বাড়ির গাড়ি চড়ার অনুমতি ছিল না, রাস্তার অটো-বাসে যাতায়াত করতেন হৃতিক

বাবা হয়েও আমি হৃত্বিককে বাড়ির গাড়ি দিই নি। সুপারস্টারের কলেজ শেষ হওয়ার পরেও হৃত্বিক ট্যাক্সি, অটো বা বাসে যাতায়াত করতেন।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: সুপারস্টার হওয়ার আগে নাকি আম-আদমির মতো অটো-বাসে যাতায়াত করতেন হৃতিক রোশন! হ্যাঁ, একটি পুরোনো সাক্ষাৎকারে ছেলের সম্পর্কে এমন কথাই জানিয়েছিলেন পরিচালক তথা অভিনেতা রাকেশ রোশন। আজ মঙ্গলবার অর্থাৎ ৬ সেপ্টেম্বর প্রবীণ অভিনেতা-পরিচালক রাকেশ রোশনের জন্মদিন। ৭৩ বছরে পা দিলেন তিনি। তাঁর জন্মদিন উপলক্ষে প্রচুর স্মৃতিকথা ভাইরাল হয়েছে। বলি সুপারস্টার হৃত্বিক রোশনের বাবা তিনি। বাবার হাত ধরেই হৃত্বিকের আত্মপ্রকাশ অভিনয় জগতে। তাঁর ডেবিউ চলচ্চিত্র ‘কাহো না প্যায়ার হ্যায়’ (২০০০) সেই যুগে অন্যতম বিগেস্ট হিট সিনেমা ছিল। এছাড়াও হৃত্বিক তাঁর সুপারহিরো সিরিজ কৃষের মতো একাধিক সুপারহিট ছবি উপহার দিয়েছেন বলিউডকে। একটি পুরানো সাক্ষাৎকারে, রাকেশ জানিয়েছিলেন, তিনি ‘কোই মিল গ্যায়া (২০০৩)’ এর মতো চলচ্চিত্রে হৃতিককে পরিচালনা করার জন্য অনেক পুরস্কার জিতেছিলেন। সঙ্গে আরও জানিয়েছিলেন, তিনি কী ভাবে হৃত্বিকের কঠোর পিতা হয়ে উঠেছিলেন।

পাশাপাশি তিনি স্বীকার করেছিলেন যে, যেহেতু তিনি একজন অভিনেতা হিসাবে ব্যর্থ হয়েছিলেন, তাই সেই স্বপ্ন তিনি তাঁর ছেলের মধ্যে দিয়ে দেখতে চেয়েছিলেন। তবে হৃত্বিকের কেরিয়ারে কিছু উত্থান-পতন ছিল। ছেলের বিষয়ে তিনি জানান, “হৃতিক সত্যিই কঠোর পরিশ্রমী। অভিনেতা হিসেবে আমি ব্যর্থ। কিন্তু আমি চেয়েছিলাম আমার ছেলে আমার স্বপ্নগুলো নিয়ে বাঁচুক। আমি আমার জীবনে যে কাজগুলো করতে পারিনি তা এখন করছে হৃতিক। তিনি একজন সুপারস্টার, সারা বিশ্বে তাঁর অনেক খ্যাতি। কিন্তু আমার ছেলে আমাকে গর্বিত বাবা করেছে।” সঙ্গে আরও জানান, “বাবা হয়েও আমি হৃত্বিককে বাড়ির গাড়ি দিই নি। সুপারস্টারের কলেজ শেষ হওয়ার পরেও হৃত্বিক ট্যাক্সি, অটো বা বাসে যাতায়াত করতেন। এমনকি হৃতিক যখন করণ অর্জনের সময় আমার সঙ্গে সহ-পরিচালক হিসেবে কাজ করেছিলেন, তখনও আমি তাঁকে পারিবারিক গাড়িতে ভ্রমণ করার অনুমতি দিইনি।”

রাকেশ বলেন, “কলেজ থেকে স্নাতক হওয়ার পর তাঁকে (হৃতিক) বিদেশে স্পেশাল ইফেক্ট শেখার জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি এখানে চেয়েছেন এবং তখনই সে আমার সঙ্গে করণ অর্জুন-এ কাজ শুরু করেন, সহকারী পরিচালক হিসেবে। আমি তাঁর সঙ্গে খুব কঠোর ছিলাম। আমি তাঁকে আমাদের সঙ্গে লাঞ্চ, ডিনারে বসতে দিতাম না। তাঁর আমার গাড়িতে ভ্রমণ করার অধিকার ছিল না। পরিবর্তে, তিনি অন্যান্য এডিদের সঙ্গে ট্যাক্সি, অটো বা বাসে ভ্রমণ করতেন। আমরা বাড়িতে এক টেবিলে বসে নাস্তা করলেও, সেটে সে আমার ছেলে হিসেবে কোনো অধিকার ছিল না, সেটে তিনি একজন সহকারী ছিল। সে অন্য তিনজনের সঙ্গে একটি রুম ভাগ করে নিত এবং তাঁদের সঙ্গে খাবার খেত। এভাবেই আমি ভেবেছিলাম সে আরও ভালো শিখবে সবকিছু, মানুষ হবে মানুষের মতো।” হৃতিক করণ অর্জুন (১৯৯৫) ছাড়াও খেলা (১৯৯২) এবং কয়লা (১৯৯৭) এর মতো ছবিতে বাবাকে সহ পরিচালক হিসেবে সহায়তা করেছেন।

রামপুরহাটে কোটি কোটি টাকার জাল লটারি চক্রের হদিশ, আটক ১২

চুঁচুড়া পুরসভার ওয়ার্ড অফিসে মদের আসর, বিক্ষোভ বিজেপির

সুথার-সুন্দরের ভেল্কিতে আফগানদের দুরমুশ করে জিতল টিম ইন্ডিয়া

সাঁইথিয়া পুরসভায় ভাঙন, চেয়ারম্যান সহ ১৪ তৃণমূল কাউন্সিলরের পদত্যাগ

হিঙ্গলগঞ্জে মুক ও বধির মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার প্রতিবেশী

‘হোম ট্যুর’ ভিডিও পোস্ট করেই চোরের খপ্পরে ইউটিউবার, খোয়া গেল ১০ লক্ষ টাকার গহনা

ডিগবাজি খেলেন ফিরহাদ, মমতার হাত ছেড়ে ঋতব্রতদের শিবিরে দিলেন যোগ

চোটের কারণে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন ব্রাজিলের তারকা ফুটবলার

অবিলম্বে ইরান ছাড়ুন, ইজরায়েলের হামলার পরেই স্বদেশি নাগরিকদের নির্দেশ ভারতীয় দূতাবাসের

দুর্দিনে মমতার পাশে নেই, রাজ্যসভার সাংসদ পদে ইস্তফা দিচ্ছেন কোয়েল

ফিফা বিশ্বকাপের আগে আতঙ্ক! ইংল্যান্ডের প্রশিক্ষণ শিবিরের কাছে চলল গুলি, আহত ৯

দাদুর সঙ্গে আম পাড়ার পর মহানন্দায় স্নান করতে গিয়ে নিখোঁজ নাতি, চলছে তল্লাশি অভিযান

তামিলনাড়ুতে বিপুল ভোটে জিতলেও চেন্নাইয়ে এক তরুণের কাছে হারলেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়

‘পুষ্পা’ গ্রেফতার হতেই ফলতার পার্টি অফিস থেকে উদ্ধার ত্রাণ সামগ্রী, আছড়ে পড়ল জনরোষ