চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘নোবেল দেওয়া উচিত’, সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর মমতার নিশানায় সিপিএমের বিকাশরঞ্জন  

নিজস্ব প্রতিনিধি: সুপ্রিম কোর্টে যোগ্য অযোগ্য বাছাই হল না। তাই কোনও ঝামেলা না রেখে শীর্ষ আদালত রায় দিয়েছে ২০১৬ সালের গোটা প্যানেল বাতিলের। প্যানেল বাতিল মানে ২৬ হাজার শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মী চাকরি হারালেন। রায় ঘোষণার পর তড়িঘড়ি নবান্নে শিক্ষা আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক সারলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
বৈঠকের প্রায় শেষ লগ্নে এসে মুখ্যমন্ত্রী কার্যত ধুয়ে দিলেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যকে। সুপ্রিম কোর্টের এই রায় দানের জন্য তাঁকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে কটাক্ষের সুরে বিকাশরঞ্জনকে “বিকাশবাবু পৃথিবীর বৃহত্তম আইনজীবী। তাঁকে নোবেল দেওয়া উচিত। আমি তার জন্য রেকমেনডেশন পাঠাব।”-আক্রমণ করতে দেখা গেল তাঁকে।
বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য সম্পর্কে মমতা বলেন, “আমি অবাক হয়ে যাই, এখানে কেসটা করেছিলেন কে? বিকাশবাবু। তিনি তো পৃথিবীর সবথেকে বৃহত্তম আইনজীবী। তিনি কেন এখনও নোবেল প্রাইজ পাচ্ছেন না জানি না। পাওয়া উচিত। ভাবছি একটা রেকমেনডেশন করব।”
একা সিপিআইএম নয়, কটাক্ষে বিঁধেছেন বিজেপিকে। মুখ্যমন্ত্রীর নিশানায় এদিন ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁর প্রসঙ্গ উত্থাপন করে, “এতগুলো মানুষের চাকরি যাওয়ার পর বিজেপির মন্ত্রী সুকান্তবাবু বলছেন, অযোগ্যদের জন্য যোগ্যদের চাকরি গিয়েছে, এর জন্য আমি নাকি দায়ী! তো যখন আপনারা প্রথম কেস করলেন, তখন একবারও ভাবলেন না কারা যোগ্য আর কারা অযোগ্য? সেটা তো সরকারকে ভাবতেও দিলেন না। আপানারা নিজে যোগ্য তো? সব সময়ে বাংলাকে কেন টার্গেট করা হবে? আমার তো এখনও এক লক্ষ পদ ফাঁকা রয়েছে। শুধু এই কেসটার জন্য আমরা করতে পারছিলাম না। যেহেতু এটা বিচারাধীন ছিল। আগে এর উত্তর সামনে আসুক।”
সিপিআইএমের আমলে হওয়া ‘চিরকূটে চাকরি’ প্রসঙ্গ উঠে এসেছে এদিন ক্রুদ্ধ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যে। সিপিএমের লোকাল কমিটির প্যাডের কাগজে লেখা চাকরির সুপারিশপত্র নিয়ে গোল বেঁধেছিল আগেই। ২০০৭ সালের একটি চিরকূটে নাম জড়ায় তৎকালীন সাংসদ তথা সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর নামও। এদিন সেই চিরকূট প্রসঙ্গ আবারও তোলেন মমতা। তাঁর আশঙ্কা, “এডুকেশন সিস্টেমটা কি কোলাপস করতে চাইছে বিজেপি সিপিএম? সিপিএম নিজের আমলে কী করত? চিরকূটে চাকরি দিত। গণশক্তিতে যতজন রিপোর্টার রয়েছে, তাঁদের স্ত্রীকে চাকরি দেওয়া হয়েছে চিরকূটে। তার তদন্ত হয় না?”
এই মামলার ক্ষেত্রে বিচার ব্যবস্থার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সঙ্গে এও জানিয়েছেন যে এই রায় মেনে নিতে পারছেন না।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

প্রথম দফার ভোটের আগে ঝড়ল রক্ত, বাম কর্মীকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

মঙ্গলে শহরে ইডির হানার সম্ভাবনা, টার্গেট দক্ষিণ কলকাতার হেভিওয়েট তৃণমূল প্রার্থী!

কর্তব্যে গাফিলতি ও নিয়ম অমান্য করায় ভবানীপুরের তিন আধিকারিককে সাসপেন্ড কমিশনের

‘মিনি পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে থানা ঘেরাও বিজেপির, পুলিশের লাঠিচার্জে জখম প্রার্থী

‘জাহাজ বাড়ির মালিক’ সুফিয়ানের জামাই তথা নন্দীগ্রাম আন্দোলনের নেতা আটক, বিক্ষোভ তৃণমূলের

তৃণমূল এবং ‘আইপ্যাকের’ বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ বিজেপি সাংসদের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ