এই মুহূর্তে

মুর্শিদাবাদ থেকে ভোট বয়কটের ডাক মৌসম নূরের, কিন্তু কেন…

নিজস্ব প্রতিনিধি,মালদা: মালদহে বিচারাধীনের তালিকায় রয়েছেন ৮ লক্ষ ২৮ হাজার ৮০জন ভোটার। এরা সকলেই সংখ্যালঘু। সংখ্যালঘুদের পাশে দাঁড়াতে ভোট বয়কটের হুঁশিয়ারি দিলেন কংগ্রেস নেত্রী মৌসম নূর(Mousam Noor)। সোমবার দুপুরে মালদহ জেলা কংগ্রেস কার্যালয়ে সাংবাদিক বৈঠকে দক্ষিণ মালদহের সাংসদের পাশে বসে এমনটাই দাবি জানান মৌসম। তৃণমূল, বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনের মধ্যে সেটিং চলছে বলেও তোপ দাগেন মৌসম। তিনি বলেন, “মালদহ এবং মুর্শিদাবাদে বিচারাধীনের তালিকায় সংখ্যালঘুরা রাজ্যের মধ্যে সব থেকে বেশি রয়েছে। তৃণমূল, বিজেপি এবং কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের মধ্যে সেটিং করে চক্রান্ত করা হচ্ছে। তাই বিচারাধীনদের নাম তালিকায় যোগ না হলে ভোট বয়কট করা উচিত।

কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে সে প্রস্তাব জানাব।” মৌসমকে সমর্থন করে দোল উৎসবের পরে জেলা জুড়ে পথে নামার হুঁশিয়ারি দেন জেলা কংগ্রেস সভাপতি সাংসদ ইশা খান চৌধুরী। এদিকে, মুর্শিদাবাদ জেলার জঙ্গিপুরের তৃণমূল বিধায়ক জাকির হোসেনের নাম বিচারাধীন তালিকায় থাকায় কেন্দ্র সরকার ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন তিনি। রবিবার রঘুনাথগঞ্জে সাংবাদিকদের সামনে তার ক্ষোভ ব্যক্ত করেন।একইসঙ্গে জঙ্গিপুরের বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী জাকির হোসেনের নামও বিচারাধীন রয়েছে। জঙ্গিপুরের সাংসদ তথা তৃণমূল কংগ্রেসের সাংগঠনিক জেলা সভাপতি খলিলুর রহমানের পরিবারের সাতজনের নাম খসড়া তালিকায় বিচারাধীন রয়েছে। বিচারাধীন তালিকায় নাম আসায় ক্ষুব্ধ তৃণমূলের বিধায়ক তোরাফ হোসেন মন্ডল। তিনি নিজে পেনশন হোল্ডার। সরকারি চাকরি করেছেন টানা ৩৬ বছর। দুবারের বিধায়ক তিনি।

২০০২ সালের ভোটার তালিকাতে তাঁর নাম আছে। বাবার নামের উচ্চারণে সামান্য ভুল থাকায় তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছিল। সমস্ত নথি তিনি জমা দিয়েছিলেন। এরপরেও বিচারাধীন হিসেবে তার নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। দীর্ঘ চার মাস ধরে রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর শনিবার চূড়ান্ত ভোটার খসড়া তালিকা প্রকাশ করেছে কমিশন। প্রকাশিত তালিকায় ৬৩ লক্ষ মানুষের নাম বাতিল হয়েছে। যা নিয়ে ভোটারদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। তালিকায় বিচারাধীন বা অমীমাংসিত হিসেবে অনেকের নাম চিহ্নিত রয়েছে ।অমীমাংসিত ভোটার তালিকায় রয়েছেন কয়েকজন জনপ্রতিনিধিও। সেই তালিকাতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন জঙ্গিপুরের বিধায়ক জাকির হোসেন সাগরদিঘির বিধায়ক বাইরন বিশ্বাস এবং তাঁর দুই ভাই ও জলঙ্গীর বিধায়ক আব্দুর রাজ্জাক। এর পাশাপাশি বিচারাধীনের তালিকায় রয়েছেন দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক তোরাফ হোসেন মণ্ডল ও আমডাঙার বিধায়ক রফিকুর রহমান। নিবার কমিশন যে তথ্য প্রকাশ করেছে সেই তথ্য অনুযায়ী রাজ্যে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯ জন। এস আই আর প্রক্রিয়ার পর মাঝে বাদ পড়েছিল ৫৮ লক্ষ ভোটার আর প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা বাদ পড়েছে অতিরিক্ত ৫ লক্ষেরও বেশি ভোটার। মোট বাদ পড়েছে ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২ জন ভোটারের নাম। এই পরিসংখ্যান প্রকাশিত হতেই শোরগোল শুরু হয়ে গিয়েছে।

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ, প্রতিবাদে পঞ্চায়েতের সামনে ধর্নায় বসলেন ৭ ভোটার

বঙ্গের ৪ জেলা রবিবার থেকে ভিজবে, সোমবার থেকে রাজ্যে বাড়বে বৃষ্টি

ইসলামপুরে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় বিহারের আয়কর দফতরের অফিসারের স্ত্রীর মৃত্যু, আহত শিশু সহ ৩

প্রেমের টানাপোড়েনে BDO অফিস ক্যাম্পাসে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা যুবকের

‘‌রাষ্ট্রপতিকে দিয়ে রাজনীতি করাচ্ছে বিজেপি’‌, ধর্নামঞ্চ থেকে সপ্তমে সুর মমতার

প্রথম ভাষণেই মমতার মন জয় করে নিলেন প্রতীক উর, তরুণ তুর্কিতে মুগ্ধ দিদি

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ