এ এক অজানা ‘উত্তম’ এর কাহিনী

সন্তানহারা সেই মায়ের আকুতি '' ও কেন গেল, ওর তো আয়ু এখনও ঠিকুজিতে রয়েছে'। 

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ  তাঁর বাবা সাতকড়ি চট্টোপাধ্যায়,  মা চপলা দেবী।  সাধারণ মানুষের মতোই মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম তাঁর। তাঁর ভুবনভোলানো হাসি, চোখে অকৃত্রিম রোমান্টিসিজম আর অভিনয় দক্ষতা।  সব মিলিয়ে তাতে মুগ্ধ প্রজন্মের পর প্রজন্ম বাঙালি। তিনি আর কেউ নন উত্তমকুমার, মহানায়ক উত্তম কুমার, বাঙালির উত্তম কুমার, যার আসল নাম ছিল অরুণ কুমার চট্টোপাধ্যায়। তিনি ক্ষণজন্মা’। আর তাই তাঁর মত আর একটি প্রতিভা খুঁজে পায়নি বাংলা চলচ্চিত্র জগত। কিন্তু অরুণ কুমার চট্টোপাধ্যায় থেকে উত্তম কুমার হয়ে ওঠার জার্নিটা খুব সহজ ছিল না। 

 হ্যাঁ, উত্তম -সৌমিত্র দ্বন্দ্ব খানিক দর্শকদের মধ্যে থাকলেও উত্তমকুমার আজও সর্ব্বোত্তমই। অভিনয়কে ভালোবেসে গিয়েছেন আজীবন আর তাই তাঁর প্রয়াণও সেই শুটিং ফ্লোরে। মহানায়ক যখন প্রয়াত হন তখনও  মা চপলা দেবী জীবিত। সন্তানশোক স্বাভাবিকভাবেই সহ্য করতে পারেননি মহানায়ক জননী। তৎকালীন সময়ে এক পত্রিকায় তাঁর সাক্ষাৎকারে প্রকাশিত হয়েছিল সন্তানহারা সেই মায়ের আকুতি ” ও কেন গেল, ওর তো আয়ু এখনও ঠিকুজিতে রয়েছে’। 

১৯৪২ সালে মেট্রিক পাশ করার পর কলকাতা পোর্ট ট্রাস্ট- এর (বর্তমানে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি বন্দর) ক্যাশ ডিপার্টমেন্টে চাকরি নেন। কিন্তু অভিনয়ের অনুশীলন ভুলতে পারেননি। আজ রবিবার সেই মহানায়কের মৃত্যুদিন । আজ ২৪ শে জুলাই বাংলা ছবির জগতে এটি একটি শোকের দিন। ‘ক্যাশিয়ার টু সুপারস্টার’ হয়ে ওঠার সেই জার্নি কেমন ছিল? সকালে চাকরি আর রাতে ডালহৌসের গভর্নমেন্ট কমার্শিয়াল কলেজে বি-কমের পড়াশোনা। একটা সময় জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছালেও সেই যাত্রাপথ সুগম ছিল না বাকি আর পাঁচজনের মতো তাঁরও। ১৯৪৫ সালে বি-কম পাশ করেন উত্তম কুমার।  

কলকাতা পোর্ট ট্রাস্টে চাকরি করাকালীন সমানতালে চালিয়ে গিয়েছেন অভিনয়। তবে একসঙ্গে দুটো চালিয়ে যাওয়া খুব সহজ ছিল না। পাশে ছিল সহকর্মী থেকে অফিস। মহানায়ক হয়ে ওঠার পরেও তাঁদের অবদান তিনি কখনোই ভোলেননি। তাই, মহানায়ক উত্তম কুমারকে একটু বেশি যেন চেনে তাঁর প্রথম কর্মসংস্থান। আজও তাই ডালহৌসের বুকে কলকাতা পোর্ট ট্রাস্টে জ্বলজ্বল করছে তাঁর ছবি। তাঁর মৃত্যুদিনে আজও তাঁর স্মৃতি তর্পণ করে কলকাতা পোর্ট ট্রাস্টে এর বর্তমানের কর্মীরা।

‘পুশ ব্যাক’ সমস্যা মেটাতে ঢাকা-দিল্লি আলোচনায় বসুক, পরামর্শ রাষ্ট্রপুঞ্জ মহাসচিবের

ইরান-আমেরিকা সমঝোতা বৈঠকে যোগ দিতে সুই‍ৎজারল্যান্ডে যাচ্ছেন না শাহবাজ শরিফ

বাবা-মা চিকিৎসক, কিন্তু কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়েই ভবিষ্যত গড়বে জয়েন্টে প্রথম শাশ্বত

২১ জুন ভোর ৪ টে থেকেই চলবে মেট্রো, কোন কোন লাইনে মিলবে পরিষেবা?

কর্নাটকে বিধান পরিষদ নির্বাচনে কংগ্রেসের জয়-জয়কার, বিজেপির ঝুলিতে মাত্র ২ আসন

‘ডিম’ হামলার হাত থেকে বাঁচতে পুলিশের গাড়িতে আশ্রয় নিলেন অরূপ ‘ছবি’ বিশ্বাস

ঝাড়খণ্ডে রাজ্যসভা নির্বাচনে ক্রস ভোটিং, জিতে গেলেন বিজেপি সমর্থিত নির্দল প্রার্থী

গণধর্ষণের পরে মহিলার যৌনাঙ্গে গুঁজে দেওয়া হল গুলি-পাথরের টুকরো, বিহারের বেগুসরাইয়ের ঘটনা

ধেয়ে আসছে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টি, কোন-কোন জেলায় জারি হাই অ্যালার্ট?

‘রবিতে যোগ দিবসের অনুষ্ঠানের জন্য সমস্যা হবে না নিট পরীক্ষার্থীদের’, আশ্বাস শুভেন্দুর

বিধানসভায় মমতাপন্থী ৫ বিধায়কের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক শুভেন্দুর, জোর জল্পনা

ফের অগ্নিগর্ভ মণিপুর, গোষ্ঠীসংঘর্ষে চলল গুলি, জখম তিন কুকি যুবক

ঢাকায় সাতদিন ঠায় বসে, দীনেশ ত্রিবেদীকে পরিচয়পত্র পেশের সময় দিচ্ছেন না বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি

‘স্ত্রী নেই, আমিও থাকছি না’, উন্নাওয়ে সহধর্মিণীর আত্মহত্যার খবর পেয়ে কলকাতায় আত্মঘাতী সেনা অফিসার