চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

তিস্তার উপচে পড়া ঠেকাতে ড্রেজিংয়ের চিন্তাভাবনা রাজ্যের, উদ্যোগী সেচ দফতর

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: তিস্তার(Teesta River) বুকে স্বাভাবিক সময়ে জল কমলেও সেই জলে ক্রমশই বেড়ে চলেছে পলির পরিমাণ। আবার বর্ষার পাশাপাশি হড়পা বানের(Flash Flood) সময়ে এবং ভারী বৃষ্টিপাত হলেও দেখা যাচ্ছে নদীতে ধেয়ে আসা জলস্রোতের সঙ্গে ভেসে আসছে পলি আর বড় বড় পাথরও। সেই সব পলি আর পাথরের হাত ধরে ক্রমশই তিস্তার নদীখাত(River Bed) ভরাট হয়ে যাচ্ছে। আর তার জেরে ভারী বৃষ্টি বা হড়পা বানের সময়ে নদী তার মূল খাত থেকে লাফিয়ে উঠে চলে আসছে জনবসতির মধ্যে। ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ঘরবাড়ি, গাড়ির পাশাপাশি বড় বড় গাছও। সেই সঙ্গে ভাঙছে নদীর পাড়ও। এই বিপদের মুখে বাধা না আনলেন আগামী দিনে তা যে বহু মানুষের জীবন বিপন্ন করে তুলবে তা বুঝতে পেরেই এবার রাজ্য সরকার(West Bengal State Government) উদ্যোগী হল তিস্তার বুকে নদীখাত ডেজ্রিং(Dredging) করার। সেই কাজ করবে রাজ্যের সেচ দফতর।

রাজ্যের সেচ দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এ বছর বর্ষার শুরুতেই তিস্তার যা ‘গতিপ্রকৃতি,’ তাতে দ্রুত ‘ড্রেজিং’ বা নদীখাত থেকে পলি তোলা না হলে নদীর দু’পারের জনপদ রক্ষা করা সম্ভব হবে না। গত বছর সিকিমের বিপর্যয়ের পরে তিস্তা গতিপথ বদলেছে এবং নদীখাত পলি জমে উঁচু হয়েছে। এই দুইয়ের কারণেই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে তিস্তা। প্রতিদিন ভাঙন রুখতে বাঁধের সম্প্রসারিত অংশ বা ‘স্পার’ ভাঙছে ফুঁসে ওঠা তিস্তা। পরিস্থিতি সামলাতে এ বার তাই তিস্তায় ‘ড্রেজিং’ তথা নদীখাত খননের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেচ দফতর। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নদীখাত খননের বিশদ পরিকল্পনা বা DPR তৈরির। সেচ দফতরে আরও উদ্বেগ ছড়িয়েছে গত বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ি লাগোয়া বাকালিতে তিস্তা বাঁধের পর পর ৭টি ‘স্পার’-এর মুখ ভেঙেছে। গত বছর ৫টি ‘স্পার’-এর ক্ষতি হয়েছিল। এ বার নদী গতিপথ বদলানোয় আরও ২টি ‘স্পার’-এর মাথা ভেঙেছে।

সেবকের পরে, তিস্তা বইছে আশপাশের গ্রামের সমান উচ্চতায়। যার ফলে, লালটং বস্তি-সহ বিভিন্ন গ্রামে জল ঢুকে পড়ছে। গত বছর তিস্তায় আসা হড়পা বানের জেরে পরবর্তীকালে ধরা পড়ে যে তিস্তার গতিপথে বদল এসেছে। তিস্তার সেই গতিপথ বদলানোর পরে সমীক্ষাও হয়েছিল। সেই সমীক্ষার রিপোর্ট হাতে পেয়েছে সেচ দফতর। সেখানেই দেখা যাচ্ছে, তিস্তার বুকে একদিকে নদীখাত উঁচু হয়ে গিয়েছে, অন্যদিকে নদীখাত ভেঙে যাচ্ছে। আর এই অবস্থা ঠেকাতে গেলে দ্রুত তিস্তার খাত থেকে পলি সরানোর প্রয়োজন। না হলেই ভরা বর্ষায় তিস্তা খ্যাপা ষাঁড়ের মতো সব কিছু ভেঙে নিজের খেয়ালে যেখান খুশি দিয়ে বয়ে যাবে। তবে সেচ দফতর সূত্রে এটাও জানা গিয়েছে যে, এই ভরা বর্ষায় তিস্তায় ডেজ্রিং সম্ভব নয়, বর্ষা কমলে সেই কাজে হাত দেওয়া হবে। এখন শুধু স্পার সারাইয়ের কাজ করতে হবে। পরে হবে স্পার মেরামতি আর ড্রেজিংয়ের কাজ।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

কর্তব্যে গাফিলতি ও নিয়ম অমান্য করায় ভবানীপুরের তিন আধিকারিককে সাসপেন্ড কমিশনের

‘মিনি পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে থানা ঘেরাও বিজেপির, পুলিশের লাঠিচার্জে জখম প্রার্থী

‘জাহাজ বাড়ির মালিক’ সুফিয়ানের জামাই তথা নন্দীগ্রাম আন্দোলনের নেতা আটক, বিক্ষোভ তৃণমূলের

তৃণমূল এবং ‘আইপ্যাকের’ বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ বিজেপি সাংসদের

‘এবারে সরকার গড়তে না পারলে আর কোনও দিনই পারব না’,তমলুকে মন্তব্য হিমন্ত’র

জীবিত থেকেও সরকারি খাতায় ‘মৃত’,অনাহারে দিন কাটছে ৯৪ বছরের বাউল শিল্পীর

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ