বাংলার জন্য ধান কেনার ৭৬০০ কোটি টাকা আটকে দিল কেন্দ্র

কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান কেনার জন্য বাংলার প্রাপ্য ৭৬০০ কোটি টাকা আটকে দিল মোদি সরকার। কার্যত বঞ্চনার নয়া রেকর্ড গড়ল কেন্দ্র।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: নির্মম, নিষ্ঠুর, চূড়ান্ত অমানবিক। আর কীই বা বলা যায় এই পদক্ষেপকে। যত রকম ভাবে সম্ভব বাংলার(Bengal) মানুষকে ভাতে মারতে উঠে পড়ে লেগেছে নরেন্দ্র মোদির(Narendra Modi) সরকার আর তাঁর দল বিজেপি(BJP)। ভাবছে দিনের পর দিন এভাবে বাংলার মানুষের পেটে লাথি মেরে গেলে ২৪’র ভোটে পকেটে চলে আসবে ৩৫টা লোকসভা কেন্দ্র। আসলে মূর্খরা কোনওদিন এটা জানে না বোঝে না, তাঁর মূর্খের স্বর্গেই বাস করে। তাই একের পর এক মূর্খামিই করে চলে। বাংলার মানুষ কোনও গণরোষে ফুঁসছে সেটা তাঁরা আন্দাজও তাই করতে পারছেন না। যেদিন ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যাবেন সেদিন দিল্লির শাসকেরা জানতেও পারবেন না কেন তাঁরা সাফ হয়ে গেলেন। তাঁরা হয়তো তখনও ক্ষমতার নেশায় বুঁদ হয়ে থাকবেন। আর সেই ক্ষমতার নেশায় বুঁদ হয়ে থাকার মধ্যেই তাঁরা আটকে দিলেন বাংলার প্রাপ্য ৭৬০০ কোটি টাকা। কার্যত বঞ্চনার নয়া রেকর্ড গড়লেন তাঁরা। এই টাকা দিয়ে বাংলার সরকার কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান কিনতো।

২০১১ সালে পরিবর্তনের পরে পরেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) বাংলার কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান কেনার প্রক্রিয়া শুরু করেন। সেই প্রকল্প আজও চলেছে সমান গতিতে। সেই ধান কেনার সুবাদে ২০২২-২৩ আর্থিক বছরের জন্য কেন্দ্রের কাছে বাংলার বকেয়া আছে প্রায় ৩ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। আর চলতি ২০২৩-২৪ আর্থিক বছরের প্রাপ্য প্রায় ৪ হাজার ৩০০ কোটি। সব মিলিয়ে ৭৬০০ কোটি টাকা। জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা প্রকল্পের আওতায় থাকা রাজ্যের ৬ কোটি রেশন গ্রাহকের জন্য ও ২টি কেন্দ্রীয় প্রকল্প চালাতে ‘সেন্ট্রাল পুল’ থেকে চাল সরবরাহ করা হয়। রাজ্য সরকার চাষিদের থেকে ধান কিনে চাল উৎপাদন করে এবং সেন্ট্রাল পুলে সরবরাহ করে। সেখানে চাল সরবরাহের পর উৎপাদনের জন্য নির্ধারিত হারে খরচ রাজ্য সরকারকে মিটিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু ওই টাকার একটা বড় অংশ আটকে দিয়েছে মোদি সরকার। কিন্তু শুধু কী বাংলার মানুষকে ভাতে মারার লক্ষ্য নিয়েই এই টাকা আটকে দেওয়া হয়েছে? সম্ভবত না। মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

All India Fair Price Shop Dealers Federation’র সাধারণ সম্পাদক বিশ্বম্ভর বসু জানিয়েছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ছবি লাগাতে রাজি না হওয়ার জন্য রাজ্যকে শাস্তি দিতেই কেন্দ্র এই টাকা আটকে রেখেছে। এটা বিভিন্ন সূত্র থেকে আমরা জানতে পেরেছি। তবে ভোটের আগে কেন্দ্রীয় সরকারের হয়ে রাজনৈতিক প্রচারে অংশ নিতে আমরা কোনও অবস্থাতেই রাজি নই।’ জানা গিয়েছে, কেন্দ্র নির্দেশ দিয়েছে, রেশন দোকান—অবিরাম প্রচার চালিয়ে যেতে হবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর। আর সেটা না করলে, টাকা মিলবে না। তা যদি প্রাপ্য হয়, তাহলেও না। এই কারণেই এখন নতুন করে বঞ্চনার শিকার হতে হয়েছে বাংলাকে। কেন্দ্রের ফরমান অনুযায়ী রেশন দোকানে প্রধানমন্ত্রীর ছবি রাখা বাধ্যতামূলক। সেইসঙ্গে প্রচারমূলক আরও কিছু নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে রাজ্যগুলির জন্য। সেই নির্দেশিকা কার্যকর করা থেকে বেঁকে বসার জন্যই ধান কেনা খাতে বাংলার প্রাপ্য ৭ হাজার ৬০০ কোটি টাকা আটকে দিয়েছে কেন্দ্র।

বাড়িতে শ্মশান সামগ্রী রেখে বিজেপি নেত্রীকে খুনের হুমকি, উত্তপ্ত টাকি

বাংলার নতুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী হলেন শারদ্বত মুখোপাধ্যায়, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

নিউ টাউনের রামমন্দিরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

চলচ্চিত্র জগতে শোকের ছায়া, প্রয়াত কিংবদন্তি পরিচালক ভারতীরাজা

তৃণমূল থেকে সুবিধা পাওয়ার দিন শেষ, ইস্তফা দিলেন সন্তোষ কন্যা সুস্মিতা

কোহলির পর আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওডিআই সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন হার্দিক

বিশ্বের প্রায় ৫০০-৬৫০ জন মহিলার শয্যাসঙ্গী হয়েছেন, চেনেন বেপরোয়া সেই ক্রিকেটারকে?

তোলাবাজি-সহ একাধিক অভিযোগে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা সজল দাস

আলিপুরে সরকারি অফিসে বিধ্বংসী আগুন

আফগানিস্তানে নৃশংস হামলা পাক সেনার, নিহত ১১ নিরীহ শিশুসহ ১৩

নেহেরুকে ছাপিয়ে এক অনন্য রেকর্ড গড়লেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

কলকাতা বিমানবন্দরে নামলেই গ্রেফতার অভিষেক! সিআইডির তৎপরতায় জল্পনা তুঙ্গে

পৃথিবীর প্রাচীনতম ফল কোনটি জানেন? শরীরের জন্যও বিশেষ উপকারী

২০ হাজার টাকার কমে নতুন স্মার্টফোন! জুলাইতেই আসছে OnePlus Nord CE 6