তিস্তার বুকে ৭৬কিমি এলাকা জুড়ে হবে ড্রেজিং, ৫৫০ কোটির প্রকল্প রাজ্যের

কেন্দ্রের মুখাপেক্ষী হয়ে বসে না থাকে রাজ্য সরকার নিজের খরচে তিস্তার বুকে ড্রেজিংয়ের কাজ শুরু করে দিতে চাইছে। তার জন্যই ৫৫০ কোটি টাকার প্রকল্প।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে(West Bengal State Government) এড়িয়ে ভারত সরকার তিস্তার জলবন্টন চুক্তি করতে চাইছে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে। কিন্তু সেই চুক্তির বিরুদ্ধেই এখন সরব হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, বাংলাকে বঞ্চিত করে বাংলাদেশকে তিস্তার জল দেওয়া যাবে না। তিস্তার জলবন্টন চুক্তি হলে উত্তরবঙ্গ(North Bengal) শুকিয়ে যাবে। মুখ্যমন্ত্রীর এই অবস্থানকে সমর্থন করেছেন রাজ্যের নদী বিশেষজ্ঞ থেকে পরিবেশবিদরাও। মুখ্যমন্ত্রী তিস্তার(Teesta) বুকে জলধারণ ক্ষমতা বাড়াবার জন্য কেন্দ্র সরকারকে যে ড্রেজিংয়ের(Dredging) প্রস্তাব দিয়েছেন সেই প্রস্তাবকেও সমর্থন জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। যদিও কেন্দ্র সরকার এখনও এই ড্রেজিং নিয়ে উচ্চবাচ্য করেনি। কিন্তু এখন তিস্তার যা অবস্থা তাতে অবিলম্বে ড্রেজিংয়ের কাজ শুরু না হলে বড়সড় বিপদের মুখে পড়ে যাবে জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার জেলা। এই অবস্থায় কেন্দ্রের মুখাপেক্ষী হয়ে বসে না থাকে রাজ্য সরকার নিজের খরচে তিস্তার বুকে ড্রেজিংয়ের কাজ শুরু করে দিতে চাইছে। এরজন্য এবার রাজ্যের সেচ দফতর(Irrigation Department) ৫৫০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প(550 Crore Rupees Project) জমা দিয়েছে অর্থ দফতরের কাছে।

আরও পড়ুন ‘বিজেপি বঙ্গভঙের কথা বলে, কিন্তু বিধানসভায় উল্টো কথা বলে’, বিস্ফোরক বিষ্ণু

কেন ড্রেজিং? সিকিমে তিস্তার বুকে একের পর এক বাঁধ আর জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। এর জেরে তিস্তায় আর আগের মতো জলের প্রবাহ দেখা যায় না স্বাভাবিক সময়ে। ফলে তিস্তায় পলি বহণের ক্ষমতা অনেকটাই কমে গিয়েছে। আবার গত কয়েক বছরে বার বার হড়পা বান এসেছে তিস্তার বুকে। তখন বিপুল পরিমাণে পাথর আর কাদামাটি ধেয়ে এসে জমা হয়েছে তিস্তার বুকে। আর এর জেরেই এখন নাব্যতা হারিয়েছে তিস্তা। কোথাও ৮ ফুট, কোথাও আবার ১০ ফুট পর্যন্ত উঁচু হয়ে গিয়েছে নদীর তলদেশ। আর এতেই বিপন্ন হয়ে পড়েছে নদীপাড়ের বহু গ্রাম। গভীরতা কমে যাওয়ায় একাধিক জায়গায় বাঁক নিতে শুরু করেছে তিস্তা। কার্যত তিস্তার গতিপথ পরিবর্তনের সম্ভাবনাও দেখা দিয়েছে। আর এতেই বিপদের আশঙ্কা করছেন পরিবেশবিদরা। তাঁদের বক্তব্য, নাব্যতা বাড়িয়ে তিস্তাকে পুরনো খাতে ফেরাতে পারলে তবেই বাঁচানো যাবে নদীপাড়ের গ্রামগুলিকে। রাজ্য সরকারও মানছে, পরিস্থিতি যা দাঁড়িয়েছে, তাতে শুধু বাঁধ উঁচু করলেই হবে না। নদীর গভীরতা বাড়ানো দরকার। প্রয়োজন ড্রেজিং।   

আরও পড়ুন রাজ্য বিধানসভায় পেশ হল বাংলভাগের প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে প্রস্তাব

আর সেই কারণেই রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তিস্তা যেখানে সমতলে পা রেখেছে সেই সেভক থেকে কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ পর্যন্ত ৭৬ কিমি পথে তিস্তায় ড্রেজিং করানো হবে। আর এই কাজের জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে ৫৫০ কোটি টাকার প্রকল্প তৈরি করে রাজ্যের অর্থ দফতরে তা জমা দিয়েছে রাজ্যের সেচ দফতর। গত বছর অক্টোবর মাসে সিকিমে হ্রদ বিপর্যয়ের পর থেকে তিস্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। কারণ ওই বিপর্যয়ের পর পাহাড় থেকে প্রচুর পলি, নুড়ি পাথর নেমে এসেছে তিস্তা দিয়ে। এর জেরে অনেকটাই কমেছে নদীর গভীরতা। একাধিক জায়গায় আচমকা বাঁক নিতে শুরু করে তিস্তা। উদ্বেগজনকভাবে নাব্যতা কমেছে তিস্তার। ফলে নদীর গভীরতা বাড়ানো জরুরি। না হলে অদূর ভবিষ্যতে হারিয়ে যেতে পারে তিস্তাপাড়ের বহু গ্রাম। সেচ দফতর সূত্রে খবর, ইতিমধ্যে জলপাইগুড়ি জেলার লালটং বস্তি, টোটগাঁও, মিলনপল্লি, বীরেনবস্তি, দক্ষিণ চ্যাংমারির মতো একাধিক গ্রাম বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে। তিস্তায় জল বাড়লে কিংবা নদী আচমকা বাঁক নিলে নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে পারে ওই জনপদগুলি। এই অবস্থায় সেচ দফতরের আধিকারিকরা মনে করছেন, নদীর গভীরতা বাড়িয়ে ২৫ বছর আগে যে খাতে বয়ে যেত তিস্তা, সেটা ফিরিয়ে দিতে পারলে বিপদ থেকে রেহাই পাওয়া যাবে।   

দশভুজা নন, হাতে নেই অস্ত্র! রায় পরিবারের দুর্গা প্রতিমায় বড় চমক

বাংলাদেশে দুর্গাপুজোয় জঙ্গি হামলার আশঙ্কা, মণ্ডপে বসছে সিসি ক্যামেরা

চিনি আর তেল ছাড়লেই কমবে না ডায়াবেটিস! কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

খাবারে বৈচিত্র্য কম? বাড়তে পারে রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিসের ঝুঁকি

দিল্লিতে ভেঙে পড়া বাড়ির ধ্বংসাবশেষ থেকে উদ্ধার শিশুর দেহ

ফুসফুসের সমস্যা! ধূমপান ছাড়ার ২০ মিনিট পর থেকেই শুরু হয় ম্যাজিক

কেতুর গোচর, ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত ‘আচ্ছে দিন’ ৩ রাশির জাতকদের

উ‍ৎসবের মরশুমেই ৫ রাশির জাতকদের জীবনে ঘনিয়ে আসছে বিপদ!

পুতিনের জন্মদিনেই ইউক্রেনের ১২ শহরে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলা, নিহত ১৯

পূর্ণমন্ত্রীর মর্যাদায় রাজ্য সরকারের উপদেষ্টা ‘মহাগুরু’ মিঠুন চক্রবর্তী

প্রকাশ্য রাস্তায় চড় স্বামীর, অভিমানে দুই ছেলেকে নিয়ে গায়ে আগুন লাগিয়ে আত্মঘাতী স্ত্রী

পুজোর ভিড় সামলাতে স্পেশাল ট্রেন নিয়ে বড় ঘোষণা রেলের, কবে কোন রুটে চলবে? জানুন সময়সূচী

সন্দেশখালির শাহজাহানের জামিনে ফের জটিলতা, মামলা থেকে সরে গেলেন বিচারপতি

দিনদুপুরে কলেজ ছাত্রকে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি, চাঞ্চল্য খড়্গপুরে