বিধবা ও বার্ধক্য ভাতা নিয়ে একাধিক জেলাকে সতর্ক করল নবান্ন

বিধবা ভাতার উপভোক্তাদের আধার যাচাইয়ের কাজে কোচবিহার ও বীরভূম জেলার অবস্থা খারাপ। বার্ধক্য ভাতায় পিছিয়ে কোচবিহার, মুর্শিদাবাদ ও বীরভূম।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি:  সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন(Panchayat Election)। তারপরেই আগামী বছর রয়েছে লোকসভার নির্বাচন। অথচ রাজ্যের একাধিক জেলায় বিধবা এবং বার্ধক্য ভাতার(Widow and Old Person Pension) উপভোক্তা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া চলছে ঢিমেতালে। সেই কাজে গতি আনতে এবার একাধিক জেলাকে সতর্ক করল নবান্ন(Nabanna)। বিশেষ করে বিধবা ভাতার কাজ অনেকটাই বাকি বলে জানা গিয়েছে। দু’টি প্রকল্পে যাঁদের নাম রয়েছে, তাঁদের আধার নম্বর আপলোড করা হয়েছে কিনা, তা এখন খতিয়ে দেখছে ব্লক প্রশাসন(Block Adminstration)। বিশেষ করে এক নাম যাতে দুই জায়গায় না থাকে বা একজন যাতে একাধিক সুবিধা না পান, তা নিশ্চিত করতে আধার নম্বর(Aadhar Number) আপলোডের ওপর বাড়তি গুরুত্ব দিয়েছে রাজ্য সরকার। জেলায় জেলায় এখন সেই কাজই চলছে। তবে কিছু ক্ষেত্রে কাজের অগ্রগতি যে সন্তোষজনক নয়, তা স্পষ্ট করে দিয়েছে নবান্ন।  

জানা গিয়েছে, নারী, শিশু ও সম্যাজ কল্যাণ দফতরের অধীনস্থ এই দুই প্রকল্পের অর্থ বরাদ্দ করে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার যৌথভাবে। কেন্দ্র দেয় প্রকল্পের ৬০ শতাংশ অর্থ ও রাজ্য দেয় ৪০ শতাংশ অর্থ। সেই দুই প্রকল্পে উপভোক্তা যাচাই নিয়ে এখন বেশ সতর্ক রাজ্য প্রশাসন। যোগ্য উপভোক্তারাই যাতে প্রকল্পের সুবিধা পান, সেই লক্ষ্যেই এখন ব্লকে ব্লকে উপভোক্তাদের আধার নম্বর সংগ্রহের কাজ চলছে। কিছুদিন আগে এক বৈঠকে প্রত্যেক জেলায় এই কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনার রিপোর্ট বলছে, বিধবা ভাতার উপভোক্তাদের আধার যাচাই ও আপলোডের কাজ হয়েছে মাত্র ৫২ শতাংশ। বাংলার ৭টি জেলা রয়েছে রাজ্যের গড় হারের নীচে। তার মধ্যে আবার কোচবিহার ও বীরভূম জেলার অবস্থা খুবই খারাপ। এই দুই জেলায় আধার আপলোডের হার যথাক্রমে ৮.৪ ও ১৫ শতাংশ। এই তালিকায় আছে হুগলি, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, জলপাইগুড়ি ও পুরুলিয়া জেলাও। অন্যদিকে, মালদা, উত্তর দিনাজপুরের মতো জেলায় এই কাজ প্রায় শেষ।

আবার বার্ধক্য ভাতার কাজ তুলনামূলক ভালো হলেও বেশ কিছু জেলাকে নিয়ে চিন্তা নারী, শিশু ও সমাজকল্যাণ দফতরের। এক্ষেত্রে রাজ্যের গড় হিসেবের নীচে রয়েছে কোচবিহার, মুর্শিদাবাদ ও বীরভূমের মতো জেলাগুলি। কেন্দ্রীয় পোর্টালে এই দু’টি প্রকল্প মিলিয়ে নাম রয়েছে এ রাজ্যের প্রায় ৫ লক্ষ উপভোক্তার। তাঁদের মধ্যে এখনও পর্যন্ত ৩ লক্ষের কাছাকাছি নাম ‘অযোগ্য’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আধার সমস্যা বা অন্য কোনও কারণে এই পদক্ষেপ করতে হয়েছে। বাকিদের যাচাইয়ের কাজ এখনও সম্পন্ন হয়নি। দ্রুত যাতে এই কাজ শেষ হয়, তার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে জেলাগুলিকে। কারণ, যাচাই শেষ না হলে উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো যাবে না।

জেলায় জেলায় জায়ান্ট স্ক্রিনের মাধ্যমে বিশ্বকাপের ফাইনাল দেখাবে শুভেন্দুর সরকার

বাংলা ছবি দেখেন না, তবে টলিউডে কাজ করতে আগ্রহী বললেন কাজল

গরম ভাতের সঙ্গে জমে যাবে দুপুরের খাওয়া, ট্রাই করুন ঝিঙে-পটল-চিংড়ির এই রেসিপি

মেক্সিকোতে ভূমিকম্প, মাত্রা ৭.৪! সুনামি সতর্কতা জারি

শেখ হাসিনাকে ঢাকার হাতে তুলে দিচ্ছে দিল্লি? বড় ইঙ্গিত দিলেন বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র

ট্রফি, পদকের পাশাপাশি প্রথমবার বিশ্বকাপজয়ীরা পাবেন বিশেষ আংটি

প্রয়াত কিংবদন্তি ক্রিকেটার স্যার গ্যারি সোবার্স

স্কুলে আর মোবাইল নিয়ে প্রবেশ নয়! কড়া নির্দেশ সংসদের

‘জোর করে জমি অধিগ্রহণ নয়,’ মেজিয়া থেকে বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

SIR-এ ডিলিটেড ভোটারদের জনকল্যাণমূলক প্রকল্প থেকে বঞ্চিত করা যায়? খতিয়ে দেখবে সুপ্রিম কোর্ট

‘দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা,’ মুর্শিদাবাদে লেভেল ক্রসিংয়ে দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর

বিয়ের পর বাড়ছে অশান্তি? বেডরুম থেকে আজই সরিয়ে ফেলুন এই ৭ জিনিস

মিড ডে মিলে ৫৬ ভোগ! রথের পরে বিরাট আয়োজন স্কুলে

ক্যালসিয়ামের ওষুধ খেলে বাড়তে পারে কিডনি স্টোনের ঝুঁকি! কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?