চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

ধান কেনার সময় ওজন মাপা হবে E-POP Machine দিয়ে, মিলবে Slip-ও

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্য সরকার(West Bengal State Government) কৃষকদের(Paddy Farmers) কাছ থেকে সরাসরি ধান কেনার প্রক্রিয়া(Paddy Procurement) শুরু করছে ২ নভেম্বর থেকে। কিন্তু সেখানে ধান বিক্রির সময় কৃষকেরা অনান্যবারে ওজনের পরিমান নিয়ে নানা অভিযোগ তোলেন। সেই অভিযোগ নিরসনে এবার রাজ্য সরকার সরকারি ধানক্রয় কেন্দ্রগুলিতে ওজন নিয়ে চাষিদের মধ্যে ক্ষোভ বা প্রশ্ন এড়াতে বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে। যে ইলেকট্রনিক E-POP Machine দিয়ে ধান মাপা হবে, তার সঙ্গে ইলেকট্রনিক ওজনযন্ত্রও যুক্ত থাকবে। ধান বিক্রির পর E-POP Machine থেকে বেরনো স্লিপে উল্লেখ থাকবে চাষি কী পরিমাণ ধান বেচলেন। ফলে আর সন্দেহের বাট্যাবরণ থাকবে না। প্রতিবছর দেখা যায় ধান কেনার কেন্দ্রগুলিতে ওজন নিয়ে ঝামেলা বাধে। বহু চাষি অভিযোগ করেন, তাঁদের ওজনে ঠকানো হয় বা ধানের দাম কম দেওয়া হয়। নতুন ব্যবস্থায় এই সমস্যা অনেকটাই মিটবে বলে মনে করছেন রাজ্যের খাদ্য দফতরের আধিকারিকেরা।  

আরও পড়ুন, জেলাশাসক অফিস ঘেরাও অভিযানে নেমে গ্রেফতার হলেন নিশীথ

চাষিদের অভিযোগ, সরকারি ক্রয়কেন্দ্রে ধানের প্রকৃত ওজন থেকে আবর্জনা বা খাদ বাবদ অনেকটাই বাদ দেওয়া হতো। এজন্য তাঁরা প্রাপ্যের চেয়ে কম টাকাই পেতেন। এই কারণে অনেক চাষি সরকারকে ধান বেচতেন না। পুরনো ব্যবস্থায় চাষির ধানের কয়েকটি বস্তার নমুনা পরীক্ষা করেই খাদের পরিমাণ ঠিক করা হতো। তারপর ধান ওজন করা হতো ম্যানুয়াল ওজনযন্ত্রে। কিন্তু এই ব্যবস্থা চালুর আবার তীব্র বিরোধিতা করেছে Bengal Rice Mills Association। মিল মালিকদের সংগঠনের দাবি, E-POP Machine দিয়ে ধান কেনার ব্যবস্থা চালু হলে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সমস্যা হতে পারে। ধানের সঙ্গে ধুলো-বালি-পাথরসহ নানা ধরনের ‘খাদ’ মিশে থাকে। নতুন সিদ্ধান্তে খাদ বাদ দিয়ে ওজনের ব্যবস্থা থাকছে না। ফলে ধানের যে ওজন পাওয়া যাবে, তা অন্যায্য। তাই ওই পরিমাণের ধানের ভিত্তিতে সরকারকে চাল দিতে হলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে মিলগুলি। নতুন ব্যবস্থায় মিলের ক্ষতি আরও বাড়বে। এই ব্যবস্থা চালু হলে তাঁরা বাধ্য হবেন চাল উৎপাদন না-করার।

আরও পড়ুন, হাওড়ার শালিমার থেকে নিউটাউনের হাতিশালা পর্যন্ত নয়া বাসরুট চালু

যদিও রাজ্য খাদ্য দফতরের আধিকারিকেরা এখন মিল মালিকদের সংগঠনের হুমকিকে খুব বেশি পাত্তা দিতে চাইছেন না। তবে তাঁরা জানিয়ে দিয়েছেন, কৃষকেরা ধান বিক্রি করলে ৩ দিনের মধ্যে টাকা পেয়ে যাবেন। প্রতিবছরই ধান বিক্রির পর কবে টাকা পাওয়া যাবে, তা নিয়ে চাষিরা চিন্তায় থাকেন। তারই সুযোগ ফড়েরা নেয়। তারা ধান কেনার কয়েক দিনের মধ্যেই চাষিদের টাকা দিয়ে দেন। দ্রুত টাকা পাওয়ার আশায় অনেক চাষি ফড়েদের দ্বারস্থ হয়। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ধান বিক্রির তিন দিনের মধ্যেই চাষিদের অ্যাকাউন্টে টাকা দেওয়া হবে। এবারে প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে ধান কেনার জন্য সঙ্ঘ এবং সমবায়গুলিকে কাজে লাগানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। কৃষকবন্ধু পোর্টালে নাম নথিভুক্ত থাকলে চাষিরা সহজেই ধান বিক্রির জন্য নাম রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। অনথিভুক্ত বর্গাদাররাও ক্রয়কেন্দ্রে ধান বিক্রি করতে পারবেন। তবে তাঁদের জমি সংক্রান্ত স্ব-ঘোষণাপত্র দিয়ে নাম রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

নিশাচর কমিশন! ভোটের আগে গভীর রাতে পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে CEO মনোজ

বৃহস্পতি-শুক্রতে শহরে আসতে গেলে হাতে রাখুন অতিরিক্ত সময়, জানাচ্ছে কলকাতা পুলিশ

বুধবার সন্ধ্যে নামতেই জঙ্গিপুরে নামল সাঁজোয়া গাড়ি, রাতভর টহল শুরু

বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে সমস্ত দোকানপাট বন্ধ করে দিল পুলিশ

ভোটের জন্য নেই বাস, আসানসোলে অটো-টোটোর বিরুদ্ধে বেশি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ

ইভিএম মেশিন খচ্চরের পিঠে চাপিয়ে দার্জিলিংয়ের দুর্গম বুথে পৌঁছলেন ভোট কর্মীরা

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ