চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

রিমলের ঝাপটা ঠেকাতে কোমর বাঁধছে হাওড়া-হুগলি শহরাঞ্চল

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: আম্ফানের স্মৃতি এখনও ফিকে হয়নি। তারই মধ্যে ঘাড়ের কাছে চলে এসেছে সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় রিমল(Cyclone Rimal)। এখন সেই ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছে হাওড়া ও হুগলির পুরসভাগুলি। হাওড়া পুরনিগম(HMC) ও হুগলির একাধিক পুরসভায়(Municipalities in Hooghly Industrial Area) খোলা হয়েছে Control Room। বিপর্যয় মোকাবিলা টিমকে প্রস্তুত থাকার পাশাপাশি ওই সব এলাকায় লোকবল বাড়াতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিপর্যয় মোকাবিলার কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি সঠিক অবস্থায় আছে কি না, তা পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। পুরকর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। সার্বিকভাবে দুই জেলা প্রশাসন এনিয়ে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। হাওড়া পুরনিগম সহ হুগলি জেলার পুরসভা এলাকাগুলির বিস্তীর্ণ এলাকায় জল জমার সমস্যা রয়েছে। ঝড়বৃষ্টির মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয় পর্বে তা বড় আকার নেয়। রিমেলের ক্ষেত্রে তাই এ ব্যাপারে বিশেষ নজর দিয়েছে হাওড়া পুরনিগম এবং হুগলি জেলার পুরসভা এলাকাগুলি।

হাওড়া পুরনিগম সূত্রে জানা গিয়েছে, রিমলের মোকাবিলা করতে তাঁরা রীতিমত প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন। খোলা হয়েছে Control Room যার নম্বর – 6292232870। তৈরি রাখা হয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা টিমকেও। একসঙ্গে ৮ জায়গায় অপারেশন চালানোর মতো লোকবল রাখা হচ্ছে হাতের কাছে। সঙ্গে শুকনো খাবার, পানীয় জল, ওষুধ, ত্রিপল সহ যাবতীয় জিনিস মজুত করা হয়েছে। নাগরিকদের পরিষেবা দিতে গিয়ে যাতে হাওড়া পুরনিগমকে কোনও ভাবেই অসুবিধার মধ্যে পড়তে হয় তার জন্য সব রকম ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বিপর্যয় মোকাবিলায় তৈরি উত্তরপাড়া থেকে চুঁচুড়া পর্যন্ত হুগলি জেলার শিল্পাঞ্চল এলাকার পুরসভাগুলিও। প্রতিটি পুরসভায় খোলা হয়েছে পৃথক পৃথক Control Room। তিন শিফটে সেখানে কর্মীরা কাজ করবেন। যে কোনও প্রয়োজনে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাবে প্রশিক্ষিত দল। হুগলি জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বিপর্যয়ের সময় যে সব সেফ হাউস ব্যবহার করা হয়, সেগুলি ইতিমধ্যেই পরিষ্কার করা হয়েছে।

তবে হাওড়া সহ হুগলি জেলার শিল্পাঞ্চলে এবারের বিপর্যয় মোকাবিলার ক্ষেত্রে সব থেকে বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে বিপজন্নক বাড়ি থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে আনার ক্ষেত্রে এবং যাতে কেউ তড়িদাহত হয়ে মারা না যান সেই দিকে লক্ষ্য রাখতে। কেননা আম্ফানের সময়ে এই এলাকায় এলাকায় একাধিক মানুষের প্রাণহানীর ঘটনা ঘটেছিল ঝড়ের পরে জমা জলে তড়িদাহত হয়ে। এবার যাতে সেই ঘটনার পুনঃরাবৃত্তি না হয় তার জন্য সব থেকে বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে। যারা বিপজ্জনক বাড়িতে থাকেন তাঁদের ইতিমধ্যেই সেফ হাউসে সরে যেতে বলা হয়েছে। স্থানীয় হাসপাতাল থেকে জেলা হাসপাতালকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। হাওড়া শহরে জমা জল বার করতে ১১টি স্থায়ী পাম্পের পাশাপাশি ৬৭টি অতিরিক্ত পাম্প রাখা হচ্ছে। এছাড়াও থাকছে ৬টি মোবাইল পাম্প। এছাড়াও সুয়ারেজ সিস্টেম যাঁরা দেখাশোনা করেন, তাঁদের প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। হাওড়া ও হুগলির বিভিন্ন পুরসভা ও প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, অতিরিক্ত পানীয় জল মজুত করার কাজ শুরু হয়েছে। প্যাকেটবন্দি জলেরও ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। জেনারেটর সহ নানা প্রয়োজনীয় সামগ্রী মজুত করার কাজ শুরু হয়েছে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

মঙ্গলে শহরে ইডির হানার সম্ভাবনা, টার্গেট দক্ষিণ কলকাতার হেভিওয়েট তৃণমূল প্রার্থী!

কর্তব্যে গাফিলতি ও নিয়ম অমান্য করায় ভবানীপুরের তিন আধিকারিককে সাসপেন্ড কমিশনের

‘মিনি পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে থানা ঘেরাও বিজেপির, পুলিশের লাঠিচার্জে জখম প্রার্থী

নির্বাচন কমিশনের সম্ভাব্য গ্রেফতারের তালিকায় কারা?‌ আদালতকে জানাল তৃণমূল

ভোট চাইতে শেক্সপিয়র সরণির বহুতলের বাসিন্দাদের দুয়ারে হাজির মমতা

‘ডাল মে কুছ কালা..’, কলকাতায় গোপন বৈঠক আধা সেনার শীর্ষ কর্তাদের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ