চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘মানুষের ন্যায্য প্রাপ্য আটকে রেখেছে’, কেন্দ্রকে তোপ মমতার

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলার মাটিতে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রকে তোপ দাগলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। মালদা-মুর্শিদাবাদের ভাঙন থেকে শুরু করে ফরাক্কার(Farakka Barrage) ড্রেজিং, ১০০ দিনের কাজের প্রকল্প(100 Days Work Project), আবাস সব কিছু নিয়েই শুক্রবার মোদি সরকার(Modi Government) ও বিজেপিকে নিশানা বানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন সকালে সামসেরগঞ্জে(Samserganj) গঙ্গা ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন শেষে তিনি ক্ষতিগ্রস্থদের পাট্টা প্রদানের অনুষ্ঠান থেকেই কেন্দ্রকে তোপ দাগেন। ভাঙন নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি যেমন ফের কেন্দ্রকে দায়ী করেন তেমনি কেন্দ্রের কাছে বকেয়া টাকা এখনও পাওয়া যায়নি বলে অনেক কাজই করতে অসুবিধা হচ্ছে বলে অভিযোগও করেন। মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, ‘নদী ভাঙন রোধে টাকা দেয় না কেন্দ্র। ভাঙন রোধ রাজ্য নয়, কেন্দ্রের বিষয়। তবুও টাকা দিচ্ছে না, আটকে রেখেছে। আবাস থেকে একশো দিনের টাকা সবই আটকে রেখেছে।’

আরও পড়ুন গঙ্গা ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্থ ৮৬জনের হাতে পাট্টা তুলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

ফরাক্কা বাঁধের সংস্কার না করা ও ভাঙন ঠেকাতে কেন্দ্রের হাত গুটিয়ে থাকার মনোভাবকে তীব্র কটাক্ষ হেনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কেন্দ্র ভাঙন রোধে টাকা না দিলেও রাজ্য ইতিমধ্যেই বহু টাকা খরচ করে কাজ করেছে। আমাদের জলে বওয়ানোর জন্য টাকা নেই কিন্তু দরকারে আরও করব। দরকারে আরও করবে সামসেরগঞ্জের জন্য কাল ৫০ কোটি ঘোষণা করেছিলাম। আজ আরও ৫০ বাড়িয়ে দিলাম এতে মনে হয় আপনাদের গঙ্গা ভাঙন রোধেরও কাজ হয়ে যাবে। কেন্দ্র ফরাক্কা ব্যারেজের জন্যও কোনও সাহায্য করে না। ড্রেজিং করে না। পলি পরিষ্কার করে না। বহুবার বলেছি। ফারাক্কা ব্যারেজ হওয়ার পর যে নদী ভাঙ্গনের সমস্যা হয়েছে তাকে জাতীয় সমস্যা বলে ঘোষণা করার জন্য আবেদন জানিয়েছি। অনেকবার লিখেছি কেন্দ্রকে। এটার স্থায়ী সমাধান দরকার। এই সমস্যা মেটানোর জন্য বিপুল অর্থের প্রয়োজন। যা রাজ্যের একার পক্ষে খরচ করা সম্ভব নয়।’

আরও পড়ুন কলকাতায় থাকেন, সম্পত্তি কর দিয়েছেন, নাহলেই কিন্তু দুয়ারে নোটিস

এরপরেই তিনি কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা আটকে রাখা ও তার জন্য আমজনতার হয়রানি প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, ‘আমি এখানে আসার পথে অনেক জায়গায় গাড়ি থেকে নেমে দাঁড়িয়েছিলাম। এক জায়গায় একজন বৃদ্ধ মানুষ আমার হাতটা ধরে বললেন, ১০০ দিনের কাজ করেছি। কিন্তু টাকা এখনও পেলাম না। আমি বললাম, কেন্দ্র এখনও টাকা দেয়নি। টাকা পেলেই আপনাকে আমরা দিতে পারব। জেলা প্রশাসনকে বলব, যারা ১০০ দিনের কাজ করে টাকা এখনও পায়নি, তাঁদের অন্যান্য কাজে লাগাতে, যাতে এই মুহূর্তে টাকা হাতে থাকে। আমি কখনও মিথ্যে কথা বলি না। অন্য কিছু নেতাদের মতো মিথ্যে কথা বলা আমার কাজ নয়। আমরা ইতিমধ্যে ৪০ লক্ষ মানুষকে বিকল্প কাজ দিয়েছি। জেলাশাসকদের বলব, যারা কাজ করেছে কিন্তু টাকা পায়নি, তাঁদের বেশি করে কাজ দিন। আমরা ১ লক্ষ কিলোমিটার রাস্তা তৈরি করেছি। তাই আবার ১১ হাজার কিলোমিটার রাস্তা রাজ্যের খরচে তৈরি করেছি। অনেকে বলছেন ঘরটা পেলাম না। আপনারা জানেন না ওরা ঘরের টাকা বন্ধ করে দিয়েছে। ওবিসি বৃত্তিটাও বন্ধ করে দিয়েছে। আমরা মেধশ্রী চালু করেছি। মুর্শিদাবাদে অনেক নেতা গজিয়েছে। তবে কোনও কাজ হয়নি। ইতিহাসকে ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেই প্রতিবাদ করব।’

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘‌যেখানে ক্ষমতা নিরঙ্কুশ, সেখানে পরিণাম ঐচ্ছিক’‌, অভিষেকের নিশানায় মধ্যপ্রদেশের বিধায়কের ছেলে

অধ্যাপকদের ভোটে প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগ করে হাইকোর্টে মুখ পোড়াল জ্ঞানেশ গ্যাং

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে ভবানীপুরে জোরদার প্রচার সারবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

অফিস টাইমে ফের মেট্রো বিভ্রাট, চূড়ান্ত ভোগান্তিতে নিত্যযাত্রীরা

‘‌মানুষের জন্য শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়াই করব’‌, নির্বাচন মরশুমে বার্তা মমতার

‘নির্বাচনের ব্লু-প্রিন্ট চুরি করাতেই অভিযান’ অভিযোগ তৃণমূলকর্মীর

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ