বরাদ্দ করে। যা পানীয় জল, স্যানিটেশন প্রকল্পে খরচ করা হয়। এজন্য গ্রাম পঞ্চায়েতগুলিকে প্রতি বছর জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে নির্দিষ্ট প্রকল্প অনুমোদনের জন্য দিতে হয়।

বাকি ৪০ শতাংশ টাকা আনটায়েড ফান্ড(Untied Fund) বা নিঃশর্তধিন তহবিলে বরাদ্দ করা হয়। এই তহবিলের টাকা খরচে গ্রাম পঞ্চায়েতগুলির স্বাধীনতা রয়েছে। এই টাকা মূলত গ্রামীণ পরিকাঠামো(Rural Infrastructure Development) বিকাশে খরচ হয়। গ্রামীণ এলাকার সমষ্টিগত উন্নয়নে সেই টাকা খরচ করতে হয়। বেতন, প্রশাসনিক বা পরিবহণ সংক্রান্ত কাজে এই টাকা খরচ করা যায় না। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও গ্রামীণ উন্নয়নের টাকা খরচ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। টেন্ডার এর নামে টাকা নিয়ে চলে যাওয়া হচ্ছে বলেও সরব হয়েছিলেন। তারপর পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা খরচ নিয়ে যে তথ্য সামনে এসেছে তাতে রীতিমত ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী। কেননা রাজ্যের সব জেলা পরিষদ এবং শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদ রয়েছে তৃণমূলের দখলে। তাই রাজনৈতিক ভাবেও এই অর্থ খরচ না করতে পারার দায়ভার তৃণমূল কংগ্রেসও পুরোপুরি এড়িয়ে যেতে পারে না।

পেটের এই লক্ষণগুলি অবহেলা নয়, হতে পারে পাকস্থলীর ক্যানসার

মশা তাড়াতে বাড়িতে রাখুন এই ৪ গাছ, প্রাকৃতিক উপায়েই কমবে উপদ্রব

ডায়েট রুটিনে সকালের ব্রেকফাস্টে রাখুন ডিমের স্যালাড, রইল রেসিপি

রেস্তোরাঁর স্বাদ এবার বাড়িতেই! বানিয়ে নিন কলকাতার স্টাইলে চিলি চিকেন

মৌরি-জিরে জল খেয়ে ওজন কমাচ্ছেন? জেনে নিন ৬ উপকারিতা

বর্ষায় ফ্রিজে রাখছেন এই ৫ ফল! নষ্ট হতে পারে স্বাদ ও গুণমান?

কারাগারের সেল থেকে ফাঁসির মঞ্চ, স্বাধীনতা দিবসে ঘরে দেখুন আলিপুর মিউজিয়াম

NRS-এ নার্সের মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় রহস‍্যমৃত‍্যুর মামলা রুজু করল লালবাজার

স্বাধীনতা দিবসে মেট্রোয় রদবদল, কোন লাইনে কত ট্রেন? জেনে নিন সময়সূচি

নেতাজিকে অপমান, অনন্ত মহারাজের বঙ্গবিভূষণ কেড়ে নিল শুভেন্দুর সরকার

সিলেবাসে আগামী শিক্ষাবর্ষেই শ্যামাপ্রসাদকে নিয়ে অধ্যায়, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

অর্থ কষ্টে ভুগছেন? দুহাতে রোজগার করতে মানিব্যাগ থেকে আজই সরান এই জিনিসগুলি

পর্যটন দফতরের ওয়েবসাইটে মহাপ্রভুর জন্মস্থান হিসেবে নবদ্বীপের সঙ্গে মায়াপুরের নাম, বিতর্ক

৭০০০mAh ব্যাটারি সহ 5G স্মার্টফোন! কত টাকায় মিলবে Realme 16x?