আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

মুখ ফেরাচ্ছেন দলের নেতাকর্মী থেকে সমর্থকেরা, মেনেই নিল আলিমুদ্দিন

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: হাতে মাত্র আর কয়েকটা মাস। তারপরেই শুরু হয়ে যাবে ২৪’র মহাযুদ্ধ(General Election 2024)। আর তার আগে এবার আলিমুদ্দিন স্ট্রিট(Alimuddin Street) স্বীকার করেই নিল বাংলার মাটিতে লালপার্টি থেকে মুখ ফেরাচ্ছে দলেরই নেতাকর্মী থেকে সমর্থকেরা। দলের কেন্দ্রীয় কমিটিকে পাঠানো রিপোর্টে সিপিআই(এম)’র(CPIM) রাজ্য নেতৃত্ব জানিয়েছে, আগের থেকে সাংগঠনিক অবস্থার উন্নতি হলেও সব জায়গায় এখনও লড়াই করার মতো জায়গা তৈরি হয়নি। কিছু কিছু জায়গায় এখনও উন্নতির প্রয়োজন। রাজ্যের বেশ কিছু জায়গায় এখনও সংগঠনের দুর্বলতা আছে। তবে দলের নিচুতলার কর্মীদের ‘শুদ্ধিকরণ’(Purification) অনেকাংশে সফল হয়েছে। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, বাংলায় সব জায়গায় স্বাভাবিকভাবে কাজ করা যাচ্ছে না। কারণ দলেরই কর্মীদের নেতিবাচক মানসিকতা এবং পরিবেশ পরিস্থিতি। অনেকাংশে ধর্মীয় মেরুকরণও(Religious Polarization) বামপন্থীদের দুর্বল করছে। লক্ষ্যণীয় বিষয়, আলিমুদ্দিন কিন্তু এবারে তাঁদের রিপোর্টে একথা তুলে ধরেনি যে বাংলার বুকে শাসক দল সন্ত্রাস চালাচ্ছে আর তার জেরে তাঁদের কাজকর্ম করতে বাধা হচ্ছে।

রাজ্যে এখন অনেক বামপন্থী তথা লাল পার্টির নেতারাই স্বীকার করেছেন তাঁরা বিভিন্ন সামাজিক তথা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগদান করছেন। কেউ কেউ এমনও বলেছেন, হাজার-হাজার বছর ধরে চলে আসা প্রথাকে হঠাৎ করে এ ভাবে ছেড়ে দেওয়া সম্ভব নয়। আলিমুদ্দিনের নেতারা বলছেন, নেতারা যে তথ্যগোপন করছেন না, সেটাই ভালো লক্ষণ। সাংগঠনিক যে দৈন্যদশা ছিল, তা বেশ কিছু জায়গায় কাটানো গিয়েছে। আবার এ-ও ঠিক, বেশ কিছু জায়গায় তা অব্যাহত রয়েছে। বছর আটেক আগে সিপিএম সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, পার্টিকে গড়ে তোলা হবে গণ-লাইন সম্পন্ন বিপ্লবী পার্টি হিসেবে। সেই সময়েই সিদ্ধান্ত হয়েছিল, একেবারে নিচু তলায় কী হচ্ছে তা কেন্দ্রীয় কমিটি নিয়মিত ‘চেক আপ’ করবে। সেই শুদ্ধিকরণ অভিযানেও বাংলার নেতারা আশাব্যঞ্জক পরিস্থিতির কথা শুনিয়েছেন। এই শুদ্ধিকরণ অভিযানের অন্যতম প্রশ্ন ছিল, কমিউনিস্ট পার্টির নেতারা কি ধর্মকর্ম মানেন? বিবাহ-সহ অন্যান্য সামাজিক অনুষ্ঠানে কি প্রচুর খরচ করেন? তাঁরা কি পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা পরিত্যাগ করতে পেরেছেন? কমিউনিস্ট পার্টি করার জন্য মৌলিক যে কাজগুলি করার প্রয়োজন তা কি তাঁরা করেন?

সিপিএম সূত্রে খবর, বাংলা থেকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে যাঁরা রয়েছেন, তাঁরা স্পষ্টই জানিয়েছেন, এরিয়া কমিটি স্তর পর্যন্ত নেতৃত্ব ‘শুদ্ধিকরণ সংক্রান্ত প্রশ্নমালায়’ সততার সঙ্গে জবাব দিয়েছেন। আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের নেতাদের বক্তব্য, একটা সময়ে তথ্য ও মনোভাব গোপন করার মানসিকতা ছিল। এখন সেটা অনেকটাই কাটানো গিয়েছে। এটাকে নিচুতলার নেতৃত্বের ‘সততা’ হিসেবেই দেখছেন সিপিএম নেতৃত্ব। কিন্তু বাংলা থেকে নির্বাচিত সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির অনেক সদস্যই ঘরোয়া আলোচনায় মেনে নিচ্ছেন, দলের অনেক শহুরে নেতাদের বৈভব প্রদর্শনের মানসিকতা দেখা যাচ্ছে। তার মধ্যে রাজ্য কমিটির নেতারাও রয়েছেন। তবে আলিমুদ্দিনের নেতারা এটা স্বীকার করেননি কোথাও যে দলের নেতাকর্মী থেকে সমর্থকদের দলের দিক থেকে মুখ ফেরানোর অন্যতম কারণ আইএসএফের মতো সাম্প্রদায়িক দলের সঙ্গে নির্বাচনী জোট। তাঁরা এটাও স্বীকার করেননি যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক অবস্থান এবং তাঁর সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডও এই মুখ ফেরানোর অন্যতম কারণ। 

Published by:

Share Link:

More Releted News:

নির্বাচন মিটতেই কালবৈশাখীর দাপট! দুর্যোগের দিনে ভোটকর্মীদের পাশে রেল

ভোট মিটলেও রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা সামলাতে ৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে

উদয়নারায়ণপুরে জওয়ানের ধাক্কায় বৃদ্ধের মৃত্যুর ঘটনায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আড়াল কমিশনের

ভোট শেষের মুখে নোয়াপাড়ায় উত্তেজনা, বচসা ঘিরে তৃণমূল–বিজেপি সংঘর্ষ

দিনের শেষে মায়ের সঙ্গে কসবা কেন্দ্রে ভোট দিলেন মিমি চক্রবর্তী

ব্যারাকপুরে পুরসভার কর্মী রাজনৈতিক দলের এজেন্ট হয়ে বুথে বসার অপরাধে আটক

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ