‘গোখরো’ এল কলকাতায়, যাবে বিজেপির অফিসে

‘গোখরো’ সাত সকালেই হাজির কলকাতার বুকে। এদিন বিকালে বা আগামিকাল যাবেন বঙ্গ বিজেপির অফিসে। সেখানে করবেন বৈঠক।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: একটা সময় ছিল যখন তাঁকে নিয়ে গর্ব করত আমবাঙালি। তাঁকে অনুসরন করে অনেকেই নিজেদের পরিচিয় দিত, ‘আই অ্যাম আ ডিস্কো ড্যান্সার’। এখন আর কেউ ভুলেও সেই কাজটি করেন না। কেননা তাঁদের মনে ভয় ঢুকেছে, লোকে যদি তাঁদের সাপ ভেবে পিটিয়ে মারে তখন কে বাঁচাবে। তাই কিবা মোবাইলে, কিবা টিভিতে, কিবা লেখালেখিতে কোথাও আর ধরা পড়েন না বাংলার ‘ডিস্কো ড্যান্সার’। তবে গেরুয়া শিবিরে এহেন ‘ডিস্কোবয়’কে নিয়ে এখনও বেশ টানাটানি চলে। যদি তিনি ‘ছোবল’ দিয়ে বঙ্গ বিজেপির শত্রুদের নিধন করতে পারেন। কেননা ‘ডিস্কোবয়’ নিজেই বলেছেন বেশ বড় মুখ করে ‘আমি জাত গোখরো’। সেই ‘গোখরো’ সাত সকালেই হাজির কলকাতার(Kolkata) বুকে। যাবেন বঙ্গ বিজেপির(BJP) অফিসে। হয়ত ঢেলে আসবেন বিষ যা পান করে বঙ্গ বিজেপির ঝিমিয়ে পড়া নেতাকর্মীরা আবারও হইহই করে উঠে মাঠে নেমে পড়ে হাঁক পাড়বেন, ‘আব কে বার ৩০০ পার’। ভয় একটাই ‘৩০০’ বলে শেষে ‘৩’-এ এসে না ঠেকে।

একটা সময় নিজেই বেশ গর্ব করে বলতেন, তিনি নকশাল করতেন। পরবর্তীকালে হয়েছিলেন বামপন্থী। রাজ্যের বিশিষ্ট বাম জননেতা সুভাষ চক্রবর্তীর(Subhash Chakrabarty) সঙ্গে তাঁর খুব ঘনিষ্ঠতাও ছিল। ঘনিষ্ঠতা ছিল রাজ্যের আরেক বাম নেতা অশোক চক্রবর্তীর সঙ্গেও। তবে সুভাষবাবুকেই নিজের ‘রাজনৈতিক গুরু’ বলে মানেন তিনি। অনেকেই দাবি করেন, সেই গুরু কিন্তু তাঁকে বলে গিয়েছিলেন রাজনীতির মাঠে পা না রাখতে। কিন্তু গুরুবচন না মেনে ‘ডিস্কোবয়’ পা রাখেন রাজনীতির মাঠে। প্রথমে তৃণমূলের রাজ্যসভার সদস্য। তারপর বিজেপি। একুশের বিধানসভা নির্বানের প্রাক্কালে খাস কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনসভায় হাজির হয়ে মঞ্চে উঠে হাতে তুলে নেন পদ্ম পতাকা। আর সেই সঙ্গে বলেছিলেন, ‘আমি জানি আপনারা সকলে চাইছেন আমার মুখে, মারব এখানে লাশ পড়বে শ্মশানে ডায়লগ শোনার জন্যে। তবে আমি যখন ক্যাম্পেইন করব আপনারা এই কথাটা মনে রাখবেন। এত বড় বড় লিডাররা এখানে রয়েছেন। তাঁদের সকলের কথা মিলিয়ে আমি একটাই কথা বলবো, আপনারা মনে রাখবেন, আমি জলঢোঁড়াও নই, বেলেবোড়াও নই। আমি জাত গোখরো, এক ছোবলে ছবি। আমি মিঠুন চক্রবর্তী(Mithun Chakrabarty)। আমি যা বলি, আমি তাই করি!’ সেও মিঠুন ‘গোখরো’ সাত সকালে পা রেখেছেন কলকাতায়।

সোমবার সকাল ৮টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান মিঠুন। এদিন বিকালের দিকেই তাঁর বঙ্গ বিজেপির পার্টি অফিসে যাওয়ার কথা আছে। সেখানে একটি বৈঠকে যোগও দিতে পারেন তিনি। সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচনে মিঠুনকে কাজে লাগাতে চাইছে বঙ্গ বিজেপি। বিশেষ করে দলের কর্মীরা যেভাবে হতদ্যোম হয়ে বসে যাচ্ছেন সেই জায়গা থেকে তাঁদের বের করে আনার জন্যই তাঁরা মিঠুনকে গ্রাম বাংলায় দলের হয়ে প্রচারের কাজে ব্যবহার করতে চাইছেন। যদিও মিঠুনের নিজের শরীর খুব একটা ভাল নেই। তাই বঙ্গ বিজেপির নেতারা তাঁকে প্রচারের জন্য মাঠেঘাটে চাইলেও ঠিক কতটা তাঁকে পাওয়া যাবে তা নিয়ে খটকা আছে। 

দীপাবলির আগেই রাশি পরিবর্তন করবে দেবগুরু বৃহস্পতি, বিপদ বাড়বে ৩ রাশির জাতকদের

১৫ লাখ ঘুষ নিতে গিয়ে সিবিআইয়ের হাতে পাকড়াও আয়কর ইন্সপেক্টর

বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন গুজরাতের জনপ্রিয় ‘রাজা-রানি পরোটা’, রইল রেসিপি

দীপাবলিতে বাড়ি সাজাতে খরচ হবে না হাজার-হাজার টাকা, এই কৌশলেই হবে বাজিমাত

স্পেনে উচ্চগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে মৃত বেড়ে ৬৮, তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক

‘করবা চৌথ’-এ লক্ষ্মী-নারায়ণ রাজযোগ, ৪ রাশির জাতকদের সুপ্ত ইচ্ছা পূর্ণ হবে

এলাহাবাদ হাইকোর্টে তুলকালাম কাণ্ড, বিচারপতির এজলাসে ভাঙচুর চালালেন আইনজীবীরা

শনির সাড়ে সাতি থেকে মুক্ত হচ্ছন কুম্ভ রাশির জাতকরা, কবে থেকে সুদিন শুরু?

জুতোর মালা গলায় পরে গ্রামছাড়া হতে হয়েছিল, শালীকে তালাক দিলেন নেট প্রভাবী

দুঃসংবাদ ভারতীয় শিবিরে, এক দিনের দল থেকে ছিটকে গেলেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ

৪৮ লক্ষ কৃষকের অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ২ হাজার করে টাকা! মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত

চুরির পর কিশমিস-খেজুর দিয়ে হুইস্কি পান, চোরের কাণ্ডে চক্ষু চড়ক গাছ পুলিশের

শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য তিরস্কৃত হ্যারিস রউফ, নিষিদ্ধ হওয়ার মুখে পাক ক্রিকেটার

জমি দুর্নীতির পর মাটি চুরির অভিযোগ, অভিষেকের প্রাক্তন পিএ সুমিতকে শোন অ্যারেস্ট পুলিশের