পুরাতন কলকাতার দোল ছিল বাবুয়ানি এবং আভিজাত্যে পূর্ণ

আজও কলকাতার হাতে গোনা কিছু পরিবারে তাঁদের পারিবারিক দোলের আচার অনুষ্ঠান ধরে রেখেছে যতটা সম্ভব। তবে সেই সোনালি দিন আর নেই।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাঙালির দোলের(Doljatra) সঙ্গে মিশে আছে বাবুয়ানি এবং আভিজাত্যও। পুজোআচ্চার পাশাপাশি ছিল রঙে আতর মেশানোর রেওয়াজ। রং খেলা হত রুপোর পিচকারিতে। ফাগ খেলার শেষে গোলাপ জল ছেটানোর ঐতিহ্য কিংবা দোলের বিশেষ কিছু খাওয়াদাওয়া। আজও কলকাতার(Kolkata) হাতে গোনা কিছু পরিবারে সেই সব আচার অনুষ্ঠান টিকে আছে।

আরও পড়ুন ৩১ মে-র মধ্যে বাস-মিনিবাসে আবশ্যক হচ্ছে Panic Button

শোভাবাজার রাজপরিবারের(Sovabajar Rajbari) বড় তরফে বাড়িতে দোল পূর্ণিমার দিন রীতি মেনে গৃহদেবতা রাধা গোবিন্দজিউ-র দোল খেলা হয় হোলির দিন। দোলের দিন সন্ধ্যায় হয় চাঁচর। পরের দিন দোলের বিশেষ পুজো। দোলের আগের দিন হয় নারায়ণের চাঁচর। সাবেক রীতি মেনে আজও এই ঐতিহ্য চলছে। সন্ধেবেলা ঠাকুর দালানে আগে বসত গানের আসর। বাড়ির সদস্যরাই গাইতেন রাগাশ্রয়ী গান। গানের শেষে ফাগ ওড়ানো হত। তবে এখন শুধু দোল উপলক্ষে বিশেষ পুজোই হয়ে থাকে। মধ্য কলকাতার চোরবাগান(Chorbagan) এলাকার মুক্তারামবাবু স্ট্রিটের রামচাঁদ শীলের পরিবারে(Sheal Family) দোলের জলসায় গান গাইতে আসতেন গহরজান, মালকাজান শেলি, নূরজাহান প্রমুখ বাঈজি। এই পরিবারেও দোল হয় হোলির দিন। পূর্ণিমার দিন হয় চাঁচর। চাঁচরের দিন দামোদরের রাখাল বেশে ও দোলের দিন রাজ বেশে পুজো হয়। চাঁচরের দিন হয় নেড়াপোড়া। পরের দিন ভোর ৪টের সময় হয় দেবদোল। সেই সময় পরিবারের সকলেই মিলিত হন দামদর জিউকে আবির দেওয়ার জন্য।

আরও পড়ুন বিদ্যুৎধন্য বিশ্বভারতীর বসন্ত বন্দনাতেও মার খেলেন পড়ুয়ারা

দোলের ব্যতিক্রমী কিছু আচার অনুষ্ঠান আজও পালন করা হয় মুক্তারামবাবু স্ট্রিটের মার্বেল প্যালেসেও(Marbel Palace)। দোলের সময় রাধাকান্ত, শ্রীমতী এবং গোপিচাঁদ বল্লভের বিশেষ পুজো হয়ে থাকে। অতীতের কোনও প্রথার পরিবর্তন হয়নি। রাজা রাজেন্দ্র মল্লিক প্রচলিত বৈষ্ণব প্রথা অনুসারে এই সকল আচার অনুষ্ঠান হয়ে আসছে। ফাল্গুন মাসের শুক্লপক্ষের পঞ্চমীর দিন বিগ্রহের অঙ্গরাগ হয়ে থাকে। দশমী তিথিতে বিগ্রহের শুদ্ধিকরণ, মার্জনা, স্নান, শৃঙ্গার, অলঙ্করণ, তিলককরণ এবং আবির পরানো অনুষ্ঠান হয়। একাদশী থেকে শুরু হয় দোল উৎসব, যা চলে প্রতিপদ পর্যন্ত। একাদশীতে নিবেদন করা হয় গোলাপজাম ও লকেট ফল-সহ শরবতের ভোগ। থাকে বেল, ডাব, তরবুজের শরবত। আর থাকে আমছেঁকা। এই সময় প্রতি দিন নিবেদিত হয় রাজভোগ, যা তৈরি হয় রসুইঘরে। ভোগে থাকে চার প্রকার কলাই ভোগ, ময়দার লুচি, ছানার পদ, সিঙাড়া, কচুরি, পটল-বেগুন-এঁচড়ের তরকারি ও চাটনি। এ ছাড়াও থাকে মালপোয়া।

পাকিস্তানে আত্মঘাতী বিস্ফোরণে হত ৫, আহত ১৫

মৌসুমি অক্ষরেখা ও ঘূর্ণাবর্তের জোড়া ফলায় সোম থেকে দক্ষিণবঙ্গে তুমুল দুর্যোগের আশঙ্কা

টুলুর ম্যানেজারের বাড়িতে উদ্ধার লাল ট্রলি! কী রয়েছে? খতিয়ে দেখছে পুলিশ

দুই মামলায় জামিন পেলেন চিন্ময় প্রভু, তবে জেলেই থাকতে হচ্ছে

২ বছর বাদে প্রকাশ্যে আসছেন শেখ হাসিনা, ৫ অগস্ট সাংবাদিক বৈঠক করবেন

প্রকাশ্যে বোরকা পরিহিত মহিলাকে শ্লীলতাহানি, সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে অভিযুক্তকে পাকড়াও করল পুলিশ

হাসপাতালের ১০০ গজের মধ্যে বিড়ি-সিগারেট-মদের দোকান নয়, নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

কুরকুরের প্যাকেটে থাকা খেলনা গলায় আটকে প্রাণ গেল খুদের

ইন্দোনেশিয়ায় ফেরিতে ভয়াবহ আগুন, মৃত ৫, নিখোঁজ ৪১

দুপুরে নেমে এল আঁধার, বজ্রবিদ্যুৎ সহ ভারী বৃষ্টি শহরে

স্কুল-কলেজে নেশামুক্তির বার্তা দেওয়া হচ্ছে, নতুন প্রকল্পের সূচনা করে জানালেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন রোনাল্ডো! প্রকাশ্যে এল তারিখ, কোথায় হবে অনুষ্ঠান?

৩ দিন পর বরফের নিচ থেকে উদ্ধার নেপালি পর্বতারোহীর দেহ, এখনও নিখোঁজ ৫

ঘুমন্ত অবস্থায় মহিলার ঘাড় ধরে জঙ্গলে টেনে নিয়ে গেল বাঘ, তারপর…