আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘ভারতে পা রাখলে জ্যান্ত পুঁতে দেব’, বাংলাদেশের প্রাক্তন সেনা আধিকারিকদের পাল্টা হুমকি প্রাক্তন NSG কর্তার

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কে চিড় ধরতে শুরু হয়েছে। ২৪ ঘণ্টা আগেই বাংলাদেশের সেনাকর্তা চারদিনের মধ্যে কলকাতা দখলের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। শুধু তাই নয় ভারতের পাশাপাশি  উগ্রপন্থীরা নানা হুঁশিয়ারি দিচ্ছে। এই পুরো বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ দুই দেশের বাসিন্দারা। এই নিয়ে এবার মুখ খুললেন প্রাক্তন এনএসজি কর্তা দীপাঞ্জন চক্রবর্তী ।

এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দীপাঞ্জন বাবু ইউনূস সরকারকে পাল্টা হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন, ‘ কলকাতা দখল তো ছেড়ে দিন। ভারতের মাটিতে পা রাখলে ওই সীমান্তেই ভারতের মাটিতে ওদের কবর দেব। তাতে কেউ ফুল দেবে না। যদি ওদের ক্ষমতা থাকে তাহলে কলকাতার নয় আগে ভারতের সীমান্ত পার করে ওঁরা পা রাখুক।‘ পাশাপাশি বাংলাদেশের উগ্রপন্থীদের উদ্দেশ্যে প্রাক্তন এনএসজি কর্তা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন,’ ৯/১১- টুইন টাওয়ার ধ্বংসের সময় ওসামা বিন লাদেনকে আফগানিস্তান আশ্রয় দিয়েছিল। আর তাতে আফগানিস্তানের কী অবস্থা হয়েছিল তা সবার জানা। এই পুরো বিষয়টি  বাংলাদেশের উগ্রপন্থীদের মনে রেখে কাজ করা উচিত ।‘

উল্লেখ্য, মাত্র ৪ দিনের মধ্যে কলকাতা দখলের হুঙ্কার দিলেন বাংলাদেশ সেনার প্রাক্তন মেজর তথা পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থার পেড এজেন্ট কাজী শরিফ কায়কোবাদ। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূসের নির্দেশে গতকাল শনিবার (৭ ডিসেম্বর) রাজধানী ঢাকায় ভারত বিরোধী এক সমাবেশের আয়োজন করেছিল পাকিস্তান প্রেমী অবসরপ্রাপ্ত সেনা আধিকারিকরা। ওই সমাবেশেই সেনার প্রাক্তন মেজর শরিফ হুঙ্কার দিয়েছেন, ‘আমি মেজর শরীফ। আমি  ভারতকে বলে দিতে চাই , যে যুদ্ধ আমরা করছি,  আমরা শুধু দুই লক্ষ সৈনিক না, আমাদের সাথে ১৮ কোটি জনগণ আছে। আমাদের ট্রেনিং, আমাদের দক্ষতা ভারতের চেয়ে অনেক বেশি।আমাদের সঙ্গে যদি ভারত যুদ্ধ করে আমরাও চার দিনের মধ্যে কলকাতা দখল করে নেব।’ প্রাক্তন মেজরের এমন হুমকি শুনে বাংলাদেশের মৌলবাদী ও জঙ্গিরাও মুখ টিপ হেসে বলেন, ‘কত্তা, আইস্তে কন, শুইন্যা ঘোড়ায়-ও হাসব।’

হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সরব হওয়ায় সম্প্রতি ইসকন সন্ন্যাসী চিন্ময় প্রভুকে গ্রেফতার করেছে মোল্লা ইউনূসের পুলিশ। গত ২৬ নভেম্বর থেকে চট্টগ্রাম জেলে বন্দি রয়েছেন তিনি।  গত কয়েকদিন ধরেই হিন্দু নির্যাতন ও চিন্ময় প্রভুর গ্রেফতারি নিয়ে ঢাকা ও দিল্লির মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। ভারত আচমকাই সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করতে পারে এমন আশঙ্কায় হাড়কাঁপুনি ধরেছে বাংলাদেশের প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের মনে। ভারত আক্রমণ করলে যাতে পাল্টা প্রত্যাঘাত করা যায়, তার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া শুরু হয়েছে।

সেনাবাহিনীর প্রস্তুতির পাশাপাশি শুরু হয়েছে ভারত বিদ্বেষী আন্দোলন। পাকিস্তানপন্থী বুদ্ধিজীবীদের পাশাপাশি প্রাক্তন সেনা আধিকারিকদের নামিয়ে দিয়েছে মোল্লা ইউনূস সরকার। শনিবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মহাখালীতে এক মিছিলের আয়োজন করা হয়। মিছিল শেষে রাওয়া কমপ্লেক্সের নিচে এক সমাবেশ করেন প্রাক্তন সেনা সদস্য ও আধিকারিকরা। ওই সভায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহকে হুমকি দিয়ে অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মণীশ দেওয়ান বলেন, ‘‘আজ পুনরায় আবার এখানে জমায়েত হয়েছি ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে আমাদের সংগ্রাম জারি রাখার জন্য। ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদিজি, অমিতজি এবং রাজনাথজি, আপনারা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যেটা দেখেছেন ৭২ সালের সেই সেনাবাহিনী এখন আর নাই। আমরা এখন যে কোনও শত্রু মোকাবিলায় প্রস্তুত। আপনারা আর আস্ফালন তুলবেন না, ভয় দেখাবেন না। আমরা শুধু সশস্ত্র বাহিনী নই, ১৭ কোটি জনতা আছে আমাদের সঙ্গে আপনাদেরকে সীমান্তেই রুখে দিতে।’

আর এক প্রাক্তন সেনা আধিকারিক অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল লুৎফুল হক বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে আমাদের সকল জাতীয় চুক্তিগুলো প্রকাশ করা হোক। যে সব ভারতীয়রা বাংলাদেশে আছে, তাদের ফেরত পাঠানো হোক। যে সব ভারতীয় মিডিয়া সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদ্বাগার করছে সেই সংবাদমাধ্যমগুলির উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি হোক।’ ভারতের হিন্দুদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়িয়ে অবসরপ্রাপ্ত সেনা আধিকারিক কর্নেল মোহাম্মদ আহসানুল্লাহ বলেন, ‘সম্প্রতি বাংলাদেশের লেডি ফেরাউন শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে ভারতের হিন্দু নেতৃত্বের শ্যেন দৃষ্টি পড়েছে আমাদের দিকে। তাদের ইদানিংকালের কর্মকাণ্ড এটা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণ করে। কিন্তু ভারতের ভুলে যাওয়া উচিত নয়, সশস্ত্র বাহিনীর লাখ লাখ প্রশিক্ষিত সৈনিক, হাজার হাজার প্রশিক্ষিত অফিসার সবসময় এদেশের জনগণের পাশে ছিল, থাকবে। আমরা যে কোনও প্রয়োজনে দেশের জন্য জীবন বিলিয়ে দিতে প্রস্তুত।’

 

Published by:

Share Link:

More Releted News:

নির্বাচন মিটতেই কালবৈশাখীর দাপট! দুর্যোগের দিনে ভোটকর্মীদের পাশে রেল

দিনের শেষে মায়ের সঙ্গে কসবা কেন্দ্রে ভোট দিলেন মিমি চক্রবর্তী

‘আমি এইরকম ভোট কখনও দেখিনি’, মিত্র ইনস্টিটিউট থেকে বেরিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ মমতার

ভোটকেন্দ্রে দুর্ঘটনা, টালিগঞ্জে সিলিং ফ্যান ভেঙে আহত ভোটার

নবান্নের কুর্সিতে কাকে দেখতে চান? সপরিবারে ভোট দিয়ে যা জানালেন দেব

স্ত্রী ডোনাকে সঙ্গে নিয়ে বড়িশার জনকল্যাণ স্কুলে ভোট দিলেন সৌরভ

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ