তিস্তার উপচে পড়া ঠেকাতে ড্রেজিংয়ের চিন্তাভাবনা রাজ্যের, উদ্যোগী সেচ দফতর

তিস্তার বানভাসি পরিস্থিতি ঠেকাতে রাজ্য সরকার উদ্যোগী হল তিস্তার বুকে নদীখাত ডেজ্রিং করার। সেই কাজ করবে রাজ্যের সেচ দফতর।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: তিস্তার(Teesta River) বুকে স্বাভাবিক সময়ে জল কমলেও সেই জলে ক্রমশই বেড়ে চলেছে পলির পরিমাণ। আবার বর্ষার পাশাপাশি হড়পা বানের(Flash Flood) সময়ে এবং ভারী বৃষ্টিপাত হলেও দেখা যাচ্ছে নদীতে ধেয়ে আসা জলস্রোতের সঙ্গে ভেসে আসছে পলি আর বড় বড় পাথরও। সেই সব পলি আর পাথরের হাত ধরে ক্রমশই তিস্তার নদীখাত(River Bed) ভরাট হয়ে যাচ্ছে। আর তার জেরে ভারী বৃষ্টি বা হড়পা বানের সময়ে নদী তার মূল খাত থেকে লাফিয়ে উঠে চলে আসছে জনবসতির মধ্যে। ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ঘরবাড়ি, গাড়ির পাশাপাশি বড় বড় গাছও। সেই সঙ্গে ভাঙছে নদীর পাড়ও। এই বিপদের মুখে বাধা না আনলেন আগামী দিনে তা যে বহু মানুষের জীবন বিপন্ন করে তুলবে তা বুঝতে পেরেই এবার রাজ্য সরকার(West Bengal State Government) উদ্যোগী হল তিস্তার বুকে নদীখাত ডেজ্রিং(Dredging) করার। সেই কাজ করবে রাজ্যের সেচ দফতর।

রাজ্যের সেচ দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এ বছর বর্ষার শুরুতেই তিস্তার যা ‘গতিপ্রকৃতি,’ তাতে দ্রুত ‘ড্রেজিং’ বা নদীখাত থেকে পলি তোলা না হলে নদীর দু’পারের জনপদ রক্ষা করা সম্ভব হবে না। গত বছর সিকিমের বিপর্যয়ের পরে তিস্তা গতিপথ বদলেছে এবং নদীখাত পলি জমে উঁচু হয়েছে। এই দুইয়ের কারণেই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে তিস্তা। প্রতিদিন ভাঙন রুখতে বাঁধের সম্প্রসারিত অংশ বা ‘স্পার’ ভাঙছে ফুঁসে ওঠা তিস্তা। পরিস্থিতি সামলাতে এ বার তাই তিস্তায় ‘ড্রেজিং’ তথা নদীখাত খননের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেচ দফতর। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নদীখাত খননের বিশদ পরিকল্পনা বা DPR তৈরির। সেচ দফতরে আরও উদ্বেগ ছড়িয়েছে গত বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ি লাগোয়া বাকালিতে তিস্তা বাঁধের পর পর ৭টি ‘স্পার’-এর মুখ ভেঙেছে। গত বছর ৫টি ‘স্পার’-এর ক্ষতি হয়েছিল। এ বার নদী গতিপথ বদলানোয় আরও ২টি ‘স্পার’-এর মাথা ভেঙেছে।

সেবকের পরে, তিস্তা বইছে আশপাশের গ্রামের সমান উচ্চতায়। যার ফলে, লালটং বস্তি-সহ বিভিন্ন গ্রামে জল ঢুকে পড়ছে। গত বছর তিস্তায় আসা হড়পা বানের জেরে পরবর্তীকালে ধরা পড়ে যে তিস্তার গতিপথে বদল এসেছে। তিস্তার সেই গতিপথ বদলানোর পরে সমীক্ষাও হয়েছিল। সেই সমীক্ষার রিপোর্ট হাতে পেয়েছে সেচ দফতর। সেখানেই দেখা যাচ্ছে, তিস্তার বুকে একদিকে নদীখাত উঁচু হয়ে গিয়েছে, অন্যদিকে নদীখাত ভেঙে যাচ্ছে। আর এই অবস্থা ঠেকাতে গেলে দ্রুত তিস্তার খাত থেকে পলি সরানোর প্রয়োজন। না হলেই ভরা বর্ষায় তিস্তা খ্যাপা ষাঁড়ের মতো সব কিছু ভেঙে নিজের খেয়ালে যেখান খুশি দিয়ে বয়ে যাবে। তবে সেচ দফতর সূত্রে এটাও জানা গিয়েছে যে, এই ভরা বর্ষায় তিস্তায় ডেজ্রিং সম্ভব নয়, বর্ষা কমলে সেই কাজে হাত দেওয়া হবে। এখন শুধু স্পার সারাইয়ের কাজ করতে হবে। পরে হবে স্পার মেরামতি আর ড্রেজিংয়ের কাজ।

দশভুজা নন, হাতে নেই অস্ত্র! রায় পরিবারের দুর্গা প্রতিমায় বড় চমক

বাংলাদেশে দুর্গাপুজোয় জঙ্গি হামলার আশঙ্কা, মণ্ডপে বসছে সিসি ক্যামেরা

চিনি আর তেল ছাড়লেই কমবে না ডায়াবেটিস! কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

খাবারে বৈচিত্র্য কম? বাড়তে পারে রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিসের ঝুঁকি

দিল্লিতে ভেঙে পড়া বাড়ির ধ্বংসাবশেষ থেকে উদ্ধার শিশুর দেহ

ফুসফুসের সমস্যা! ধূমপান ছাড়ার ২০ মিনিট পর থেকেই শুরু হয় ম্যাজিক

কেতুর গোচর, ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত ‘আচ্ছে দিন’ ৩ রাশির জাতকদের

উ‍ৎসবের মরশুমেই ৫ রাশির জাতকদের জীবনে ঘনিয়ে আসছে বিপদ!

পুতিনের জন্মদিনেই ইউক্রেনের ১২ শহরে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলা, নিহত ১৯

পূর্ণমন্ত্রীর মর্যাদায় রাজ্য সরকারের উপদেষ্টা ‘মহাগুরু’ মিঠুন চক্রবর্তী

প্রকাশ্য রাস্তায় চড় স্বামীর, অভিমানে দুই ছেলেকে নিয়ে গায়ে আগুন লাগিয়ে আত্মঘাতী স্ত্রী

পুজোর ভিড় সামলাতে স্পেশাল ট্রেন নিয়ে বড় ঘোষণা রেলের, কবে কোন রুটে চলবে? জানুন সময়সূচী

সন্দেশখালির শাহজাহানের জামিনে ফের জটিলতা, মামলা থেকে সরে গেলেন বিচারপতি

দিনদুপুরে কলেজ ছাত্রকে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি, চাঞ্চল্য খড়্গপুরে