আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘‌প্রশাসনিক নয়, উচ্চস্তরের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ’‌, নির্বাচন কমিশনকে ফের তোপ মমতার

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আর তারপরই প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করতে শুরু করে বিরোধী দলগুলি। যদিও আংশিক প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে বিরোধীরা। সেখানে পূর্ণাঙ্গ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে তৃণমূল কংগ্রেস ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেয় বিরোধীদের। এই আবহে নির্বাচন কমিশন একের পর এক বদলি ঘটিয়েছে। পুলিশ প্রশাসনে ব্যাপক রদবদলে আগেও সরব হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর আজ, বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনকে কড়া তোপ দাগলেন মুখ্যমন্ত্রী। আজ এক্স হ্যান্ডেলে নির্বাচন কমিশনকে তুলোধনা করলেন তিনি।

পুলিশ প্রশাসনে বদলির নেপথ্যে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ রয়েছে বলে দাবি করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এমনকী এই কাজের পিছনে আঁতাত রয়েছে বলে মনে করেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ কড়া ভাষায় লেখেন, ‘‌নির্বাচন কমিশন যেভাবে বাংলাকে বেছে বেছে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে সেটা শুধু নজিরবিহীনই নয়, অত্যন্ত উদ্বেগজনক। নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারির আগেই মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, ডিজিপি, এডিজি, আইজি, ডিআইজি, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং পুলিশ সুপার–সহ ৫০ জনেরও বেশি ঊর্ধ্বতন অফিসারকে বিনা বিচারে ও স্বেচ্ছাচারীভাবে অপসারণ করা হয়েছে। এটি কোনও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, বরং এটি সর্বোচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ।’‌

 

এদিকে রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রশাসনিক রদবদল ঘিরে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আবার একবার তীব্র আক্রমণ শানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, নজিরবিহীনভাবে বাংলাকে নিশানা করছে নির্বাচন কমিশন। যা গণতান্ত্রিক কাঠামোর পক্ষে বিপজ্জনক ইঙ্গিত। আর এক্স পোস্টে নির্বাচন কমিশনকে কাঠগড়ায় তুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লেখেন, ‘‌নিরপেক্ষ থাকার উদ্দেশে গঠিত প্রতিষ্ঠানগুলির পরিকল্পিত রাজনৈতিকীকরণ সংবিধানের ওপর একটি সরাসরি আঘাত। যখন একটি মারাত্মক ত্রুটিপূর্ণ এসআইআর প্রক্রিয়া চলমান এবং ইতিমধ্যেই ২০০’‌র বেশি প্রাণহানি ঘটেছে, তখন নির্বাচন কমিশনের আচরণে স্পষ্ট পক্ষপাতিত্ব এবং রাজনৈতিক স্বার্থের কাছে এক অস্বস্তিকর আত্মসমর্পণ প্রতিফলিত হচ্ছে, যা বাংলার মানুষকে ক্রমাগত ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে।’‌

অন্যদিকে গত রবিবার পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। সেদিন থেকে এখনও পর্যন্ত ব্যাপক রদবদল হয়েছে প্রশাসনে। আর এই বিষয়টিকেই সামনে নিয়ে এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখলেন, ‘‌সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ সুস্পষ্টভাবে অগ্রাহ্য করে সম্পূর্ণ ভোটার তালিকা এখনও প্রকাশ করা হয়নি। যা নাগরিকদের উদ্বিগ্ন ও অনিশ্চিত করে তুলেছে। আইবি, এসটিএফ এবং সিআইডির মতো গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাগুলির ঊর্ধ্বতন অফিসারদের বেছে বেছে অপসারণ করে রাজ্যের বাইরে পাঠানো হচ্ছে। যা বাংলার প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে পঙ্গু করে দেওয়ার একটি পরিকল্পিত প্রচেষ্টার দিকে ইঙ্গিত করছে।’‌

তাছাড়া এই রদবদলের পদক্ষেপের বিরোধিতা করে আগেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে কড়া চিঠি দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে তাতে কোনও লাভই হয়নি। তাই এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় আবার কড়া বার্তা দিলেন ভবানীপুরের তৃণমূল প্রার্থী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, ‘‌বাংলার মানুষের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়ে বিজেপি এখন বলপ্রয়োগ, ভীতি প্রদর্শন, কারসাজি এবং প্রাতিষ্ঠানিক অপব্যবহারের মাধ্যমে রাজ্যটি দখলের চেষ্টা করছে। বাংলা লড়বে, বাংলা প্রতিরোধ করবে এবং নিজের মাটিতে বিভেদ ও ধ্বংসাত্মক অ্যাজেন্ডা চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিটি প্রচেষ্টাকে চূড়ান্তভাবে পরাজিত করবে।’‌

Published by:

Share Link:

More Releted News:

নির্বাচন মিটতেই কালবৈশাখীর দাপট! দুর্যোগের দিনে ভোটকর্মীদের পাশে রেল

দিনের শেষে মায়ের সঙ্গে কসবা কেন্দ্রে ভোট দিলেন মিমি চক্রবর্তী

‘আমি এইরকম ভোট কখনও দেখিনি’, মিত্র ইনস্টিটিউট থেকে বেরিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ মমতার

ভোটকেন্দ্রে দুর্ঘটনা, টালিগঞ্জে সিলিং ফ্যান ভেঙে আহত ভোটার

নবান্নের কুর্সিতে কাকে দেখতে চান? সপরিবারে ভোট দিয়ে যা জানালেন দেব

স্ত্রী ডোনাকে সঙ্গে নিয়ে বড়িশার জনকল্যাণ স্কুলে ভোট দিলেন সৌরভ

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ